Tags » Bangla Choti

আমার জীবনের প্রথম পুরুষ

ওর সাথে আমার প্রেম এর সম্পর্ক তখন ২ বছর . বিয়ের আগে চুদাচুদির কথা আমরা কল্পনাও করি নি কখনো . কিন্তু কিভাবে যে সব হয়ে গেলো বুঝলাম না .সেই দিন ছিল বৃষ্টি মুখোর এক রাত ও চট্রগ্রাম থেকে সবে মাত্র নামলো কমলাপুরে তখন রাত ৯.৩০ বাজে ওকে রিসিভ করতে গেলাম আমি আর আমার বান্ধবি প্রিয়া .ওখান থেকে আমরা সোজা গেলাম বৃষ্টির বাসায় আগেই সব কিছু প্ল্যান করা ছিল . ওর বাবা মা বাসায় কেউ ছিল না তাই এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে পেরেছি আমিও আমার বাসায় কোন ভাবে ম্যানেজ করে রাতে বাহিরে থাকার অনুমুতি পেয়েছি. তার আগে আমাদের পরিচয়টা দিয়ে নেই আমি সামিয়া, আমার বয়স ২০ বছর ফিগার সাইজ ৩২-২৮-৩২ .. . .

মা লিনা আর ছেলে শুভর চুদাচুদি

শুভ আর শুভর মা লিনা দেবী কলকাতার ফ্লাটে ভাড়ায় থাকেন। উনি স্বামী হারা হয়েছিলেন খুবই অল্প বয়সে। ওনার শুভ ছাড়া এ জগতে কেউ ছিল না। ছোট পরিবার ছিল মা ছেলের পরিবার।কিন্তু শুভর মা ছিল লুজ ক্যারেক্টার। উনার গুদে হেভি চুলকানি ছিল। গুদ বাইরে কাউকে দিয়ে চুলকাতে পারতেননা বলে নিজের পেটের ছেলেকেই রাস্তা বানিয়েছিলেন। রাত হলেই লিনা দেবী আর অনার ছেলের মধ্যে রতি ক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। এবং সেই সকাল পর্যন্ত চলতে থাকে। সকাল আবার ভোরে উঠেই শুভর একবার ওই গুদের পুজো করা চাই। শুভ তার মা কে জান প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতো সেটা এখানে বলার অপেক্ষা রাখে না। লিনা দেবী ও অনার সমস্ত ভূমিকা ঠিক ঠাক ভাবে পালন করে যাছিলেন।. . .

Kat

মায়ের অলক্ষে দিদিকে চুদি

আমি আমার স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে কলেজ যেতে লাগলাম। কলেজে কিছু মেয়েবন্ধু হয়ে গেল। দু একটা মেয়েবন্ধুর সঙ্গে আমি এক দু বার চোদাচুদির আনন্দ নিতে লাগলাম।আমি যখনি কোন মেয়েবন্ধুকে চুদতাম তখন আমি ভাবতাম যে আমার বাড়াটা আমার দিদির রসভর্তি গুদে ঢোকানো আছে। আমি বারবার চেষ্টা করতাম যে আমার মনটা দিদির ওপর থেকে সরে যাক কিন্তু তা হচ্ছিল না। আমার মন ঘুরে ফিরে বারবার দিদির দিকে চলে যেত।আমি দিনে ২৪ ঘণ্টা দিদির বিষয়ে আর দিদিকে চুদবার ব্যাপারে ভাবতে থাকতাম। আমি যতক্ষণ বাড়িতে থাকতাম আমি দিদির দিকে তাকিয়ে থাকতাম। কিন্তু আমার মনের ব্যাপারটা দিদি কিছু জানত না। যখন দিদি নিজের জামাকাপড় ছাড়ত বা মার সঙ্গে কিচেনে

Kat

গুদ ফাটাবো নৌকা ডুবাব

ইলু দিদি , আমার এক বন্ধুর প্রেমিকার বড় বোন । বিয়ের ৪/৫ মাস পরে ডিভোর্স হয়ে যায় । কিন্তু তাকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে সে ডিভোর্সি সেক্সি ।আমার সাথে ওর খুব ভাব । প্রায় ৩ বছর ধরে ওদের বাড়িতে যাওয়া আসা । ওর স্বামী কি ভাবে আদর করত আমাকে শোনায় । এখনো নাকি সে চাঁদনী রাতে ছাদের উপর গুদ ফাঁক করে ওর স্বামীর অপেক্ষায় থাকে । ইদানিং জ্বালা মেটাতে গুদে আঙ্গুল ভোরে জল খসায় সে । আমি ওর হাতের আঙ্গুল ধরে বলি , ইস আমি যদি হাতের আঙ্গুল হতে পারতাম । সে ফিক করে হেঁসে দিয়ে বলে শখ কত । আমি ওর বেল গুলাতে হাত দিতে যায় কিন্তু সে আমার হাত সরিয়ে বলে যা বলবি মুখে শরীরের সাথে নয় । আমাকে সে ডার্লিং বলে কিন্তু আদর করতে দেয়না । . . .

বাংলা পানু গল্প – সজ্ঞানে অজ্ঞানে

জীবনের প্রথম চাকরী পেয়ে যারপর নাই উৎসাহি ছিলাম. তাই ভাবি নাই যেখানে পোষ্টিং সেখানে আধুনিক সুবিধা পাব কিনা? খাব কি-তাও ভাবি নাই. বাড়ী থেকে বিদায় নিয়ে যখন রওনা হলাম, তখন জানি না চোখের কোন ভিজে ছিল কিনা, হয়তো ভেজা ছিল, কেউ দেখার আগেই হাত দিয়ে মুছে রওনা দিলাম. কলকাতায় পৌছে আবার যখন শিলিগুড়ির বাস ধরার জন্য টিকিট কাউন্টারে গেলাম, তখন বেশি করে মনে পড়ছিল বাড়ীর কথা. বন্ধবান্ধবদের কথা. একটু সন্ধ্যা হতে গাড়ীতে উঠলাম. কাউকে চিনি না, নতুন পরিবেশে যাচ্ছি, কেমন চিনচিনে ব্যাথা বুকের মধ্যে. আমার সিটে গিয়ে বিরক্ত হলাম, প্রচন্ড মোটা একজনকে দেখে. যে কিনা অর্ধেকের বেশি সিট দখল করে ঘুমাচ্ছে. কি আর করা কোন রকমে ঠেলেঠুলে বসলাম. .. . .