Tags » Autobiography

My Seventh Year - 1961-1962 Summer Camp and Blue Ribbons

The summer between kindergarten and first grade, I went to Adventure Hill Day camp. My kindergarten teacher, Miss Hankins, had grown up on a farm on the south side of Richmond, halfway between Richmond and Amelia. 662 more words

Blogging

পাহাড়ের রোজনামচা–ষষ্ঠ পর্ব (www.amaderchhuti.com পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত)

(১৯৭৯ সালে লেখা এই লেখাটি প্রকাশ করার জন্য আমাদের ছুটি পত্রিকাকে ধন্যবাদ।)
কাউন্টারে এসে গঙ্গোত্রী যাবার বাসের খোঁজ করলাম। পথে শুনেছিলাম গঙ্গোত্রী যাওয়া যাচ্ছে না। এক বৃদ্ধা জানিয়েছিলেন, বন্ডে সই করে, তবে ওখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে। তাঁকে গঙ্গোত্রী যেতে দেওয়া হয় নি। মিলিটারিরা ওখানে যেতে বারণ করেছিল। সব শুনে আমরা ঠিক করেছিলাম, সেরকম অসুবিধা বুঝলে, প্রথমে যমুনোত্রী চলে যাব। তারপর সম্ভব হলে, গঙ্গো্ত্রী, গোমুখ যাওয়ার চেষ্টা করা যাবে। কাউন্টারের ভদ্রলোক জানালেন, গঙ্গোত্রী যাবার যাত্রাবাস পাওয়া যাবে না। ভদ্রলোক একটা বাসের নম্বর দিয়ে বললেন, “এখনই এই বাসটা ছেড়ে দেবে। চটপট্ এই বাসে করে টেহেরি চলে যান। ওখান থেকে বাস পাবেন”। কোথা দিয়ে কিভাবে যেতে হবে, সত্যিই এভাবে যাওয়া যাবে কী না, আমাদের কোন ধারণাই নেই। খোঁজ নেওয়ার সময়ও নেই। একজনের মুখের কথার ওপর ভরসা করে, দৌড়ে গিয়ে, নির্দিষ্ট নাম্বারের বাসের ছাদে উঠে, মালপত্র গুছিয়ে রাখলাম। বাসে ড্রাইভার ইঞ্জিন চালু করে বসেই ছিল। ছাদ থেকে নেমে দেখলাম, মাধব একটা বসার জায়গা ম্যানেজ করে নিয়েছে। দিলীপও ওর পাশে একটা জায়গা পেয়ে গেল। বাসে খুব ভিড়, ফলে সবার পরে আমি বাসে ওঠায়, আমার বসার জায়গা মিললো না। বাসের অধিকাংশ যাত্রীই, স্থানীয় আদিবাসী বলে মনে হ’ল। এদের দু’একজনকে অনুরোধ করলাম, একটু সরে বসে আমায় একটু বসার জায়গা করে দিতে। কিন্তু কেউ কোন আগ্রহ প্রকাশ করলো না। সারাদিন খালিপেটে বাস জার্নির পর, দাঁড়িয়ে যেতে বেশ কষ্ট হচ্ছে। খুব গরম লাগছে। বুক, পিঠ, মু্‌খ, ঘামে ভিজে গেছে। হাফহাতা সোয়েটারটা খুলে ফেললাম। গায়ের এক ইঞ্চি পুরু ময়লার ওপর ঘাম গড়িয়ে লেগে হাত, মুখ, গলা, কালো হয়ে গেছে। নিজেকে এই মুহুর্তে নিজেরই ঘেন্না করছে। ভিড় ক্রমশঃ বাড়ছে। বাসের সামনের দিকে মাধব আর দিলীপের পাশেই আমি দাঁড়িয়ে আছি। এদিকে কোন সিট খালি হচ্ছে না। খালি হয়ে সঙ্গে সঙ্গে জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে, পিছনের দিকের সিটগুলো। কিন্তু ভিড় ঠেলে পেছনে যাবারও কোন উপায় নেই। এইভাবে পঁচিশ কিলোমিটার পথ যাওয়ার পর, পিছনের দিকে এগিয়ে গিয়ে একবারে পিছনের সিটে, একটা বসার জায়গা পেয়ে গেলাম। এই ভিড়ে এখানে একসাথে প্রায় সবাই বিড়ি খাচ্ছে। গরমে, ধোঁয়ায়, নিশ্বাস নিতে পর্যন্ত কষ্ট হচ্ছে। তবু মনে একটাই আশা, গঙ্গোত্রীও তাহলে যাওয়া হচ্ছে। বন্ডে সই করে যেতে হবে শুনে রাস্তার বিপদ ও বন্ধুরতার কথা ভেবে, দিলীপ একটু মুষড়ে পরেছিল, এখন ও কী চিন্তা করছে জানতে ইচ্ছা করছে। তিনটে টিকিট আঠারো টাকা পঁচাত্তর পয়সা দিয়ে কাটা হ’ল। জলের মতো পয়সা খরচ হচ্ছে। তবু কপাল ভাল গোবিন্দঘাট, যোশীমঠ, ঘাংরিয়া, বা নন্দনকানন ও হেমকুন্ডের পথে পাঞ্জাবীদের দয়ায়, থাকা খাওয়ার কোন খরচ লাগে নি। অন্যান্য জায়গাতেও দু’তিন টাকার মধ্যে তিনজনের এক বেলার খাওয়া হয়ে গেছে। প্রচন্ড খিদেয় পেট জ্বালা করছে। এর নামই বোধহয় তীর্থ। এই কষ্ট স্বীকার করলেই বোধহয়, ষোল আনা পূণ্য অর্জন করা যায়। সুন্দর রাস্তার ওপর দিয়ে এখন বাস ছুটছে। যতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম ধুলোয় ভরা মেঠো রাস্তা দেখছিলাম। এবার দেখছি প্রকৃতির সাজানো বাগানকে ভেদ করে, কী সুন্দর রাস্তাই না তৈরী করা হয়েছে। রাস্তা আরও চওড়া করার কাজও চলছে। বেশ দুপুর নাগাদ বাস এসে, “টেহেরি” পৌঁছলো।

Autobiography

পাহাড়ের রোজনামচা--পঞ্চম পর্ব (www.amaderchhuti.com পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত)

১৯৭৯ সালে লেখা এই লেখাটি প্রকাশ করার জন্য আমাদের ছুটি পত্রিকাকে ধন্যবাদ।)
এ বাড়ির মালিকই বোধহয় পোষ্ট অফিসের পোষ্টমাষ্টার বা কোন কর্মচরী। তিনি আবার পান্ডার কাজও করেন। কথায় কথায় তিনি জানালেন, দশ টাকা দিলে তিনি নিজে বা অন্য কোন পান্ডাকে আমাদের সাথে ত্রিযুগীনা্রায়ণ পাঠিয়ে আমাদের পূজো দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেবেন। মাধব কী করা উচিৎ জিজ্ঞাসা করলে বললাম, পান্ডার কোন প্রয়োজন নেই। নিজেরাই ওখানে যাব এবং ওখানে যদি তারা পূজো দিতে চায়, তখন ওখান থেকেই কোন পান্ডা ঠিক করে নেওয়া যাবে। তাই ঠিক হ’ল। মোটাবাবু জানালো তারা ত্রিযুগীনারায়ণ যাবে না, কাল সকালে এখান থেকে সোজা কেদারনাথ চলে যাবে। আমরা ঠিক করলাম কাল খুব ভোরে ত্রিযুগীনারায়ণ চলে যাব। ওখান থেকে ফিরে ট্যাক্সিতে গৌরীকুন্ড, এবং সম্ভব হলে হেঁটে কেদারনাথ। শুনলাম এখান থেকে ত্রিযুগীনারায়ণ মাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার পথ। এই ব্যবস্থা পাকা করে, আমরা রাতের খাবার খেতে রাস্তায় এলাম। একটা ঘর মোটাবাবু ও তার বৃদ্ধ সঙ্গী নিয়েছে। আর দু’টো ঘরের একটা আমরা নিয়েছি। তৃতীয় ঘরটা ও আমাদের ঘরটার মাঝখানে, সাত-আট ফুট উচু কাঠের পার্টিশন। যে কেউ ইচ্ছা করলেই, অপর ঘর থেকে আমাদের ঘরে সহজেই চলে আসতে পারে। তাই টাকার ব্যাগ হাতে নিয়ে বাইরে এসেছি। কোন হোটেল দেখলাম না। দু’দুটো দোকানে বললো, অর্ডার দিলে রুটি তরকারী বানিয়ে দেবে। বাধ্য হয়ে তাই অর্ডার দিয়ে বসে রইলাম। অনেকটা আটামাখা হাতে নিয়ে, হাতে দু’চার বার চাপড় মেরে এক ইঞ্চি মোটা রুটির আকারে পরিণত করে, কাঠের আগুনে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হ’ল। রুটির যে অংশটা আগুনের দিকে রয়েছে, সেদিকটা পুড়ে কালো হয়ে গেল, কিন্তু অপর দিকটা যেমনকার কাঁচা, প্রায় সেরকমই রয়ে গেল। আমরা সঙ্গে করে মাখন নিয়ে এসেছি। ছোট ছোট আলুর তরকারীতে একটু করে মাখন ফেলে, তাই দিয়ে দু’টো করে রুটি খেয়ে, দাম মিটিয়ে নিজেদের ঘরে এসে শুয়ে পড়লাম। কাল ভোরে আবার উঠতে হবে। 10 more words

Autobiography

Free money

After a late Friday night we stopped into a 7-11 just before 2 am where an attractive and personable lady wearing pink pajamas with feet on them and a hood with mouse ears bought a 40 oz Old English. 198 more words

Autobiography

A Shamanic Doll

I saw her many years ago back in 2005. Let me narrate the circumstance in which I happen to see her. I was teaching in an International School in Jakarta. 285 more words

Autobiography

Amorous Epistle

Thank you darling dearest Precious Honey for those lovely photos….Indeed your lips are a marble of music……Oh, I would love to penetrate your lips with mine, and petal them with infinite kisses…..Oh, how I would love to suckle them and nibble them, taste their music, swallow your saliva, lick, you suckle you and leave with the sweet music of infatuation….. 215 more words

Autobiography

(Vol. 32) Growing Up Normal (ch. 8) “The Beatles, Cooties & Bob”

.  *  .

LAST TIME:

Young Kevin is forced to endure THE CURSE OF MRS. MEYERS and by way of compensation, delights in his FIRST GIRL SCOUT ADVENTURE, as he continues, relentlessly GROWING UP NORMAL. 606 more words

Autobiography