Tags » Dhaka University

La Semaine Dernière A Mes Yeux

(19 janvier —- 26 janvier)

Selon un reportage, 324 Bangladaises sont revenues depuis l’Arabie Saoudite dans 5 jours de janvier. Elles ont toutes été abusées par leurs patrons. 190 more words

Weekly Activities

While Democracy Recedes

Freedom House in its annual report painted a sombre picture of democracy around the world in 2017.

Freedom House observes that the idea of democracy was in risk in decades as its fundamental building blocks  like free press, mechanism to hold free elections, minority rights and rule of law were targeted by vested groups. 805 more words

Analysis

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাবি মূল ওয়েবসাইট

http://www.du.ac.bd/

ঢাবি এডমিশন ওয়েবসাইট

http://admission.eis.du.ac.bd/

ঢাবি এডমিশন রেজাল্ট

http://admission.eis.du.ac.bd/index.php?act=login/index

ঢাবি বার্তা

http://barta.du.ac.bd/

শিক্ষা

Prospects of Restorative Justice in Bangladeshi Legal System

Restorative Justice (RJ) is a theory that sees beyond the traditional sentencing method of a criminal justice system. It seeks to repair the harm rather than just imposing punishment to the offender of a crime. 681 more words

Legal Articles

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে.......

এমন নয় যে,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম শুনিনি।বরং শুনেছিতো বটেই তবে একটু অন্যভাবে।আসলে বিশ্ববিদ্যালয় নামটাই আমাদের কাছে ছিল অন্যরকম একটা অনভূতি।আমরা যখন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম শুনতাম ভাবতাম-বিশ্ববিদ্যালয়!!!
জীবনে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করব এমন ভাবার মত দুঃসাহস কখনই করতে পারিনি আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেটাতো আরো অনেক দূরের কথা।এর পেছনে অবশ্য দুই একটা কারণ দাঁ ড় করাইলে কারো মন খারাপ করার বা রাগ করার কিছু থাকবে না।আশেপাশে যখন দেখতাম ও শুনতাম অমুক মেধাবী ছাত্র অনেক চেষ্টা ও সাধনা করার পর ব্যর্থ হয়েছে। যখন শুনতাম তার মত মেধাবী ছাত্র একটা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংলিশ নিয়ে এক বছর পড়ার পর বিষয় পরিবর্তন করেছে তখন মনে হতো এই বিষয়টিও অনেক কঠিন(যদিও আমি এই বিষয়ের ছাত্র নয়)। এমতাবস্থায় আমরা কতটুকুইবা স্বপ্ন দেখতে পারি! স্বপ্ন দেখার মত সাহসতো আমরা পারিপার্শ্বিকতার মাঝেই হারিয়ে ফেলেছি।সুতরাং আশ-পাশের কোন প্রখ্যাত কলেজে ভর্তি হইতে পারাকেই সৌভাগ্য মনে করি।সেক্ষেত্রে আমার বা আমার মত আর যারা ছিল তাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার মত মেধা ও যোগ্যতা ছিল কিনা সেটি বিচারের বিষয়টি পরোক্ষ হিসেবে বিবেচনা করি।কারণ ব্যক্তি নিজেই তার মেধা ও যোগ্যতাকে কতটুকু বিচার করতে পারে? আর আমরা যারা গ্রমাঞ্চল থেকে বেড়েছি তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টিতো আরো ধ্রুব।

দাখিল শেষ করে ইন্টারমিডিয়েটে বগুড়া সরকারি আযিযুল হক কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ লাভ করি।সে সময় এটিই আমার কাছে মহা সাফল্য মনে হচ্ছিল।কিন্তু কিছু দিন পর যখন সমগ্র কলেজ আর সমগ্র শহর চিনে ফেললাম তখন এই মহা সাফল্যকে অতি সামান্যই মনে হচ্ছিল।যখন তাদের সাথে প্রতিযেগিতায় এলাম তখন নিজেকে উপলব্ধি করার সুযোগ পেলাম।যখন জানতে পারলাম এখান থেকে প্রতিবছর অসংখ্য ছাত্র বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ লাভ করে তখন মনে হচ্ছিল এই অসংখ্যের মাঝে আমারও স্থান হতে পারে।কিন্তু তারপরেও কলেজে পড়া অবস্থায় দুই বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কোন প্রস্তুতি আমি নিইনি; যদিও কয়েকবার নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম।

ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর একটা কোচিং এ ভর্তি হলাম।প্রস্তুতি এখান থেকেই শুরু।তবে প্রথমবার আমার কোথাও চান্স হয়নি যদিও চারটি ভার্সিটিতে পরীক্ষা দিয়েছিলাম এবং প্রত্যেকটিতেই ওয়েটিং লিস্ট এ ছিলাম।প্রথমত খুব ভলোভাবে পড়াশুনা করেছি বা করতে পেরেছি এমনটি নয় আর দ্বিতীয়ত তখনও আমি নার্ভাস ফিল করছিলাম যে, এতগুলি ছাত্রের মাঝে পরীক্ষা দিয়ে আদৌ কি চান্স পাওয়া সম্ভব? তবে এই পরীক্ষাগুলি আমার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করেছিল। আমার কেন যেন মনে হচ্ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন বরং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নের চেয়ে সহজ সুতরাং আমার যদি চান্স হয় তাহলে সেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই হবে।নতুন করে প্রস্তুতি নিতে শুরু করলাম, সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করেছি এমনটি বলবনা কারণ এটি আমার জীবনে কখনো পারিনি।তবে এবার আমার প্রতিটি মুহূর্তকে পরিকল্পিত ও সুষমভাবে ব্যবহার করার দৃঢ় সংকল্প ছিল, তারপরেও পারিনি বাহ্যিক কিছু কারণে হয়ত সেটিও আমার ব্যক্তিগত দুর্বলতা ছাড়া আর কিছুই নয়।বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং অনেক বড় একটি চ্যালেঙ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল; কোন কারণে সেটি উহ্য রাখতে চাই।আযিযুল হক কলেজে ভর্তি হয়ে সেই যে প্রথম উদ্বোধনী ক্লাস করলাম তারপর আর একটি ক্লাসও করিনি।নামাজ শেষে কতবার যে আল্লাহর কাছে হাত তুলেছি সে সংখ্যাটি মনে রাখার মত নয়।যখন দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দিতে গেলাম, একটি রিজার্ভ বাসে গিয়েছিলাম। ভার্সিটিতে পৌঁছলাম ফজরের কিছু আগে।তারপর পরিষ্কার হয়ে নামাজ পড়লাম জিয়া হলের মসজিদে।নামাজ শেষে এসে দাঁড়ালাম হল গেটে ছাদের নিচে।বাহিরে যাওয়ার সুযোগ ছিলনা কারণ ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি হচ্ছিল।আমি সেখানেই কোচিংয়ের সাবেক পরিচালককে সালাম দিয়ে জিঙ্গেস করলাম, “ভাই কেমন আছেন?” তিনি জবাব দিয়ে বললেন, “আপনে কি এই হলের বাসিন্দা?” বললাম, “না ভাই- ক্যানডিডেট।” কি যেন একটু ভেবে জিঙ্গেস করলেন, “তাহলে কি সেকেন্ড টাইম?” বললাম, “হ্যাঁ।” “ও আচ্ছা এই জন্যই পরিচিত মনে হচ্ছে, দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে এই হলের বাসিন্দা করুক।”আল্লাহ তায়ালা তার দোয়া কবুল করেছেন আমি এখন জিয়া হলেরই দ্বৈতাবাসিক।

পরীক্ষা দিয়ে যখন বের হলাম সাথে বড় ভাই ছিল- ইংলিশ অংশটি যাচাই করতে গিয়ে দেখি এমন তিনটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর ভুল করেছি যেগুলোর সঠিক উত্তর প্রদান করা আমার জন্য বলতে গেলে ওয়াজিব ছিল।কারণ কিছুদিন আগেও আমি সেগুলো পড়েছি।মনটা খুব খারাপ হল আর সে (বড় ভাই) তো মন খারাপ করেছিলই একই সাথে রেগেও গিয়েছিল।খুব হতাশা লাগতেছিল যখন মনে হচ্ছিল এই সাধারণ প্রশ্ন যদি ভুল হয়ে থাকে তবে অন্যান্য যেগুলো আছে সেগুলোর অবস্থা আরো কেমন হইতে পারে? আর যে এমন সাধারণ প্রশ্ন ভুল করে তার চান্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিভাবে হইতে পারে? পরে অবশ্য দেখা গিয়েছিল যে ইংরেজিতেই সর্বোচ্চ ১৬.৩০ মার্কস পেয়েছিলাম।যইহোক কষ্ট বুকে নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম; পথে আরেকটি বেদনাদায়ক পরিস্থিতির সম্মুখীন হলাম।কোনমতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরেছিলাম।পরিশেষে যখন ফিরার জন্য বাসের নিকট একত্রিত হলাম, আমাদের চারজনের মাঝে কোচিং করা অবস্থায় মোটামুটি একটা ভালো সম্পর্ক গড়েছিল, তার মাঝে একটি মেয়েও ছিল, যখন জানতে পারলাম তাদের পরীক্ষা ভালো হয়েছে অথবা মোটামুটি ভালো হয়েছে, নিজেকে এতটা খারাপ লাগতেছিল আর এতটা কষ্ট পাচ্ছিলাম যে চোখ দিয়ে পানি বের হওয়াটাই শুধু বাঁকি ছিল, কথা বলার শক্তিটুকুও অনেকাংশে হারিয়ে ফেলেছিলাম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে সঠিক উত্তরকে ভুল আর ভুল উত্তরকে সঠিক ধরার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

খবর > বাংলাদেশ

3909Shares

ঢাবি ‘গ’ ইউনিটের উত্তরপত্র মূল্যায়নে গরমিল

  তপন কান্তি রায়,  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published: 2017-10-13 01:05:29.0 BdST Updated: 2017-10-13 12:33:13.0 BdST

Previous… 55 more words

Challenges The Rohingya Crisis Leaves Before Us

How does a modern day subhuman live? Just look at the images and footage of squalid camps scattered across the Cox’s Bazar. Thanks to satellite news channels, people get a first hand account of suffering the Rohingyas have been going through in these camps. 1,012 more words

Analysis