Tags » Fatwa

শিক্ষাব্যবস্থা প্রসঙ্গে

প্রশ্ন: বর্তমানে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়,
স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও অন্যান্য
প্রতিষ্ঠানের ছড়াছড়ি লক্ষ্য করছি; আর
এত সব প্রতিষ্ঠানের ছড়াছড়ি সত্ত্বেও
এগুলো ঐসব বিজ্ঞ আলেমদের মত আলেম
তৈরি করতে সমর্থ হয় নি যেসব আলেম
পূর্ববর্তী সময়ে মসজিদসমূহে অবস্থিত
শিক্ষার আসর থেকে তৈরি হয়েছেন;
চাই এই সামর্থ্য জ্ঞানগত দিক
থেকে হউক, অথবা ফিকহ শাস্ত্রের
ব্যাপারে হউক …; অথবা সেই সামর্থ্য
কথোপকথন ও বিতর্কের ক্ষেত্রে হউক …
সুতরাং এ ক্ষেত্রে কারণগুলো কি কি?

উত্তর: কোনো সন্দেহ নেই যে,
পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে বর্তমান সময়ের
ইলম বা জ্ঞানের মান কম।
তবে আমরা ঢালাওভাবে সকল মানুষের
ব্যাপারে বলি না যে, তাদের
জ্ঞানগত মান (standard) দুর্বল; কারণ,
আল্লাহর শুকরিয়া (আলহামদুলিল্লাহ)
এখনও অনেক মানুষ পাওয়া যাচ্ছে,
যাঁরা তাঁদের জ্ঞানে ও কর্মে শ্রেষ্ঠ;
তবে বর্তমান সময়ে শিক্ষার দুর্বলতার
বিষয়ে আমার অভিমত হল, এটা শিক্ষার
দুর্বলতা নয়, কেননা বর্তমান
শিক্ষাব্যবস্থা অধিকাংশ
ক্ষেত্রে পূর্বেকার সময়ের
শিক্ষাপদ্ধতির মতই; সুতরাং বর্তমান
সিলেবাসটি (কারিকুলাম) অবিকল
আগের সিলেবাসটিই; কিন্তু আমার
দৃষ্টিতে শুধু পাঠ করাই সব কিছু নয় …;
কারণ, পাঠ করা হচ্ছে জ্ঞানের
চাবিকাঠি ও দরজা মাত্র …, আর
পূর্বের আলেমগণ তাদের
পুরো জীবনটাই অতিবাহিত
হয়েছে পঠন—পাঠন ও অধ্যয়নের মধ্য
দিয়ে,
তারা শ্রেণীকক্ষে বা শিক্ষার
আসরে যে শিক্ষা গ্রহণ করতেন, তার
মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকতেন না,
বরং তারা অধ্যয়ন ও আলোচনা-
পর্যালোচনা সার্বক্ষণিক অব্যাহত
রাখতেন।
আর স্বতঃসিদ্ধ কথা হল, আলোচনা ও
অধ্যয়নের মাধ্যমেই জ্ঞান বৃদ্ধি পায়;
অপরদিকে বর্তমানে যে বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিক
রূপ লাভ করেছে, তা হল অধিকাংশ
শিক্ষার্থী উঁচু রেঙ্ক ও উন্নত মানের
ফলাফল অর্জন করে, কিন্তু অধিকাংশ
ক্ষেত্রে কিতাব ও জ্ঞানের
সাথে তাদের নেই কোনো সম্পর্ক।
বস্তুত: এ পদ্ধতিতে জানা-বিষয়াদির
মৃত্যু ঘটে; কারণ,
বিদ্যা হচ্ছে চারাগাছের মত, যখন
তুমি তার পরিচর্যা করবে, তখন তা বড়
হবে এবং ফল দেবে; আর যদি তুমি তার
যত্ন না নাও, তবে তার পরিণতি হল মৃত্যু
এবং ধ্বংস …; আর আমলের দিক
বিচারে অধিকাংশ
ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী আলেমগণ ছিলেন
সৎকর্মশীল আলেম এবং আল্লাহ
তা‘আলার প্রতি একনিষ্ঠ,
যারা আল্লাহকে ভয় করতেন। আর এই
গুণটি আমাদের এই যুগের
শিক্ষার্থীদের মাঝে খুব কমই
পরিলক্ষিত হয়। সব মানুষের
ব্যাপারে খারাপ ধারণা না পোষণ
করেও বলা যায় যে, খুব অল্প সংখ্যক
শিক্ষার্থীই রয়েছে যারা তাদের
জ্ঞান অনুযায়ী আমল করে। অথচ একমাত্র
আমলই ইলম (জ্ঞান) কে পরিশুদ্ধ ও
পরিবর্ধণ করে; আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻳَﺨۡﺸَﻰ ﭐﻟﻠَّﻪَ ﻣِﻦۡ ﻋِﺒَﺎﺩِﻩِ ﭐﻟۡﻌُﻠَﻤَٰٓﺆُﺍْۗ ﴾ ‏[ ﻓﺎﻃﺮ: ٢٨ ]
“আল্লাহর বান্দাদের
মধ্যে যারা জ্ঞানী, তারাই কেবল
তাঁকে ভয় করে ।” – (সূরা ফাতির: ২৮);
সুতরাং আলেমগণ হলেন আল্লাহভীরু
ব্যক্তিবর্গ। সালাফে সালেহীনদের
কেউ কেউ বলেন, ইলম দুই প্রকার: এক
প্রকার হল ভাষাগত বা মৌখিক ইলম, আর
এটা আল্লাহর বান্দাদের উপর তাঁর
দলিল-প্রমাণাদি; আর অপর প্রকার হল
আন্তরিক ইলম, আর এটাই হল বিশুদ্ধ জ্ঞান,
যে জ্ঞান আল্লাহ তা‘আলার
প্রতি ভয়কে বৃদ্ধি করে; আর তারা এই
আয়াতটির দ্বারা দলিল পেশ করেছেন:
﴿ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻳَﺨۡﺸَﻰ ﭐﻟﻠَّﻪَ ﻣِﻦۡ ﻋِﺒَﺎﺩِﻩِ ﭐﻟۡﻌُﻠَﻤَٰٓﺆُﺍْۗ ﴾ ‏[ ﻓﺎﻃﺮ: ٢٨ ]
“আল্লাহর বান্দাদের
মধ্যে যারা জ্ঞানী, তারাই কেবল
তাঁকে ভয় করে।” – (সূরা ফাতির: ২৮)।

শাইখ আল-ফাওযান
ফতোয়া ( ﻓﺘﺎﻭﻯ): ২ / ১৩৫ (ঈষৎ পরিবর্তিত)

Fatwa

স্মরণ শক্তির দুর্বলতার কারণে কুরআন মুখস্থ করতে সমর্থ না হওয়া

প্রশ্ন: এমন ব্যক্তির বিধান কী হবে,
যে বেশি বেশি কুরআন পাঠ করে,
কিন্তু তার স্মরণ শক্তির দুর্বলতার
কারণে তা মুখস্থ করতে সমর্থ হয় না? আর

Fatwa

শিক্ষার উদ্দেশ্য প্রাণীর ছবি অঙ্কন প্রসঙ্গে

প্রশ্ন: শিক্ষার উদ্দেশ্যে কোনো কোনো ছাত্রের জন্য কিছু কিছু প্রাণীর ছবি অঙ্কন করার প্রয়োজন হয়, সুতরাং এর বিধান কী হবে?

উত্তর: এসব প্রাণীর ছবি অঙ্কন

Fatwa

ফুটবল টুর্নামেন্ট বা প্রতিযোগিতা দেখার বৈধতা

প্রশ্ন : ফুটবল টুর্নামেন্ট
বা প্রতিযোগিতা দেখা কী? এ
খেলা দেখলে কি গুনাহ হবে?

উত্তর : এ খেলা যিনি দেখবেন,
তিনি গুনাহগার হবেন তিন দিক
থেকে :
প্রথমত.মূল্যবান সময় নষ্ট করার কারণে,
যা একজন মানুষের আওতাধীন
সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস। আর মানুষ
তার জীবনকাল
সম্পর্কে সাধারণভাবে এবং যৌবনকাল
সম্পর্কে বিশেষভাবে জিজ্ঞাসিত
হবে। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস
রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
ﻻَ ﺗَﺰُﻭﻝُ ﻗَﺪَﻡُ ﺍﺑْﻦِ ﺁﺩَﻡَ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ﻣِﻦْ ﻋِﻨْﺪِ ﺭَﺑِّﻪِ ﺣَﺘَّﻰ
ﻳُﺴْﺄَﻝَ ﻋَﻦْ ﺧَﻤْﺲٍ ، ﻋَﻦْ ﻋُﻤُﺮِﻩِ ﻓِﻴﻢَ ﺃَﻓْﻨَﺎﻩُ ، ﻭَﻋَﻦْ ﺷَﺒَﺎﺑِﻪِ
ﻓِﻴﻢَ ﺃَﺑْﻼَﻩُ ، ﻭَﻣَﺎﻟِﻪِ ﻣِﻦْ ﺃَﻳْﻦَ ﺍﻛْﺘَﺴَﺒَﻪُ ﻭَﻓِﻴﻢَ ﺃَﻧْﻔَﻘَﻪُ ، ﻭَﻣَﺎﺫَﺍ
ﻋَﻤِﻞَ ﻓِﻴﻤَﺎ ﻋَﻠِﻢَ .
‘কিয়ামতের দিন যতক্ষণ পর্যন্ত কোন
বান্দাকে পাঁচটি প্রশ্ন
না করা হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর
সামনে থেকে তার দুটি পা এক কদম
অগ্রসর হবে না; তাকে তার বয়স
সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে;
সে কিসে তা ক্ষয় করেছে? তার
যৌবনকাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস
করা হবে; সে তার
যৌবনকালকে কিসের মধ্যে নষ্ট
করেছে? তার ধন-সম্পদ
সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে;
সে তা কিভাবে উপার্জন করেছে?
এবং কোন্ পথে তা ব্যয় করেছে? তার
ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে;
সে যে ইলম অর্জন করেছিল
সে মোতাবেক সে আমল করেছিল
কি না? [তিরমিযী : ২৪১৬]
দ্বিতীয়ত. সতর তথা শরীরের আবরণীয়
অংশ প্রকাশের কারণে। আর
এটা তো চাক্ষুস সত্য যে ফুটবল খেলায়
সতর খোলা থাকে।
এদিকে আমরা জানি যে কোনো প্রয়োজন
ছাড়া সতর
খোলা কিংবা দেখা জায়েয নেই।
তৃতীয়ত. এতে করে সালাতে বিলম্ব
কিংবা সালাত সম্পূর্ণ তরকই হয়ে যায়।
এটাও চাক্ষুস ব্যাপার যা অস্বীকারের
উপায় নেই। বরং বড় বড় টুর্নামেন্টগুলোয়
সবাই জোহরের পর
স্টেডিয়ামে আসতে শুরু করে আর
মাগরিব পর্যন্ত খেলা দেখে।
ফলে আছর নামাজটি অবলীলায়
ছুটে যায়। অথচ আছরই সেই সালাত
আল্লাহ তা‘আলা যার প্রতি বিশেষ
যত্ন নিতে আদেশ দিয়েছেন। যেমন
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা‘লা ইরশাদ
করেছেন,
﴿ ﺣَٰﻔِﻈُﻮﺍْ ﻋَﻠَﻰ ﭐﻟﺼَّﻠَﻮَٰﺕِ ﻭﭐﻟﺼَّﻠَﻮٰﺓِﭐﻝۡﻭُﺳۡﻄَﻰٰ ﻭَﻗُﻮﻣُﻮﺍْﻟِﻞَّﻩِ
ﻗَٰﻨِﺘِﻴﻦَ٢٣٨﴾ ‏[ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ : ٢٣٨ ]
‘তোমরা সালাতসমূহ ও
মধ্যবর্তী সালাতের হিফাযত কর
এবং আল্লাহর জন্য দাঁড়াও বিনীত
হয়ে।’ {সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ২৩৮}
তেমনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীতেও
নানাভাবে এ সালাত বিনষ্ট করার
ব্যাপারে কঠোরহুঁশিয়ারি উচ্চারিত
হয়েছে। যেমন : ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু
‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেন,
« ﺍﻟَّﺬِﻯ ﺗَﻔُﻮﺗُﻪُ ﺻَﻼَﺓُ ﺍﻟْﻌَﺼْﺮِ ﻛَﺄَﻧَّﻤَﺎ ﻭُﺗِﺮَ ﺃَﻫْﻠَﻪُ ﻭَﻣَﺎﻟَﻪُ » .
‘যার আসর সালাত ছুটে যায়, সে এমন
যেন তার (তাবৎ) পরিবার ও সম্পদ
হারিয়ে ফেলেছে।’ [বুখারী : ৫৫২;
মুসলিম : ৯৯১]
আরেক হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেন,
‘যে ব্যক্তি আসরের সালাত তরক
করলো সে তার (সব) আমলই
হারিয়ে ফেলল।’ [বুখারী : ৫৫৩]
ফুটবল খেলার জন্য সালাত বিলম্ব
করা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শায়খ
উছাইমীন রহিমাহুল্লাহ বলেন,
‘টুর্নামেন্ট দেখার জন্য আপনাদের
সালাতে দেরি প্রসঙ্গে বলব, দেখুন
আমি আপনাদের পরমপ্রিয় ভাই
হিসেবে উপদেশ দিচ্ছি,
আপনারা টুর্নামেন্ট দেখে নিজেদের
মহামূল্য সময় নষ্ট করবেন না। কারণ,
এতে আমি আপনাদের
দুনিয়া বা আখিরাতের
কোনো কল্যাণের দিক দেখি না।
সন্দেহ নেই এ কেবল সময়ের অপচয়।
তাছাড়া আমার জানা মতে অনেক
খেলায়ই সতর খোলা থাকে।
ট্রাইজারগুলো থাকে উরুর অর্ধেক
পর্যন্ত বা এর কাছাকাছি।
খেলোয়াড়রা সবাই থাকে তরুণ-যুবক।
আর সন্দেহ নেই যুবকদের উরু উন্মুক্ত
থাকলে তা ফিতনার কারণ
হতে পারে। তেমনি এসব
খেলোয়াড়কে দর্শকরা এমন ভক্তি-
সম্মান করেন, খেলার বাইরের
দিকগুলো বিবেচনা করলে তারা এর
উপযুক্ত হতে পারেন না।

শাইখ আবদুর রহমান ইবন আবদুল্লাহ আল সুহাইম
অনুবাদ :আলী হাসান তৈয়ব

Fatwa

যে মৃত ব্যক্তি কুরআনের আয়াত দ্বারা তাবীয লিখত তার জন্য দো‘আ ও ক্ষমা প্রার্থনা প্রসঙ্গে

প্রশ্ন: আমার এক শিক্ষক ছিলেন,
যিনি আমাকে আল-কুরআন
শিক্ষা দিয়েছেন এবং আমার মায়ের
পিতার নানা,
তারা উভয়ে মারা গেছেন;
তারা তাবিযের জন্য আল-কুরআনের
আয়াত লিখতেন, অতঃপর 6 more words

Fatwa

হাস্য-রসিকতার ছলে হাততালি দেওয়া বৈধ কি ?

প্রশ্ন: কোনো ব্যক্তির জন্য তার
বাচ্চার সাথে হাস্য-রসিকতার
ছলে হাততালি দেওয়া,
অথবা শ্রেণীকক্ষে ছাত্রদের নিকট
থেকে অপর এক ছাত্রকে উৎসাহ প্রদান
করার জন্য হাততালি তলব করা বৈধ
হবে কি?

উত্তর: এই ধরনের হাততালি উচিত নয়
এবং তার সর্বনিম্ন অবস্থা হল তা খুবই
অপছন্দনীয়; কারণ, তা হল
জাহেলিয়াতের সময়কালের
বৈশিষ্ট্যসমূহের অন্যতম বৈশিষ্ট্য; আর
তাছাড়া হাততালি সালাতের
মধ্যে ভুল হওয়ার সময় নারীগণ কর্তৃক সতর্ক
সঙ্কেতও বটে। আর তাওফীক দানের
মালিক আল্লাহ;
ﻭ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻰ ﻧﺒﻴﻨﺎ ﻣﺤﻤﺪ ﻭ ﺁﻟﻪ ﻭ ﺻﺤﺒﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ .
(আল্লাহ রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন
আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর
এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল
সাহাবীর উপর)।
স্থায়ী ফতোয়া বোর্ড
ফতোয়া ইসলামীয়া ( ﻓﺘﺎﻭﻯ ﺇﺳﻼﻣﻴﺔ ): ৪ /
৩৩২

Fatwa

মহিলাদের কণ্ঠে ইসলামী গান শোনা সম্পর্কে

প্রশ্ন : মহিলাদের
কণ্ঠে ইসলামী গান
শোনা শরী‘আতসম্মত হবে কি?

উত্তর : অপ্রাপ্ত
বয়স্কা মেয়ে শিশুদের কণ্ঠে উত্তম
কথা সম্বলিত ইসলামী গান
শোনা যাবে (বুখারী হা/৯৮৭, ৩৫২৯;
মিশকাত হা/১৪৩২) ।
তবে প্রাপ্তবয়স্কা মহিলাদের
কণ্ঠে ইসলামী গান শোনা বৈধ নয়।
মহিলাদের সুন্দর কণ্ঠস্বর
পরপুরুষকে শুনাতে নিষেধ
করা হয়েছে (আহযাব ৩৩/৩২) ।
এতে ঐসব
মহিলারা পরপুরুষকে নিজেদের
দিকে আকৃষ্টকারীণী হিসাবে গণ্য
হবে। রাসূল (ছাঃ)
অন্যকে আকৃষ্টকারী নারীর কঠোর
শাস্তির
ব্যাপারে সতর্কবাণী উচ্চারণ
করেছেন (মুসলিম হা/২১২৮; মিশকাত
হা/৩৫২৪ ‘ক্বিছাছ’ অধ্যায়, ২
অনুচ্ছেদ) ।

Fatwa