Tags » Essay

Identity, Interesting People, and Passions

I graduated from college about a week ago.

Right now, the experience doesn’t feel real. It’s as though I’ve outright lied to everyone, including myself. I’ve pulled some great heist! 1,189 more words

Blog

নলেন বনাম কেক

কোনও যুক্তি ও প্রমাণ ছাড়াই একটি বাগধারার দায় বয়ে বেড়াতে হয় ফরাসি সম্রাট ষোড়শ লুইয়ের মহিষী মারী আনতোনেতকে। তৎকালে সে-দেশে খাদ্যসংকট (বরং বলা ভালো রুটির আকাল) দেখা দিলে তিনি নাকি সহজ সমাধান বাতলে দিয়েছিলেন—‘লেট দেম ইট কেক!’ ব্যাপারটি এইরকম যে—‘রুটি নেই তো চিন্তার কী, ওদের কেক খেতে বলো!’ এই কথাটি অবশ্য ফরাসি রানির মুখে বসানো ফরাসি উক্তির ইংরেজি অনুবাদ। এই সংক্রান্ত ফরাসি বাগধারাটিতে ‘কেক’ কথাটি প্রত্যক্ষভাবে ছিল না, পরিবর্তে ছিল ‘ব্রিয়শ’ (brioche)—এই খাদ্যটি আমাদের পরিচিত কেকের মতো নয়, এটি বরং সেকালের অভিজাত পরিবারগুলির জন্য বরাদ্দ অতিশয় সুস্বাদু এক প্রকার রুটি, যাতে যথেষ্ট পরিমাণে থাকে ডিম, মাখন ও ক্রিম। 27 more words

Essay

দুশো বছরের বাংলা কাগজ

এক দশক আগে একটি কাগজে খবর পড়েছিলাম এক দলিত প্রৌঢ় সম্পর্কে। ঝাড়খণ্ডে দুমকার গৌরীশংকর রজক। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ময়লা জামাকাপড় সংগ্রহ করার পর সেগুলি কেচে ইস্ত্রি করে দেওয়াই তাঁর পেশা। আবার সেই তিনিই জামাকাপড়ের সঙ্গে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে জোগাড় করেন গরিবের সমস্যা যন্ত্রণার কথা। রুটিরুজির দায় মেটানোর পর গৌরীশংকর গরিব লোকজনের কাছে শোনা সেই কথাগুলিকেই ‘খবর’ হিসাবে প্রকাশের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন। খবরগুলি সাধারণ কাগজে নীল কালিতে হিন্দিতে লেখেন। মোট চারপাতার খবরের কাগজ হয় এইভাবে। তারপর পয়সা খরচ করে সেগুলির একশোটি ফটোস্টাট কপি করান। নিজেই বিলি করেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে। শহরের বিভিন্ন মোড়ে দেওয়ালে সেঁটে দেন নিজের হাতে। ছাপা কাগজ বার করার যে বিপুল খরচ তা পাবেন কোথায় একজন গরিব ‘ধোপা’!

Essay

সু কি-র উপর আস্থা ও হিন্দু-মুসলিম ঐক্যই পারে রোহিঙ্গা সমস্যা মেটাতে

বার্মা নামে এক ‘অদ্ভুত’ দেশ আর রেঙ্গুন নামে এক ‘রঙিন’ শহর এবং আমার কাছে প্রায় দুর্বোধ্য অথচ বেশ মধুর চাটগাঁইয়া উপভাষার সঙ্গে আমার পরিচয় একেবারে শৈশবে। গোবরডাঙ্গায় বাড়ির কাছেই ছিল একটি ‘বার্মা কলোনি’। জেনেছিলাম সেখানকার পরিবারগুলি বার্মা থেকে আসা রিফিউজি। আর বার্মা কলোনি পশ্চিমবঙ্গে এটাই একমাত্র নয়, বিভিন্ন জেলায় আরও কয়েকটি আছে। মূলত পূর্ববঙ্গের চট্টগ্রাম, নোয়াখালি প্রভৃতি জেলার বহু পরিবার আজ থেকে শতবর্ষ আগে বার্মায় ভাগ্যান্বেষণে পাড়ি জমিয়েছিল। পরে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত, পথের দাবী, সমুদ্র সাইক্লোন প্রভৃতি নানা লেখা থেকে জানা যায়, দুই বঙ্গের অন্য জায়গা থেকেও বহু মানুষ গিয়েছিল সে দেশে। তবে তারা সংখ্যায় কম। সব মিলিয়ে সেকালে বঙ্গদেশ তথা বাঙালিদের সঙ্গে ব্রহ্মদেশের সম্পর্কটা  নিবিড়ই ছিল। শরৎচন্দ্রের ব্রহ্ম-প্রবাস ছিল ১৪ বছরের (১৯০৩-১৬ সাল)। এই সময়কালেই তিনি অসাধারণ সব সাহিত্যকীর্তি রেখে গিয়েছেন, যা রবীন্দ্রনাথকেও চমৎকৃত করেছিল। ‘বড়দিদি’ পড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘এঁর জোড়া লেখক পাবে না।’’ রেঙ্গুন প্রবাসী বাঙালিরাই শরৎচন্দ্রকে ‘রেঙ্গুনরত্ন’ আখ্যা দিয়েছিল। 19 more words

Essay

বাঙালির রথযাত্রা

বাঙালি এক আমুদে জাতি। আনন্দের জন্য পরব খুঁজে নিতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। বাঙালির কাছে দেবতারা কঠিন কঠোর কিছু নন। দেবতারাই হলেন সবচেয়ে আপন বা অতি প্রিয় কেউ, যাঁকে আঁকড়ে ধরে থাকতে না পারলে বাঙালির সব আনন্দ, সব সুখানুভূতি যেন মাটি হয়ে যায়। অতএব একজন না একজন দেবতাকে সামনে রেখেই পার্বণ সাজিয়ে নেয় তারা। সেই থেকেই ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ কথাটি এসেছে। ‘তেরো’ কথাটি ‘বহু’ অর্থেই প্রযোজ্য হয়। সংস্কৃতি সম্পর্কে এমন যাদের উপলব্ধি, রথযাত্রার মতো একটি পার্বণ বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের মাতিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। রথযাত্রার মধ্যে মাটি বা ভূমির টানই খুঁজে পায় বাঙালি। রথযাত্রাই বাঙালির প্রথম সর্বজনীন উৎসব বললে অত্যুক্তি হবে না।

Essay

হালখাতার হালকা কথা

আমার কেমন যেন হালখাতা হালখাতা মনে হচ্ছে! ফিরে যাচ্ছি সেই ছোটবেলায়।

বাংলা বছরের মাঝামাঝি সময়ে একবার ছোট মামার মুখে এমন অদ্ভুত কথা শুনে জানতে চেয়েছিলাম—কেন? …

Essay

Promote Yourself Monday- May 21, 2018

Welcome to Promote Yourself Monday.  All Go Dog Go Cafe readers, guest writers, and baristas are invited to post one link to one specific post ( 32 more words

#godoggocafe