Tags » Crime » Page 2

Cult Clash:Five Beheaded In Ahoada, Rivers State (viewers Discretion)

This report says no fewer than nineteen persons have been killed in a cult clash in Idoha and Ulapata communities in Ahoada East Local Government Area of Rivers State. 274 more words

Latest News

Bangladesh cleric says vandalizing Hindu idols is in his blood!

Popular Muslim cleric Abdur Razzak Bin Yusuf, who is a follower of Zakir Naik, made a very influential speech during Friday sermons at a mosque some time last year. 50 more words

Crime

The Indonesian Sailors Kidnapped by Philippine Militants Are Back Home

Ten Indonesian sailors arrived in Jakarta late on Sunday night, hours after they were released from captivity by the Abu Sayyaf militant group in the southern Philippines.

30 more words
Latest News

Police allegedly torture 19-yr-old boy to death in Lagos

LAGOS—A 19-year-old boy identified as Gafar Ayoola, who resided at 16, Bridge Road, Otto, Ebute Metta in Lagos Mainland, had been allegedly tortured to death while in detention at Denton Police Station, Lagos.

18 more words
Latest News

800 Islamist militants got bail in 5 years

bdnews24.com has come up with this shocking report when people are being killed every now and then at the hands of Muslim extremists who eye Shariah-based Bangladesh.

তদন্তের ‘ধীরগতি’, তদন্তকারীদের ‘অদক্ষতা’ এবং আমলি থেকে উচ্চ আদালত পর্যন্ত পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ ও রাষ্ট্রপক্ষের কাজে ‘সমন্বয়হীনতার’ কারণে গুরুতর সব অভিযোগে গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন জঙ্গিরা একের পর এক জামিন পেয়ে যাচ্ছেন।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হিযবুত তাহরীর ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রায় ৮০০ সদস্যের জামিন হয়েছে গত পাঁচ বছরে।

সংখ্যায় তুলনামূলকভাবে কম হলেও জামিন পেয়েছেন হরকাতুল জিহাদ (হুজি) ও জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্যরাও।

এসব মামলার নথিপত্রে দেখা গেছে, আসামিপক্ষের আবেদনে হাই কোর্ট ও ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন আদালত আসামিদের জামিন আদেশ দিয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতায় আপিল করেনি।

আইনজীবী ও পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের সঙ্গে কথা বলে মামলার তদন্ত থেকে শুরু করে আদালত পর্যন্ত পুলিশ ও রাষ্ট্রপক্ষের কাজে ফুটে উঠেছে সমন্বয়হীনতার চিত্র।

মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আবু বলছেন, আমলি আদালতে জঙ্গিদের জামিনের খবর অনেক ক্ষেত্রেই তারা পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ থেকে পান না।

অন্যদিকে প্রসিকিউশন পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে দায় ঠেলেছে পাবলিক প্রসিকিউটর কার্যালয়ের দিকে। বলেছে, পুলিশের ক্রাইম ডিভিশন থেকেও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায় না।

আর তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকার কারণে হাই কোর্টে কারও জামিন হলে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করার মতো যুক্তি দেখাতে পারে না বলে একজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান।

# মহানগর পুলিশের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের তথ্য থেকে জানা যায়, ২০০৫ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত সময়ে জেএমবি সদস্যদের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানায় ৪৪টি মামলায় অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। এসব মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

# হিযবুত তাহরীরের সদস্যদের বিরুদ্ধে পুলিশের করা ১৩০টি মামলায় প্রায় সব আসামি জামিনে বেরিয়ে গেছেন। তাদের কেউ কেউ নিয়মিত আদালতে হাজিরাও দিচ্ছেন না।

আলোচিত জামিন

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইএস (ইসলামিক স্টেট) এর সদস্য সন্দেহে গ্রেপ্তার কাজী সাইফ উদ্দিন ইয়াহিয়া গত ১৬ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন পেলে বিষয়টি আলোচনায় আসে।

আদালত পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী কমিশনার আমিনুর রহমান বলেন, “কারণ স্পষ্ট করেই বিচারক তার জামিন দেন। যদিও আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করেছিলাম।”

২০১৩ সালে ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাদ আল নাহিন, কামাল হোসেন সরদার, কাওছার হোসেন ও কামাল উদ্দিন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

ওই বছরের ২৮ জুলাই নাহিনকে জামিন দেন ঢাকার তৎকালীন মহানগর দায়রা জজ জহুরুল হক। নাহিনের জামিনদার ছিলেন তার চাচা শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক।

এর দুদিন পর কাওছার ও কামাল উদ্দিনকে জামিন দেন ঢাকার মহানগর হাকিম এম এ সালাম। কয়েক দিনের ব্যবধানে কামাল হোসেন সরদারও জামিন পেয়ে যান।

এরপর গতবছর অগাস্টে খিলগাঁওয়ের পূর্ব গোড়ানে ব্লগার নীলাদ্রি চট্ট্যোপাধ্যায় নিলয় খুন হলে নাহিন, কাওসার ও কামাল হোসেন সরদারকে আবারও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

২০১৩ সালের ২১ ডিসেম্বর গোপীবাগে কথিত পীরের বাসায় ঢুকে ছয়জনকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার জেএমবির মো. আজমীর গতবছর ২৬ এপ্রিল ও গোলাম সারওয়ার ১৪ জুন হাই কোর্ট থেকে জামিন পান।

ওই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করেনি বলে আদালতের নথি থেকে জানা গেছে।

২০১৪ সালে আইএস সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আটক ব্রিটিশ নাগরিক সামিউন রহমান ইবনে হামদান, সাবেক বিচারপতির ছেলে আসিফ আদনান ও সাবেক যুগ্ম সচিবের ছেলে ফজলে এলাহী হাই কোর্ট থেকে জামিন পান।

এর মধ্যে আসিফের জামিন ছিল অন্তর্বর্তীকালীন। গত বছর ৩ অগাস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত থেকে তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

২০১২ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা কলাবাগান থানার এক মামলার ৩৫ আসামির সবাই গ্রেপ্তারের কয়েক মাসের মধ্যে জামিনে বেরিয়ে যান। সব আসামিই হিযবুত তাহরীরের সদস্য বলে মামলার নথি থেকে জানা যায়।

একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হিযবুত তাহরীরের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা গোলাম মাওলা ও মাকসুদুর রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১ ডিসেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এরপর ১২ ডিসেম্বর হাই কোর্ট থেকে জামিন পান সৈয়দ গোলাম মাওলা।

দায় কার?

জঙ্গি তৎপরতার এসব মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ তদন্ত থেকে শুরু করে বিচারিক পর্যায় পর্যন্ত পরস্পরের কাছ থেকে সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ করেছে। 

মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আবু মনে করছেন, প্রসিকিউশন পুলিশ ও পাবলিক প্রসিকিউটর কার্যালয়ের কাজে সমন্বয়হীনতাই এ সমস্যার মূল কারণ।

তিনি বলেন, “অভিযোগপত্র জমার পর মামলা বিচারে এলে আসামিদের জামিন, বিচারসহ অন্য বিষয়গুলোর নিষ্পত্তির দায়িত্ব পাবলিক প্রসিকিউটরদের। অভিযোগপত্র জমার আগে তদন্তকালীন পর্যায়ে জামিন, রিমান্ড শুনানির দায়িত্ব প্রসিকিউশন পুলিশের।

“তদন্ত প্রতিবেদন জমার আগে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম অথবা ঢাকার মহানগর দায়রা জজের কাছে জঙ্গিদের মামলার যে জামিন শুনানি হয়, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রসিকিউশন পুলিশই রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেয়। সেক্ষেত্রে কোনো জঙ্গির জামিন হলে তা আমাদের জানানো হয় না। জানালে তো সে মামলার নথি জামিন বাতিলের জন্য সলিসিটর উইং হয়ে আমরা হাই কোর্টে পাঠাতে পারি।”

এ অভিযোগ অস্বীকার করে মহানগর পুলিশের অপারাধ, তথ্য  ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ কমিশনার এইচএম কামরুজ্জামান বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এ সব মামলার জামিনের বিষয় জানানো সংশ্লিষ্ট পাবলিক প্রসিকিউটরের দায়িত্ব। পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু করতে হলে পিপিকে জানাতে হয়।

“হাই কোর্টে যাওয়ার সুযোগ আমাদের নেই। বরং তা পাবলিক প্রসিকিউটর কার্যালয়ের রয়েছে। আমরা এসব জামিন ও বিচারের বিষয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর কার্যালয়েকে নিয়মিত জানাই। পাবলিক প্রসিকিউটর কার্যালয় ও আমাদের কার্যালয় একই এলাকায়। একই সঙ্গে আমরা কাজ করি। আমরা একই পক্ষ।”

এ প্রসঙ্গে নিম্ন আদালতে ফৌজদারি মামলায় অভিজ্ঞ আইনজীবী আমিনুল গণী টিটো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “পুলিশ কিছু ক্ষেত্রে ছোট জঙ্গিকে বড় বানিয়ে ফেলে, আবার প্রকৃত অপরাধীদের মামলায় সম্পৃক্ত করার মতো বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পায় না। এটা পুলিশের দক্ষতা ও কর্তব্য পরায়ণতার অভাবেই হয়।”

অদক্ষতার নমুনা

হিযবুত তাহরীর সদস্য সৈয়দ ইমদাদুল হক সৈকতের (২৩) বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে মামলা করেছিল পুলিশ। রমনা থানার ওই মামলায় ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর  সন্ত্রাস বিরোধী আইনে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

সৈকতের আইনজীবী মহিবুর রহমান আপেল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফের ডটকমকে জানান, এ আইনের  ৩৯,  ৪০ ধারা অনুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের আগে জেলা ম্যজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হয়।

“কিন্তু অদক্ষতা বা অবহেলার কারণে তদন্ত কর্মকর্তা ওই নিয়ম অনুসরণ না করেই অভিযোগপত্র দেন।”

তখনকার মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হক মামলাটি বিচারের জন্য আমলে নিলেও হাই কোর্টে মামলাটি আটকে যায়।

আইনজীবী মহিবুর আপেল বলেন, “তদন্ত ও আইন প্রয়োগে অসঙ্গতির কারণে সৈকত মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পেয়ে যান।”

গত নভেম্বরে ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগ থেকে পুলিশের ক্রাইম ডিভিশনে জঙ্গি সূত্রের বিষয়ে জানাতে চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপের খবর পাওয়া যায়নি।

এই বিভাগের কর্মচারী দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ করেছেন, তারা মামলার সংখ্যা ও ইতিবৃত্ত নির্ণয়ে কাজ শুরু করলেও আদালতকর্মীদের কাছ থেকে তথ্য পান না।

তিনি বলেন, ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে কর্তব্যরত ১৯ পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে তিনজন গত বছরের মাঝামাঝি থেকে এ পর্যন্ত কয়েকটি মামলার ‘অল্প কিছু’ তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছেন।

“জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এসব মামলার তথ্য সংগ্রহে মহানগর দায়রা জজ আদালতের কর্মচারী, কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার বিষয়টি নিয়ে গত সপ্তাহে মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লার সঙ্গে আমাদের প্রসিকিউশন পুলিশের বৈঠক হয়েছে।”

জঙ্গিদের জামিন বাতিলের জন্য রাষ্ট্রপক্ষের উচ্চ আদালতে না যাওয়ার বিষয়ে নিম্ন আদালতের আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ বলেন, “বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অভিযোগপত্র দাখিলেই বছরের পর বছর পার হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় হাজতবাসের পরও যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায় না, তারা জমিন পেয়ে যান। রাষ্ট্রপক্ষ এসব জামিন বাতিলের জন্য উচ্চ আদালতে যাওয়ার মতো কিছু পায় না।”

এ ধরনের আসামির জামিন পাওয়া এবং এর বিরুদ্ধে আপিল না করার বিষয়ে জানতে কথা হয় হাই কোর্টে ফৌজদারি বেঞ্চের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ রায়ের সঙ্গে।

তিনি বলেন, “সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে না, থাকে কমন এলিগেশন। যে কারণে এরা জামিন পেয়ে যায় হাই কোর্ট থেকে। তাছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত চলে, অগ্রগতি হয় না। আর অপরাধের হুকুমদাতাকে গ্রেপ্তার করা যায় না বলে এরা জামিন পেয়ে যান।”

বিশ্বজিৎ রায় বলেন, প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এফআইআর), এমনকি এজাহারেও সুনির্দিষ্ট অপরাধের বিবরণ থাকে না বলে উচ্চ আদালত এদের জামিন না দেওয়ার কোনো কারণ দেখে না। এ ধরনের জামিন বাতিলের জন্য রাষ্ট্রপক্ষ দুই-একবার আপিল বিভাগে গেলেও তাতে ফল পাওয়া যায়নি।

Militancy

Sazeeb Wazed Joy terms Khaleda thief, liar, asks her to find $300m

The prime minister’s son is annoyed with BNP chief Khaleda Zia claiming that he has $300m in US banks.

In his latest Facebook post, Joy wrote: 117 more words

Awami League

UK businesses receive extortion demands from ‘Lizard Squad’

Within the past 24 hours a number of businesses throughout the UK have received extortion demands from a group calling themselves ‘Lizard Squad’.
Method of Attack: 267 more words