Tags » Bangali

Bangladeshi Festival at 6 Ballygunge Place: Paatpere Padma Parey

6 Ballygunge Place will be celebrating the bond of food and love between Epar Bangla and Opaar Bangla, in its Bangladeshi Food Festival, from 8th April to 23rd April (except on 14th April), and I was invited to the unveiling event of the same on March 31st, as a part of the Kolkata Food Bloggers. 308 more words

Kolkata

অন্তির বিয়ে

অসহ্য গরম। চারদিকে মানুষ গিজগিজ করছে। বাড়িটাকে কেমন যেন রেল স্টেশনের মত লাগছে। সবার মধ্যে একটা চাঞ্চল্য। যেন খুব তাড়া। এখনি ট্রেন ছেড়ে দেবে, এটাই শেষ ট্রেন, ধরতে না পারলে আর বাড়ি যাওয়া হবে না। একটা ঘোর লাগা পরিবেশ।

অনেকে আবার দেখি গরম কাপড়ও পড়েছে। এরা কি পাগল টাগল হয়ে গেছে নাকি। এদিকে আমি ঘামছি আর ঘামছি। আচ্ছা এটা কি শীতকাল!! না না তাহলে আমি এত ঘামছি কেন?

বাড়িটাকে এমন সাজিয়েছে কেন? ছবির মত লাগছে। কি সুন্দর বাতি গুলো জ্বলছে নিভছে। অদ্ভুত ছন্দময়তা!! চারদিকের সব মানুষগুলোও সেজেগুজে রং মেখে ঢং সেজেছে।

ও আচ্ছা বলাই তো হয়নি, সবাই মিলে আমাকে একটা স্টেজ এ বসিয়ে দিয়ে গেল মাত্র। আমাদের বড় দহলিজের একপাশে আমার পছন্দের নীল অর্কিড আর লাল টকটকে গোলাপ দিয়ে খুব সুন্দর একটা স্টেজ সাজিয়েছে, ঠিক যেমনটা আমি চেয়েছিলাম। আচ্ছা, আমি তো কখনো আম্মু আব্বুকে বলিনি আমার এমনটা পছন্দ, ওরা কিভাবে বুঝে গেল! মা বাবাদের মনে হয় অনেক কিছু বুঝে নিতে হয়।।

আমি কে তাইতো বলা হল না!! আমি অন্তী। আমি মা বাবার বড় মেয়ে। আসলে শুধু মা বাবার বড় মেয়ে বললে ভুল হবে, আমি এই বাড়ির বড় মেয়ে এবং একমাত্র মেয়ে। ছোট থেকে এতো আদরের ফাঁকে কখন যে এত বড় হয়ে গেলাম বুঝতেই পারিনি। আমাকে কেউ বুঝতেই দেয়নি। সবার এত এত ভালবাসার মাঝে আমাকেই আমি হারিয়ে ফেলেছিলাম। সারাক্ষণ আহ্লাদে আবদারে কেটে যেত সময়গুলো। বন্ধুমহল থেকে শুরু করে সব জায়গায় শুনতে হত, অন্তী মেয়েটা এত Immature আর আহ্লাদি!!!!

কে একজন এসে বলে গেল আজ নাকি আমার বিয়ে। এজন্যই চারদিকে এত আলোর ছটা। সকাল সকাল পার্লারে নিয়ে অনেক সাজালো। সবুজ পাড়ের লাল বেনারসী আর আমার পছন্দের সব গয়না দিয়ে। তারপর স্টেজটাতে বসিয়ে দিয়ে গেল। কি আজব! আমিও পুতুলের মত বসে আছি!! সদা ছটফটে আমি আজ চুপসে গেছি। আমাকে নাকি বিয়ের সাজে অপ্সরী লাগছে। আচ্ছা আমি কি এত সুন্দরী?! সবাই আমার সাথে ছবি তুলতে ব্যস্ত। আমিও গোমরামুখে ছবি তুলছি। ছিঃ ছবিগুলো বিশ্রী হবে,গোমরামুখের ছবি কি ভাল হয়!! কিন্তু আমি তো হাসতে পারছি না….

বড় রাস্তাটার পাশে দেখলাম খুব সুন্দর একটা গেট সাজিয়েছে। সবাই হঠাত্‍ গেট এর দিকে ছুটছে,’বর এসেছে বর এসেছে ‘। আমার পাশের মানুষগুলোর এবার বর দেখার পালা। আমারও খুব ইচ্ছে হচ্ছে বর দেখার। সোনালি শেরওয়ানী মাথায় টোপরে কেমন লাগছে আমার বরটাকে?? মিটিমিটি হাসছে নাকি আমার মতই গোমরা মুখে বসে আছে??

আরে ওইতো বর চলে এসেছে। ঐতো অন্তীর বর অয়ন। অয়ন,হ্যাঁ অয়ন; যখন থেকে বুঝতে শিখেছি ওই একটি নামেরই আরাধনা করেছি। পাতার পর পাতা চিঠি লিখে জমিয়েছি। কত পূর্ণিমায় কল্পনায় ওর হাত ধরে ভিজেছি। বৃষ্টিতে আনমনে ভিজেছি….

আমাদের বাসা থেকে তিন রাস্তা পরই অয়নদের বাসা। অগোছালো এলোমেলো একটা ছেলে। বয়সে কিছুটা বড় হলেও সামনের মাঠের খেলার সঙী হওয়ায় ছোট থেকেই অয়ন আমার বন্ধু। খেলার সাথীই একসময় ভালবাসার মানুষ হয়ে ওঠে।

ভালবাসার ঐ মানুষটার সাথেই আজ আমি স্বপ্নের রাজ্যে পাড়ি দেব। এই দিনতো আমার বহু কাঙ্খিত। দুই কপোত কপোতির ভালবাসায় ঝলসে যাবে চারপাশ। তবে কেন আজ আমি এত আনমনা। কেন এক অজানা ভয়ে বার বার শিউরে উঠছি?? বার বার কেন অন্তরাত্মা ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছে?? অজানা শঙ্কায় কনকনে শীতের রাতেও আমি ঘেমে একাকার!! বিয়েবাড়ির কোলাহল কোথায় যেন খুব যন্ত্রণা দিচ্ছে!! মা বাবা দাদা দাদু আর সবার মুখগুলো থেকে থেকে মনে পড়ছে।

আজ আমি আমার হাজার বছরের চেনা পরিচিত মুখগুলো ছেড়ে বহুদূর চলে যাচ্ছি। অতি চেনা এক বরের সাথে অজানার পথে পাড়ি জমাবো একটু পরই। এই বাড়ি, উঠোন আমার অচেনা হয়ে যাবে। মানুষটা বড় চেনা কিন্তু পথটাযে তেমনি অচেনা অজানা……

এভাবেই অন্তীরা অয়নদের হাত ধরে অচেনা পথের যাত্রী হয়…..

ভালবাসা

পাগলু

১.

চোখে মুখে তাচ্ছিল্যের হাসি নিয়ে টিভির দিকে তাকিয়ে আছে ত্রিনা । কলকাতার সুপারহিট হিরো দেবের একটা মুভি চলছে স্টার জলসা মুভিজে । ত্রিনা টেলিভিশন খুবই কম দেখে , তবে কিছুদিন হল বাসায় এসে ত্রিনা লক্ষ্য করেছে সেও তার বাসার মানুষজনের সাথে কিভাবে কিভাবে যেন কলকাতার বাংলা মুভির মুগ্ধ দর্শক হয়ে গিয়েছে । ত্রিনার ধারনা পুরো কৃতিত্বটাই রাহেলা বুয়ার । ত্রিনা হাসি আটকে রাহেলাকে জিজ্ঞেস করল ,” এইটা কি মুভি দেখ , রাহেলাপু ?” রাহেলা টিভি থেকে চোখ না সরিয়েই জবাব দিল ,” এইটাতো ” ফাগলু ” , কেন আপনে দেখেন নাই ?আমি এই নিয়া ছয়বার দেখলাম । জলসা ” মফিজে” প্রায়ই দেয় । ” ত্রিনার গলা ফাটানো হাসি শুনে রান্নাঘর থেকে প্রায় তেড়ে আসলেন রেবেকা সুলতানা । মেয়েটা বাসায় এসেছে প্রায় একমাস হতে চলল ,এই কয়দিনে একবারো সে এভাবে প্রান খুলে হাসেনি । রেবেকা উৎকণ্ঠা চেপে মেয়েকে বললেন ,” কি হয়েছে ত্রিনা ? এভাবে হাসছিস যে ?” ত্রিনা কোনমতে হাসি চাপতে চাপতে বলল ,” কই আম্মু ? হাসতেছি না তো , আমি জলসা ” মফিজে” দেবের ”ফাগলু” দেখতেছি । হিহিহি ।” রেবেকা একটা নিঃশ্বাস ফেলে রাহেলার দিকে মুখ শক্ত করে তাকিয়ে বললেন ,” তোর ব্যাপারটা কি রাহেলা ? রাতের রান্না না করে সিনেমা দেখতে বসছিস ? রান্নাঘরে যা ! আমি বেগুন ভেজে রাখছি , তুই মাছটা রেধে ফেল ।” রাহেলা খোপা বাঁধতে বাঁধতে উঠে গেল ,তার চোখে মুখে আফসোসের ছাপটা টিভির পর্দায় দেবের মুখে রিফ্লেক্ট হচ্ছে । ত্রিনা হাসি থামিয়ে চুপচাপ অনুভুতিহীন চোখে টিভির পর্দায় চোখ রাখল । মুভিটা বেশ উন্নতমানের অবান্তর ,এখানে নায়িকা কোয়েলের জন্যে এমন কোন মারামারি নেই যা দেব করছে না । এই অবান্তর জিনিস গুলি আবার দর্শক খুব মজা নিয়ে দেখে , আর এই একই জিনিস ত্রিনার আত্মাটাকে কুচি কুচি করে কাটে । নিঃশ্বাস ভারি হয়ে আসে তার – সিনেমার ভিতরের জগতটায় ভালবাসার এত পাগলামি , বাইরের জগতটায় একজনের জন্যে আরেকজনের মনে এইটুক ভালবাসা সারাজীবন বেঁচে থাকলে কি এমন ক্ষতি হত ? হঠাত করেই ত্রিনার চোখের সামনে দেব আর কোয়েলের মুখটা ঝাপসা হয়ে আসে ।

 রেবেকা সুলতানা সোফায় বসে টিভির সাউন্ড ভলিউম কমিয়ে নিলেন । তারপর ত্রিনাকে বললেন , ” সাব্বির ফোন করেছিল ?” ত্রিনা মাথা নাড়িয়ে বলল , ” আম্মু , ওর কি ফোন করার কথা ? চাইলেও তো পারবেনা , আমার মোবাইল নাম্বার চেঞ্জ করেছি ।” ” বাসার টি এন টি নাম্বার তো আর বদলায় নি ।” ত্রিনা মায়ের মুখের দিকে চেয়ে বলল , ” কোন নাম্বারেই ফোন আসেনি আম্মু ।”

টিভির পর্দায় আর মন থাকে না ত্রিনার । ভালবাসা তাকে হঠাত করেই সব দিয়ে আবার সব কেড়ে নিয়েছে । ভীষণ ভালবাসত সে সাব্বিরকে । অগোছালো চুলের মোটা চশমা পরা এই ছেলেটা ত্রিনার সমস্ত শিরা উপশিরাকে ভালবাসার আত্মিক বাধনে বেঁধে রেখেছিল । বিয়ের পাঁচ ছয়মাস পরে এই সাব্বিরের ধীরে ধীরে দূরে সরে যাওয়াটা ত্রিনার কাছে অনেকটা শিরা ধমনী ছিড়ে যাওয়ার মতই হয়েছে । সাব্বির কিভাবে যেন মেঘের মত রঙ পালটে ফেলেছিল । অফিস , মিটিং , ক্যারিয়ার আর সারাক্ষন বসের তোষামোদ করা , যে বস কিনা একজন সুন্দরী আধুনিকা …… আর ভাবতে পারেনা ত্রিনা । গলার কাছে কি যেন একটা আটকে থাকে তার , সেটা না নামে , না উঠে আসে , কেবলই দম বন্ধ করে দিতে চায় । তবুও কি যেন বেঁধে রাখত ত্রিনাকে , এত অবহেলার পরেও সাব্বিরকে যে ভীষণ ভালবাসত সে । কিন্তু শেষরক্ষা হল কই ? সাব্বির যেদিন নিজের মুখে বলল ,” তুমি , তোমার ভালবাসার চাইতে ক্যারিয়ার আমার কাছে অনেক বড় , বুঝেছ ?” , ত্রিনা সেদিন তাল হারিয়ে মেঝের ওপর বসে পড়েছিল । মেঝের ওপর কাঁচের মতন তার হৃদয় টা ভেঙ্গে গেছে , সাব্বিরের কানে সেই শব্দ কোন দিন পৌঁছাবার নয় । ক্যারিয়ার কি ত্রিনার ছিল না ? কই সে তো পারল না ক্যারিয়ারের সাথে সাব্বিরকে একই স্কেলে দেখতে । তাই অনেক কিছু ভেবে নীরবে সরে এসেছে সে সাব্বিরের জীবন থেকে । তবুও ভাল থাকুক সাব্বির ।

” এই ডিসিশান টা না নিলেই হত না তোর , তাইনা ?” মায়ের ডাকে চমকে ওঠে ত্রিনা । কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে বলে , ” না আম্মু , হত না ।” ” খুব বেশি বুঝিস তোরা । আর মেয়েরা তো ঘর করেনা ।” ” আম্মু আমি তো বলেছি , যেখানে ভালবাসার লেশমাত্র নেই সেখানে …” ” চুপ থাক । ভালবাসা ,না ? বাংলাদেশের কয়টা ঘরে ভালবাসা আছে বলে মেয়েরা সংসার করছে ? অবহেলা ছাড়া কিচ্ছু নেই ওদের ।” ত্রিনা উঠে দাড়াল , এই প্রশ্নের জবাব সে জানে , কিন্তু দিতে ইচ্ছে হচ্ছেনা । ত্রিনা কিভাবে বুঝাবে সবাইকে যে সাব্বিরকে সে এখনও ভালবাসে । কিন্তু ওর সাথে ঐভাবে থাকতে গেলে এই ভালবাসাটুকু টিকবে না । ত্রিনা চায়না সাব্বিরের জন্যে তার ভালবাসাটুকু মরে যাক । কিন্তু এসব আম্মু কে শুনিয়ে তো লাভ নেই , তাই নিজের ঘরের দিকে পা বাড়িয়ে বলল ,” আমি ঘুমাবো আম্মু , সকাল সাতটায় ট্রেন আমার, রাতে খেতে ডেকো না ।”

 ২.

চিটাগঙ্গের উদ্দেশ্যে একটু পরেই যাত্রা শুরু করবে ট্রেন । ত্রিনা একটা নিঃশ্বাস আটকে জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল , আগে কখনও চিটাগং যায়নি সে , সাব্বির বলেছিল নিয়ে যাবে । সব স্বপ্নই মরে গেছে । কিন্তু স্বপ্ন ভাঙ্গার দুঃখ কান্না দিয়ে কমানো যায়না , তাই এক ঠোঙ্গা বাদাম হাতে নিয়ে সে হাসি মুখে বসে রইল । চাকরির একটা ইন্টারভিউ আছে কাল ,চাকরিটা হয়ে গেলেই আর চিন্তা নেই ,একাই জীবন টা পার করে দেবে সে । ত্রিনার পাশের সিটে কেউ নেই , পুরো কম্পারটমেন্টে হাতে গোনা মানুষ । ভিড় ছাড়া যাত্রা টা ভালই হবে মনে হচ্ছে । এক বৃদ্ধাকে পানি খেতে দেখে ত্রিনার হঠাত মনে পড়ল , পানির বোতল টা বাসায় ফেলে এসেছে সে । অথচ এখনই তার পিপাসা পেয়ে গেছে , কি আর করা , ট্রেনের জানালায় মাথা বাড়িয়ে দেখতে লাগল কোন পানি বিক্রেতা পাওয়া যায় কিনা ।

একদম ভুত দেখার মত চমকানো বোধ হয় এটাকেই বলে । পেস্ট কালারের শার্ট আর ব্লু জিন্সে প্রায় দৌড়ে দৌড়ে আসা এইটা কাকে দেখছে ত্রিনা ? ভার্সিটি লাইফের সেই অগোছালো সাব্বির এতদিন পর কোত্থেকে ? ত্রিনা জলদি করে জানালা দিয়ে মাথা ঢুকিয়ে ফেলল । নিশ্চয়ই পাগল হয়ে গেছে সে । বর্তমানের ক্যারিয়ার সচেতন ধোপদুরস্ত সাব্বির কে সেই পুরনো রুপে দেখতে পাওয়াটা পাগলামির লক্ষন ই । এরকম পাগলা মাথা নিয়ে সে ব্যাংকে চাকরি করবে ? কিন্তু এসব কি ? সাব্বির তো দেখছি সত্যি সত্যি এসেছে । ত্রিনা বিস্ময়ের সাথে আবিষ্কার করল , সাব্বির ট্রেনের জানালা দিয়ে তাকে ডেকে বলছে ,” এই এই , পানি আছে তোমার কাছে ? পাউরুটি ? এই ?” ত্রিনা বিস্ফারিত চোখে মাথা নাড়িয়ে বলল , ” পানি নেই । পাউরুটি আর ডিমের স্যান্ডউইচ …” ” হোয়াট দ্যা হেল … ট্রেন তো আমারে ছাইড়াই যাবে দেখতেছি । ওয়েট , পানি কিনে আনি !! ”

 ” তোমাকে আসতে বলছে কে ?” জানালা দিয়ে বাইরে তাকাতে তাকাতে বলল ত্রিনা । ঢাকা থেকে চলা শুরু করেছে ট্রেন টা । ” তুমি ” , সাব্বিরের সোজাসাপটা জবাব । ত্রিনা গম্ভীর গলায় বলে ,” মানে ?” ” মানে তুমি স্বপ্নের মাঝে আমাকে চারবছর আগের মত বলেছ ,’ আমার সাথে যাবি না ?’ আমি বলেছি ,’ যাব না মানে ? তুই দুই মিনিট দাঁড়া আমি দশ মিনিটের মাঝে আসতেছি ‘ ” ত্রিনা কান্না আটকে বলল ,” সাব্বির , লাইফটা গেইম না ……” সাব্বির ত্রিনার হাত ধরে তাকে থামিয়ে বলল ,” ঠিক এই কথাটাই আমি এই এক মাসে রিয়েলাইজ করেছি,ত্রিনা । আমাকে মাফ করা যায়না ? আর এমন হবেনা , প্রমিস । ” ত্রিনা হা করে তাকিয়ে আছে । এটা সেই সাব্বির ? সাব্বির বলছেই ,” আমার শালাটা ভাল, আমাকে সব ইনফরমেশন ও ই দিয়েছে । তুমি যে পানি ফেলে আসছ সেটাও … ” ত্রিনা বুঝল , তার গলায় কোন আওয়াজ আসছে না । অনেক কষ্টে বলল , ” সাব্বির আমার বিশ্বাস হচ্ছেনা… ”

সাব্বির ব্যাগ থেকে পানির বোতল বের করে মুখ খুলতে লাগল । ত্রিনার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল , ” পানি খাও, বিশ্বাস হবে । তারপর আমরা পাউরুটি আর ডিমের স্যান্ডউইচ খাবো ।” ত্রিনা সাব্বিরের পেটে গুতা মেরে বলল ,” এখনই সব খাবা , না ? তাইলে দুপুরে কি খাবো ?” সাব্বির মাথা চুলকে বলল ,” ইয়ে মানে দুপুরে ভাত খাবা ? আমি না ডিম ভুনা করে আনছি , যদিও ভাল হয়নাই ……”

 ত্রিনা হাসি হাসি মুখে তাকিয়ে থাকল সাব্বিরের দিকে । অনেক দিনের পুরানো সেই সাব্বির , একদম জলসা মুভিজের সেই পাগলু ।

ভালবাসা

সাদামাটা প্রেম

গল্পের শুরুটা সাধারণ।

একসাথে পড়তাম ২জন।আলাদা ব্যাচ,প্রথম দেখা কলেজে,মিড টার্ম পরীক্ষার সময়।তার পর কথা শুরু।প্রথমে অল্প,আস্তে আস্তে বাড়ল। একদিন ফোন নাম্বারটাও পেলাম।তখন কথা হত পড়াশোনা নিয়ে,আমার অগোছালো ছাত্রজীবন আর তার সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।সে আমার সাথে মিশত শুধুই সাজেশানের জন্য।কিন্তু অন্য ছেলেদের সে যেমন ভাব দেখাত আমার সাথে ওই আচরণ পাইনি বলেই হয়ত ওর প্রতি আমার একটা মায়া ছিল।প্রেম তখনও অনেক দূর।

ভালবাসা

A small life of a transit passenger

I am actually writing this article while I am inside an airport inside the food court, with a paid wi-fi just to let my mom know I am practically safe and sound, in the Istanbul Ataturk Airport. 1,268 more words

Airlines

Not Guilty As Charged (On Racial Identity)

Yeah, I like minions. Sue me.

According to my ‘official’ documents, I am Asian British or as I like to say: Britengali (it sounds cool to me!). 805 more words

Musings & Personal