Tags » Buddhism

That would be an Ecumenical Matter

Part ONE Comparing Christianity and Buddhism

The Fundamental Principles

Both the Abrahamic religions, including Catholicism and Buddhism are based on a list of rules that intend to prevent discord across humanity and encourage personal growth. 517 more words

The latest discussion of the Ogyen Trinley Dorje sex scandal

Dear readers,

Can we now say without fear of contradiction that the 16th Karmapa, Rangjung Rikpe Dorje, was the last of his kind, the last Karmapa of a free Tibet, the last Karmapa of what we today call the Karma Kagyu sect of Tibetan Buddhism, a religion once practiced by generations of Tibetans, a casualty of China’s genocidal occupation of Tibet? 756 more words

Buddhism

My Bodhi Tree

A bodhi tree is born, Buddhists believe, on the same day as that which marks the birth of the Buddha himself, who will sit under that tree in his quest for Enlightenment. 238 more words

Randomwordbyruth

Jizo

The image of Jizo, a jovial bald headed monk, is found throughout Buddhist temples all over Japan, and sometimes seen by themselves on the side of a road or forest path. 72 more words

Japanese Things

Four Nights in Bangkok

Stopover in Bangkok? Why not. Bangkok is a huge city which has grown very fast and with little urban planning, the roads are perpetually congested and the subway only operates in some parts of the city (but not where the tourist attractions are). 452 more words

Photography

Sacrifice and love

Jesus said, “Greater love has no one than this: that a man would lay down his life for his friends.”

So what does that say about people who lay down their lives for strangers? 71 more words

বৌদ্ধ বাল্মীকি অঙ্গুলিমাল

তক্ষশীলায় গুরু গৃহ। পড়াশোনায় প্রচণ্ড মেধাবী ছেলেটা। সহপাঠীদের ঈর্শার কারণ। কিন্তু সুঠাম দৈহিক গড়ন আর বদমেজাজি চালচুলো, মুখের সামনে কেউ কিছু বলতেও ভয় পায়। কোশলরাজ প্রসেনজিৎ এর রাজপুরোহিত জ্ঞানী ব্রাহ্মণ ভার্গব এর একমাত্র পুত্র। জন্মের সময়কালে, আকাশে নক্ষত্রগতি, কিছু আধা ভৌতিক ঘটনার জ্যোতিষিক চিহ্ন মিলিয়ে আঁৎকে উঠেছিল সমস্ত গুণিলোক। এ ছেলের ভবিষ্যত বড় ভয়ানক, সম্পূর্ণ অন্ধকারে ঢাকা। মহা অনর্থ বয়ে আনবে এ ছেলে! বাপ চাইল শিশুহত্যা। অঙ্কুরেই বিনষ্ট হোক অনিষ্ঠের অশনিসংকেত। রাজা বললেন, না। একে সৎ সঙ্গে রেখে মানুষ করা হোক। ছোট থেকেই দস্যিপনায় দুর্দান্ত। অকুতভয়। নাম রাখা হলো অহিংসক। যাতে প্রতি মুহূর্তকাল যেন নিজের সংযমের চিন্তা মস্তিষ্ককোষে খেলে বেড়াতে পারে। দুষ্টু চিত্তকে শিক্ষার শাসনে দমিত রাখাটা জরুরী। তাই গন্তব্য তক্ষশীলা। কিন্তু বিপদ এখানেও। সমস্যা ওকে পিছু ছাড়ে না। গুরুপত্নী। বৃদ্ধস্য তরুণী ভার্যা। সুকৌম অহিংসকের প্রেমে লুণ্ঠিত হলো সমস্ত সংযমের বাঁধ। অতৃপ্ত কাম নারীর শরীরী খেলায় ভাসতে ঢুবতে গিয়ে সে অনেকটা বড় হয়ে গেলো। একেই তো শ্রাবস্তীর রাজ পরিবারের ছেলেদের চক্ষূশূল, তার মেধার কারণে, তদুপরি ব্যাভিচার। গুরুগৃহ থেকে, তক্ষশীলা থেকে নির্বাসিত হলো অহিংসক। ঘরে ফেরার পথও খোলা নেই। পিতার ত্যাজ হবে সে। অনিশ্চিত ভবিষ্যত, সাথীদের বিদ্রূপ, গুরুজনকর্তৃক গঞ্জনা, বিরহী যুবককে ঠেলে দিল তমসাময় জগতে। শ্রাবস্তী ছেড়ে কোশলের পথে যেতে যেতে গহন জঙ্গলের অন্তড়ালে আশ্রয় নিল সে। ক্রমে হতাশা ঘন মননে জন্ম নিল রিরংসা। মানুষ তাকে দূরে ফেলে দিয়েছে অতএব, মানুষের বিরুদ্ধতা। প্রতিশোধ স্পৃহার শ্লাঘা। তক্ষশীলার সম্ভাবনাময় প্রতিভা, হয়ে উঠল দুর্দ্ধর্ষ নরঘাতক।

ক্ষিপ্র দক্ষ অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত হলো রাজপথের পথিক, ব্যবসায়ী। চরম আগ্রাসনে অহিংসকের চরম হিংসার বলি একের পর এক সাধারণ ছাপোষা মানুষের জীবন। রাজা প্রসেনজিৎ এর কাছে খবর এলো। বাবা ভার্গব তাকে অভিশাপ মনে করে। অগত্যা রয়াল সৈন্য প্রেরণ। দুদেশের সীমান্ত ত্রাস ইতিমধ্যে সীমান্তবর্তী গ্রামে হামলা চালাচ্ছে। ঘর থেকে গৃহস্থকে টেনে এনে কোতল করছে সে। তারপর কেটে নিচ্ছে ডান হাতের বুড় আঙ্গুল। সাক্ষাৎ মূর্তিমান বিভীষিকা। সেই কাটা আঙ্গুলের মালা ঝুলছে ওর গলায়। লোকমুখে নব্য নামকরণ হলো অঙ্গুলিমাল।

রাজার সৈন্যদল ওকে ধরতে পারেনি। ও গহীন হতে গভীরতম জঙ্গলের মধ্যে চলে গেছে। ৯৯৯ জন মৃত মানুষের কাটা আঙ্গুলের মালা পরে। রাজাদেশে পু্ত্র হারানোর ভয়ে ব্যথাতুর মা, একলা, উদ্ভ্রান্তের মতো বনের পথে পথে পাগলীর মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে অহিংসকের খোঁজে। বিকারগ্রস্ত অঙ্গুলিমাল, চিনতে পারেনি তার মাকে। তার কাছে তারই মা তার হাজারতম শিকারের লক্ষ্য। কিন্তু হতবাক মায়ের মৃত্যু আর মানসিক ভারসাম্যহীন নির্দয় ঘাতকের মাঝে এসে দাঁড়ালেন সৌম মূর্তি এক শ্রমণ। অঙ্গুলিমাল তাকেই সহজ শিকার ভেবে মারতে উদ্যত হলো। ছুটে যেতে চাইল উদ্ধত তলোয়ার নিয়ে। অবিনীত ঘাতক সর্বশক্তি প্রয়োগে ছুটছে। কিন্তু শান্ত ধীর ভিক্ষুকে ছুঁতেই পারছে না। শেষে ক্লান্ত অবসন্ন দেহে মুর্চ্ছিত হলো। ভিক্ষুকের কাছে অবনত হলো, দমিত হলো। পুনঃজন্ম নিল অহিংসক।

এর বেশ ক’বছর পর। কোশলের রাজপথ। এক দীর্ঘাঙ্গি বৌদ্ধ ভিক্ষুক। উন্মত্ত জনতার ঢিলের মুহুর্মুহু আঘাতে লুটিয়ে পরছে পথে। মলিন বস্ত্র শতচ্ছিন্ন। ভিক্ষাপাত্র ফেটে দিনের সংগৃহীত দ্রব্য সামগ্রী ধূলোয়। রক্ত ঝরছে অঝোর। কিন্তু নিজেকে বাঁচানোর বৃথা চেষ্টা সে করছে, অন্যকে আঘাতের নয়। কোনক্রমে নিজেকে বাঁচিয়ে সে ছুটে এলো সেই শ্রমণের কাছে। তিনি স্বয়ং তথগত বুদ্ধ।

অহিংসক বুঝলো, বৌদ্ধ শিক্ষা তাকে আরো পতনের থেকে ফিরিয়েছে। নবজন্ম দিয়েছে। কিন্তু নশো নিরানব্বই টি নিরীহ নর হত্যার ফল, তাকে তো পেতেই হবে, তাও সে তো হিসেব মতো লঘু দণ্ডই বটে। যে ধর্ম প্রায়শ্চিত্ত করে কু’কর্মফলের বোঝা লাঘবের লোভ দেখায়, তা পরক্ষে কু’কর্মেই উসকানি দেয়। তথাগহ আশ্বাস দেন, বৌদ্ধচিত্ত অপকর্মের থেকে নিষ্কৃতি দেওয়াতে পারে। তবুও কৃত কর্মের ফল এজন্মেই ফিরে পেতেই হবে। অবনত চিত্ত অহিংসকের শরীরী ব্যথা ছাপিয়ে গেলো প্রকৃত ভিক্ষু হবার বিভূতিতে। এতোদিনে সার্থক হলো নাম।

(ছবি# ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ)

In Search Of History