Tags » Death Sentence

Crocodile tears for Yakub Memon for publicity. 

Bad choices are sometimes more than mere mistakes.

Yakub Memon was hanged yesterday, 30th July 2015. He was found guilty of conspiracy of terrorist bomb attack killing 257 people and injuring over 700 people in Bombay in 1993.   1,016 more words

Hall Of Shame

The Story of two Funerals

30 July 2015, New Delhi

The high voltage drama concluded with SC upholding the judgement not to stay the hanging of Yakub Menon , the 1993 Mumbai Bomb Blast case accused. 460 more words

ఉగ్రవాదులకు మనం ఎటువంటి సంకేతాలు పంపుతున్నాము?

ఉగ్రవాదులకు మనం ఎటువంటి సంకేతాలు పంపుతున్నాము?

యాకుబ్ మీమన్ ముస్లిం అయినందునే అతనిని ఉరి తీస్తున్నారని కొందరు వితండవాదం చేసారు. చివరికి సల్మాన్……..……Read More………….

యాకుబ్ మీమన్ కి ఉరి ఖరారు

యాకుబ్ మీమన్ కి ఉరి ఖరారు

1993 ముంబై వరుస బాంబు ప్రేలుళ్ళ కేసులో దోషిగా నిర్దారించబడిన యాకుబ్ మీమన్ పిటిషన్ని ముగ్గురు సభ్యులతో…..…..Read More…………..

India: Mumbai bomb plotter Yakub Memon executed

India has executed Yakub Memon, the man who financed the deadly Mumbai bombings in 1993, state government has confirmed.

Memon was sent to the gallows on his 53rd birthday inside a jail complex in the western city of Nagpur for his role in orchestrating the attacks which killed at least 257 people.

News

Model who has her own TV show faces death penalty in China for carrying drugs 'inside her laptop'

A 22-year-old Colombian model is facing the death penalty after she was caught with a plastic bag full of drugs hidden inside her laptop. 691 more words

What's FUZZing???

সোল্লাসে হোক উল্লাস

আমার সেলের দরজায় তালা পড়ে গেছে এদিনের মতো। এখন শান্ত লাগছে নিজেকে।  Peace. Peace. Peace. এখন বারোটা কুড়ি। আমার জীবনের শেষ রাত। কেমন লাগে জানেন আপনারা? এই জীবনের শেষ রাত কেমন হয় ?  শেষ রাত অনেকেই পার করেছেন অজান্তে। পেরিয়ে আসার পর তো আর শেষ রাত কেমন তা নিয়ে কাটাছেঁড়ার অবসর নেই। আমার আছে। তাই হাসছি নিজের মনে।

আচ্ছা ? কেমন লাগে মরে যেতে ? কেমন লাগে পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে গিয়ে শুন্যে ভেসে যেতে ? গলায় আচমকা ফাঁস। চরমতম শ্বাস নিংড়ানো যন্ত্রণা। তারপর…

তারপর কী দেখব আমি? নিজের শূন্যে ঝুলে থাকা স্থবির দেহটাকে ? যে দেহে কয়েক মুহূর্ত আগে প্রাণ ছিল? আর এখন? প্রাণ থেকে অপ্রাণে নিয়ে যাওয়া কত সহজ না? অথচ দেখুন, প্রাণ সৃষ্টির কত দীর্ঘায়িত প্রক্রিয়া। কত তীব্র প্রসব যন্ত্রণা। আমার মরে যেতে যেমন লাগবে, আম্মিরও কী আমাকে জন্ম দিতে তেমনটাই লেগেছিল? কে জানে?

আচ্ছা আমি মরে যাব কাল? এই যে এতকাল এই চার দেওয়ালের কারাগারে মাথা ঢুকেছি। কখনও বাইরের আকাশ, সবুজ মাঠ, আমার পুরোনো গলি, পুরোনো বিছানা বালিশ, আমার কাছের মানুষের কোলে কাঁধে মাথা রাখার জন্য আকুলিবিকুলি। না পেয়ে কতবার বলেছি আল্লা, কেন আমার মৃত্যু হয় না। এই তো আমার মৃত্যুকাল। আজ আমার শেষ রাত। কাল আমার শেষ সকাল। তাহলে কেন আমার অস্থিরতা?

শেষ? সব শেষ? কেন শেষ? কী দরকার? আমি বাঁচতে চাই? হঠাত্ ভয় করছে আমার। আমি চিত্কার করলাম। অনেক্ষণ। কেউ এল না। হয়ত জানে, মৃত্যুর আগের রাতে এভাবেই চিত্কার করে সক্কলে। আমি আরও ভয় পেলাম। গলার শিরা ফুলিয়ে প্রাণপনে চিত্কার করলাম। আমি মরব না। আমাকে বাঁচিয়ে রাখো। নরক যন্ত্রণায় রাখো। শুধু বাঁচিয়ে রাখো। আমি বাঁচবো। বাঁচবো। বাঁচবো। আমার আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম মুখে। কামড়ে ধরলাম সেসব। তীব্র যন্ত্রণায় আরও কান্না বাড়ল আমার। আমি আমার সেলের গরাদ ধরে ঝাঁকালাম, সর্বশক্তি দিয়ে। দেওয়ালে হাত ঢুকে রক্তাক্ত হলাম। গড়াগড়ি দিলাম মেঝেতে। তারপর.. ঘুম.. ঘুম..

না। কেন ঘুমাবো আমি? আরেকটু কষ্ট পাই? মরে যেতে কেমন লাগে ? সে কী আজকের এই মুহূর্তগুলোর থেকেও ভয়ঙ্কর? পেটের মধ্যে অন্ধকার পাক দিয়ে উঠল আমার। আমি সর্বশক্তি দিয়ে বমি করলাম। মেঝেতে শুয়ে পড়লাম। চুপ করে। আজ আমার শেষ রাত।

যদিও এই মধ্যরাতেও দেশের আইন আমাকে নিয়ে সওয়াল জবাব করে চলেছে। তবুও ধরেই নিই না। কাল, আমার ফাঁসি… আমি লেট ইয়াকুব মেমন।

নাগপুর সংশোধনাগারে দুম করে ঝড় বয়ে গেল হঠাত্। হঠাত্ বৃষ্টি এল ঝমঝমিয়ে। অন্ধকার আরও অন্ধকার হল। ঝড়-বৃষ্টিতে কারা যেন হা হা হা করে উঠল অশরীরী উল্লাসে। এক দুই তিন চার পাঁচ ছয়.. দুশো সাতান্ন। রক্তাক্ত ছিন্নভিন্ন দুশো সাতান্ন জন সোল্লাসে ছুটে মরছে সে চত্বরের আনাচে কানাচে। কেউ ধাক্কা খাচ্ছে পাঁচিলে। কেউ বা বিশাল লোহার দরজায়। পড়ে যাচ্ছে। আবার উঠছে। জড় আর অজড়ের সংঘর্ষে রক্তাক্ত হচ্ছে এলাকা। বৃষ্টির জলে তা মিশে যাচ্ছে কর্দমাক্ত ঘাসে। মৃত্যু চাই। মৃত্যু চাই, সোল্লাস দাবি। এরা কারা? কেন এ অসময়ে? উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই কারোর। শুধু বিশাল দেওয়ালের গায়ে তিরানব্বইয়ের ছায়াছবি। সিনেমার মতো। কেউ ছুটছে ট্রেন ধরার তাড়ায়। কোনও মা তার পুঁচকেটাকে বকতে বকতে স্কুলে। কেউ বাজারের থলি হাতে বিধ্বস্ত। কেউ বা দোকান সাজিয়ে জোগাড়ে ব্যস্ত তার স্বপ্ন। কেউ বা ক্লান্ত হাজার অভিমানে। কেউ বা খুশি, প্রথম লেখা প্রেমের গানে। স্টক মার্কেট তখন ভীষণ ব্যস্ত খুব।  ব্যস্ত ভিড়েও কেউ বা হয়ত এক্কেবারে চুপ। হঠাত্ কী ভীষণ শব্ধ। ধোঁয়া। এখানে, ওখানে, সেখানে। বাজির ধারাবাহিক ধ্বংস রূপ। রক্ত, রক্ত আর রক্ত। এক নিমেষে হাজারো স্বপ্ন বিস্ফোরণে দুমরে মুচড়ে রাস্তার এখানে ওখানে ছড়িয়ে। কালো শুক্রবার আমার। কালো শুক্রবার তোমার। আর আজ, উজ্জলতম বৃহস্পতিতে হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ। ইবলিশ ইয়াকুব। দুশো সাতান্নটা মৃতদেহ নিয়ে বেঁচে আছিস কী করে এখনও শূওরের বাচ্চা.. একবার তাকিয়ে দেখ, আজও বিষন্নতার বারোই মার্চে কত ঘরে আলো জলে না। আজও প্রত্যেকটা বারোয় বালিশ ভিজে যায় কান্নায়। আজও কারোর ধূসর ফটো আচলের খুঁটে মুছে তুলে রাখে কেউ, প্রার্থনা করে বিচারের।  কেউ বা হয়ত ভুলে গেছে, বিচার কাকে বলে। শুধু খারাপিয়া বোধে নিঃসঙ্গতার দিন যাপন। একবারটি দেখ, কী করে গেলি তুই। তুই তো হুশ করে নেই হয়ে যাবি রে পাগল। আর এরা ? এভাবেই বৃষ্টি ঝড়বে। এভাবেই হাওয়া বইবে শন শন। কেন আমরাই? কেন আমরাই? উত্তর খুঁজবে দুশো সাতান্নটা অশরীরী মনন। ওদের গিয়ে জবাব দিস। আল্লাকে জিজ্ঞাসা করিস, কোথায় তোর ঠাঁই, বেহস্তে? নাকি দোজখ আছে তোর অপেক্ষায়..

তবু বিতর্ক থাকে। পক্ষে, বিপক্ষে ওঠে আওয়াজ। রাষ্ট্রের জন্ম দেওয়ার অধিকার না থাকলে, মৃত্যুদণ্ড কোন অধিকারে? উঠবে সে প্রশ্ন। তাতে কী সব পাল্টায়? প্রকৃত মাথা যে, সেতো আজও অধরা ! এ এবং সে সব মাথারা কী ভাবনায় দুশো সাতান্নটি মানুষকে নেই করে দিল, জন্ম পঙ্গু বানালো আরও অসংখ্যকে, ওহে রাষ্ট্র, ভেবে দেখেছো? আর কতদিন চোখে কাপড় বেঁধে সাম্যাবস্থার মিথ্যে স্বপ্ন দেখাবে ওহে মূর্তিমান আইন..।

এবার শান্ত হও হে ধর্ম। হিংসা ও যুদ্ধের আবাহনকারী হিসেবে তোমার সত্য প্রতিষ্ঠিত। মুসলমান হোক বা হিন্দু, গবেটগুলোর মাথায় আর কবে ঢুকবে, ধর্ম বড় বকারান্ত ছাড়া আর কিস্যু নয়।

সেই বকারান্ত সিস্টেমেই দুশো সাতান্ন প্লাস ওয়ান। টু, ফোর, থ্রি-এর অপেক্ষায় থাকি আমরা। সীমান্তে অশান্তি থাকুক। আইসিস চুলকাতে থাকুক শান্তির পাছা। আমেরিকা অ্যান্ড কোং লাগিয়ে চলুক তাদের বদ মাথা। আর উই দ্য পিপল, চিল্লাই হরদম। যুক্তি, তক্কো, গল্পের সমাহারে হেডলাইনস, খবর গোগ্রাস আর অনর্থক, বিসদৃশ সদৃশ সব কথা। থাকুক, চলুক, সোল্লাস.. ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি.. লেটস উল্লাস।

ব্যক্তিগত ভাবে আমি মেমনের শাস্তির পক্ষে। বিরলতম অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে। আমার আর্জি এটাই, দোষ নিয়ে কাটাছেঁড়া হোক ঠিক আছে। কিন্তু কেন একজন ব্যক্তি মানুষ দোষী হয়ে ওঠে, সেটাও ভাবা হোক না? এর প্রেক্ষিতে এই ভাবনায় এই চেতনায় এই অশিক্ষায় বা এই ধর্মবোধে যদি সেই লোকটা ওই কাজ করে। সেটা যদি ধরে ফেলতে পারি। তাহলে লড়াই চলুক না, সেইসবের সাথে! ছায়াযুদ্ধ বন্ধ হোক..

Death