Tags » Adding

জুমুআর নামাজ, খুতবা, আদব ও বিদআত সমুহের বিস্তারিত মাসআলা-মাসায়েল:

জুমু‘আর দিনের বিধান ভূমিকা জুমু‘আর দিন একটি বরকত পূর্ণ দিন। আল্লাহ তা‘আলা এ দিনটিকে সমস্ত দিনের উপর ফযিলত দিয়েছেন এবং উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য এ দিনটিকে নেয়ামত স্বরূপ নির্বাচন করেছেন। ইয়াহুদী ও খৃষ্টানদের এ দিবসটি থেকে আল্লাহ তা‘আলা দূরে সরিয়ে রেখেছেন। ফলে তারা এ দিবসটি সম্পর্কে ভ্রান্তিতে নিমজ্জিত। শনিবার ও রবিবারের তুলনায় জুমু’আর দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। পৃথিবীর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ দিনে আল্লাহ তা‘আলা অসংখ্য ঘটনা রাজির জন্ম দিয়েছেন এবং পৃথিবীতে অনেক কিছুই এ দিবসটিতে সংঘটিত হয়েছে। অত:পর আল্লাহ তা‘আলা আমাদের- উম্মতে মুহাম্মদী-কে পাঠান এবং আমাদেরকে জুমু’আর দিনের প্রতি পথ দেখান। আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু ও হুযাইফা রাদিয়াল্লাহু আনহু উভয় সাহাবী হতে বর্ণিত, তারা বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, « ﺃﺿﻞ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﺰ ﻭﺟﻞ ﻋﻦ ﺍﻟﺠﻤﻌﺔ ﻣﻦ ﻛﺎﻥ ﻗﺒﻠﻨﺎ؛ ﻓﻜﺎﻥ ﻟﻠﻴﻬﻮﺩ ﻳﻮﻡ ﺍﻟﺴﺒﺖ، ﻭﻛﺎﻥ ﻟﻠﻨﺼﺎﺭﻯ ﻳﻮﻡ ﺍﻷﺣﺪ، ﻓﺠﺎﺀ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﺰ ﻭﺟﻞ ﺑﻨﺎ ﻓﻬﺪﺍﻧﺎ ﻟﻴﻮﻡ ﺍﻟﺠﻤﻌﺔ، ﻓﺠﻌﻞ ﺍﻟﺠﻤﻌﺔ ﻭﺍﻟﺴﺒﺖ ﻭﺍﻷﺣﺪ، ﻭﻛﺬﻟﻚ ﻫُﻢ ﻟﻨﺎ ﺗﺒﻊ ﻳﻮﻡ ﺍﻟﻘﻴﺎﻣﺔ، ﻭﻧﺤﻦ ﺍﻵﺧِﺮﻭﻥ ﻣﻦ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﺪﻧﻴﺎ، ﻭﺍﻷﻭﻟﻮﻥ ﻳﻮﻡ ﺍﻟﻘﻴﺎﻣﺔ، ﺍﻟﻤﻘﻀﻲ ﻟﻬﻢ ﻗﺒﻞ ﺍﻟﺨﻼﺋﻖ ‏» ‏[ﺭﻭﺍﻩ ﻣﺴﻠﻢ، ﻭﺍﻟﻨﺴﺎﺋﻲ، ﺍﺑﻦ ﻣﺎﺟﺔ ]. 148 more words

Text

Week 23 - 29th January

Weather again this week

No progress on the roof, but ceiling joists in on the extension

Starting stonework on the terrace and the well  

Plastering started around Max’s window   23 more words

Adding

Week 22 - 24th January

Weather!!!!!

But 2 days dry, so some of the roof goes up – apologies for the blue colour – Joseph’s camera settings gone awry….

Front guttering and down spout formed… 26 more words

Adding

হিংসা ও বিদ্বেষ: মানবতার হত্যাকারী

হিংসা ও বিদ্বেষ : মানবতার হত্যাকারী -মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব ﻋَﻦْ ﺃَﻧَﺲِ ﺑْﻦِ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮْﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗَﺎﻝَ : ﻻَ ﺗَﺒَﺎﻏَﻀُﻮْﺍ ﻭَﻻَ ﺗَﺤَﺎﺳَﺪُﻭْﺍ ﻭَﻻَ ﺗَﺪَﺍﺑَﺮُﻭْﺍ ﻭَﻻَ ﺗَﻘَﺎﻃَﻌُﻮْﺍ ﻭَﻛُﻮْﻧُﻮْﺍ ﻋِﺒَﺎﺩَ ﺍﻟﻠﻪِ ﺇِﺧْﻮَﺍﻧًﺎ، ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ – অনুবাদ : হযরত আনাস বিন মালেক (রাঃ) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, তোমরা পরস্পরে বিদ্বেষ করো না, হিংসা করো না, ষড়যন্ত্র করো না ও সম্পর্ক ছিন্ন করো না। তোমরা পরস্পরে আল্লাহর বান্দা হিসাবে ভাই ভাই হয়ে যাও’।[1] ব্যাখ্যা : অত্র হাদীছে মানবতাকে হত্যাকারী কয়েকটি দুরারোগ্য ব্যাধির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইসলামী সমাজকে ভিতর থেকে ধ্বংস করে দেয়। এখানে চারটি বিষয় উল্লেখ করা হলেও তা মূলতঃ একটি থেকে উৎসারিত। আর তা হ’ল ‘হিংসা’। এই মূল বিষবৃক্ষ থেকেই বাকীগুলি কাঁটাযুক্ত ও যন্ত্রণাদায়ক ডাল-পালার ন্যায় বেরিয়ে আসে। হিংসা অর্থ ﺃﻥْ ﻳَﺤْﺴُﺪَ ﻋَﻠﻰَ ﻣﺎ ﺃﻧﻌَﻢَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋﻠﻴﻪ ﺑﻪ، ﻭﺃﻥ ﻳﺘﻤﻨﻲ ﺯَﻭَﺍﻝَ ﻧِﻌْﻤَﺘِﻪِ ‘আল্লাহ অন্যকে যে নে‘মত দান করেছেন তাকে হিংসা করা এবং উক্ত নে‘মতের ধ্বংস কামনা করা’। আর হিংসুক হ’ল, ﺍﻟﺤﺮﻳﺺ ﻋﻠﻲ ﺯﻭﺍﻝِ ﺍﻟﻨِّﻌْﻤَﺔِ ﻋﻠﻲ ﺍﻟْﻤَﺤْﺴُﻮﺩ ‘হিংসাকৃত ব্যক্তির নে‘মত ধ্বংসের আকাংখী’। হিংসার পিছে পিছে আসে বিদ্বেষ। সে তখন সর্বদা ঐ ব্যক্তির মন্দ কামনা করে। যেমন মুমিনদের বিরুদ্ধে মুনাফিকদের আচরণ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ﺇِﻥْ ﺗَﻤْﺴَﺴْﻜُﻢْ ﺣَﺴَﻨَﺔٌ ﺗَﺴُﺆْﻫُﻢْ ﻭَﺇِﻥْ ﺗُﺼِﺒْﻜُﻢْ ﺳَﻴِّﺌَﺔٌ ﻳَﻔْﺮَﺣُﻮْﺍ ﺑِﻬَﺎ‘যদি তোমাদের কোন কল্যাণ স্পর্শ করে, তাতে তারা অসন্তুষ্ট হয়। আর যদি তোমাদের কোন অকল্যাণ হয়, তাতে তারা আনন্দিত হয়’ (আলে ইমরান ৩/১২০) । বস্ত্ততঃ এ দু’টি বদস্বভাবের মধ্যে ঈমানের কোন অংশ নেই। কেননা মুমিন সর্বদা অন্যের শুভ কামনা করে। যেমন সে সর্বদা নিজের শুভ কামনা করে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ﻻ ﻳُﺆْﻣِﻦُ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﺣَﺘَّﻰ ﻳُﺤِﺐَّ ﻷَﺧِﻴْﻪِ ﻣَﺎ ﻳُﺤِﺐُّ ﻟِﻨَﻔْﺴِﻪِ ‘তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য ঐ বস্ত্ত ভালবাসবে, যা সে নিজের জন্য ভালবাসে’।[2] যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি হিংসা ও বিদ্বেষ পোষণ করে, তার ঈমান হয় ত্রুটিপূর্ণ। হিংসা তার সমস্ত নেকীকে খেয়ে ফেলে যেমন আগুন ধীরে ধীরে কাঠকে খেয়ে ফেলে। এভাবে সে নিজের আগুনে নিজে জ্বলে মরে। পরিণামে তার পূর্বে কৃত সৎকর্ম সমূহের নেকীগুলিও ক্রমে নিঃশেষ হয়ে যায়। ঐ অবস্থায় তার মৃত্যু হ’লে সে নিঃস্ব অবস্থায় আল্লাহর কাছে চলে যায়। অতএব একজন মুসলিমের কর্তব্য হ’ল সর্বদা সাদা মনের অধিকারী থাকা। তার অন্তরে যেন কারু প্রতি হিংসার কালিমা না থাকে। যদি কোন কারণ বশতঃ সেটা কখনো এসেই যায়, তবে বুদ্বুদের মত যেন তা উবে যায়। কচুর পাতার পানির মত যেন তা ঝরে যায়। হৃদয় যেন সকলের প্রতি উদার থাকে এবং শত্রু-মিত্র সকলের প্রতি হেদায়াতের আকাংখী থাকে। এমন অবস্থায় নিদ্রা যাবে, যেন তার হৃদয়ের কোণে কারু প্রতি হিংসার কালো মেঘ জমে না থাকে। কেননা এই নিদ্রা তার চিরনিদ্রা হ’তে পারে। ভালোবাসা ও বিদ্বেষের মানদন্ড হবে কেবল ঈমান। আল্লাহর জন্য ভালোবাসা ও আল্লাহর জন্য বিদ্বেষ এটিই হল মানদন্ড। কোন মুমিন কোন কাফিরকে কখনোই উদারভাবে ভালবাসতে পারে না। কেননা কাফিরের মধ্যে কোন কল্যাণ নেই। তাকে ভালোবাসার মধ্যে আখেরাতে কিছুই পাবার নেই। এক্ষেত্রে কাফিরকে তার কুফর থেকে ঈমানের দিকে ফিরানোর সাধ্যমত চেষ্টা করাই হবে তার প্রতি ভালবাসার সঠিক নমুনা। এটা না করলে মুমিন গোনাহগার হবে ও আল্লাহর নিকট কৈফিয়তের সম্মুখীন হবে। কেননা মুমিন ও কাফির উভয়ে একই পিতা আদমের সন্তান। আদম (আঃ) মুসলিম ছিলেন। তাই উভয়ে বংশসূত্রে মুসলিম। কিন্তু না বুঝে অথবা বাপ-দাদার দোহাই দিয়ে যদি কেউ কাফির-মুশরিক হয়ে থাকে, তবে তাকে বুঝিয়ে আল্লাহর পথে ফিরিয়ে আনা মুমিনের অবশ্য কর্তব্য। যেসব মুসলিমের পিতা-মাতা কাফির বা মুশরিক অবস্থায় মারা গেছেন, তারা সর্বদা জাহান্নামের আগুনে জ্বলছেন, এ দৃশ্য চিন্তা করে কোন মুসলিম সন্তান স্থির থাকতে পারেন কি? 35 more words

ঈমান ও আকীদাহ

First Grade Math Warm-Ups: Week of January 20-23, 2015

Another short week of warm-ups because of MLK, Jr. Day on Monday, but the ones we had this week are goodies!  Read on and happy calculating!  559 more words

Classroom

Composing and decomposing numbers

Kindergarten Smorgasboard inspired me to work more on decomposing and composing numbers this week. It was only a two day week, so starting something brand new wasn’t gonna happen. 75 more words

Math Ideas