Tags » Female Infanticide

Women's History Month: Lillian and the Little Women of India

Congress designated March as National Women’s History Month in 1987, but of course, women have long been making history. Consider trailblazers, such as Belva Lockwood, the first female admitted to the U.S. 784 more words

Faith

It's a girl: A secret

The three deadliest words in the world… It’s a girl: A secret

Female infanticide is still continuing since a long time. And the main reason is to give more preference to the male babies and neglecting the female babies. 1,952 more words

Transforming India

Time was up

​”It is a boy ,right”?


Celebrations begun in the village with the fireworks glaring the dusk and drum beats piercing the sky,the fragrance of laddoos hijacked the surroundings.

30 more words

میری بیٹی || My Daughter

The midwife brings forward a wrinkly, yet fragile and beautiful baby.

If a hand were to touch it, the mark would remain engraved for a lifetime. 502 more words

Gratitude

অবাকহীন প্রজন্ম

আজকে ছেলের জন্য জ্যামিতি বক্স আনা হয়েছে। আমি যখন ক্লাস সেভেন, তখন বাবা আমার জন্য,’ক্যামেল’ জ্যামিতি বক্স এনে দিয়েছিলো। আমায় সবচেয়ে অবাক করেছিলো ইরেজার। তার আগে পেন্সিল, ইরেজার সব ই ছিলো কাজের জন্য; কিন্তু সেই প্রথমবার একটা শৌখিন কাজের জিনিষ যা আমায় অবাক করেছিলো তা ঐ জ্যামিতি বক্সের ইরেজার। কমলা রঙের, কমলা লেবুর গন্ধে ভরা! দিন কয়েক যত না জ্যামিতি করেছি মুছেছি তার বেশি।আহা, কি আনন্দ পেন্সিলের দাগ মোছার ঐ টুকরো টা!

জীবনের সব ভুল না কিছু জেনেশুনে করা ভুল যদি এমনি সুগন্ধী ইরেজার দিয়ে মুছে দিতে পারতাম!পড়াশোনায় ভালো আমি যদি একটু বাস্তব বাদী হতাম, কত ভালো হত। আমি আজ ও বাস্তব বাদী হতে পারিনি।এখনো কত সাধারন ব্যাপারে অবাক হই কিন্তু আমার ছেলে লজিকে বিশ্বাসী। যে ঘটনায় আমি অবাক হই সেই ঘটনার জুক্তিপুর্ন ব্যাক্ষা দিয়ে ছেলে আমার বোকামী ধরে দেয়। কোনা ঘটনায় অবাক না হওয়া ছেলে আমার। এতে কি আমার খুশি হওয়া উচিত?বিস্মিত হওয়া লোক আজকাল খুব কম। স্বাভাবিক, কোন মানুষ টাই বা সহজ সরল? জটিল মানুষেরা তাই বিস্মিত হতে ভুলে গেছে।

আমি আজ ও বিস্মিত হই এটা জেনে যে মা নিজের হাতে মেয়েকে ঠান্ডা মাথায় খুন করতে পারে। কিছু মাস আগেই ধরা পরেছে এমন মা, মায়ের প্রাক্তন স্বামী এবং আর ও অনেকে।গরীব মানুষের টাকা লুটেও ভোটে জিতে আসে মন্ত্রী- সান্ত্রীরা।এক মুসলিম ছেলের প্রেমে পরে বিজনেসম্যানের মেয়ে ঘর ছেরে বিয়ে করে, কয়েকদিন ঘর করার পরে পুলিশ, প্রশাসনের মদতে ব্যাবসাদার বাবা মেয়েকে নিজের কাছে নিয়ে যান, আর তারপরে ছেলেটির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সেই মৃত্যু কে হাতীয়ার করে ছেলেটির দাদা ভোটে জেতে আর সেই বড়লোকের মেয়ে শাহরুখ খান কে দেখতে আই পি এল এর মাঠে আসে!এখন মানুষ বিস্মিত হতে, প্রতিবাদ করতে, সহানুভূতি দেখাতে ভুলে গেছে, আর আমার মত কিছু মানুষ গান গাইছে, ‘অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি……।‘

The Lens Of Durbin

নারী স্বাধীনতা

নারীমুক্তি নিয়ে অনেকেই অনেক শব্দ খরচ করেছে এখনো করে।তবু আজ ও ধারাবাহিক ভাবে কন্যা ভ্রূন হত্যা, নারী, শিশু কন্যা পাচার, পনের বলি, ধর্ষন, শ্লীলতাহানী সব চলছে, শুধু চলছে না উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে।  আজকে বরঞ্চ কিছু কারন খুঁজি চলুন।

আমি নিজের অভিজ্ঞতাতেই জানি যে সব মেয়েরা প্রথম লাঞ্ছিত হয় বাড়িতে। হ্যাঁ, বাড়ি থেকেই না বরং ভ্রূন থেকেই শুরু করি। আল্ট্রা সাউন্ডের শুরু খুব বেশি দিনের না, তাহলে কি ধরে নেবো যে এই যন্ত্র আসার আগে কন্যা সন্তান শেফ ছিলো? না, ছিলোনা।আগেকার দিনে এমন অনেক ধাই মা ছিল যারা কোন মেয়ে সন্তান্সম্ভবা কি না তা নাড়ী ধরে বলে দিতে পারতেন। আর ভ্রূনের বয়স একটু বেশি মানে আট কিংবা ন’সপ্তাহের হলে বলে দিতে পারতেন গর্ভস্থ সন্তান টি মেয়ে না ছেলে?তখন নানান গ্রামীন উপায়ে গর্ভপাত করিয়ে দিতো শাশুড়ি বা ওই বাড়ির প্রধান কোন নারী। আর যদি তা না হত তো প্রসবের পরে যদি দ্যাখা যেত কন্যা সন্তান তো নুন ঠুসে দেওয়া হত নবজাতিকার মুখে। কেউ আবার ধান দিয়ে দিতো, জন্মানোর সাথে সাথেই কচি মুখ মধুর বদলে ধান গলায় আটকিয়ে মরতো।সব চেয়ে বড় মজাটা কি বলতো, এই পুরো খুন রক্রিয়াটা চলতো কোন নারীর হাতে।

আসলে পিতৃতন্ত্র টিকে আছেই নারীর হাত ধরে।আজ ও আমাদের দেশে সব চেয়ে বেশি বধূ হত্যা হয় ই শাশুড়ি, ননদ, জা এই রকম কোন নারীর হাতেই। মেয়ে পাচার হয়ে যায় গ্রাম দেশে বিয়ের নাম দিয়ে সেখানেও আড়কাঠির কাজ টি করে কোন মহিলা। এই যে সদ্য শিশু পাচার চক্র নিয়ে এতো খবর হচ্ছে সেখানেও বেশীরভাগ মহিলা।

ছেলেদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা মহিলাটি ই হয়তো বারির কাজের মেয়েটিকে শারীরিক অত্যাচার বেশি করেন।শিশু শ্রমিক হিসাবে সব চেয়ে বেশি ডোমেষ্টিক হেল্পারের কাজ করে নাবালিকা রা। দারিদ্রের জ্বালায় মা কাজে দিয়ে দেন এই আশায় যে খেতে তো পাবে; কিন্তু খাওয়া তো দূর বেশির ভাগ সময়েই এরা শারীরিক নির্জাতনের শিকার হয়। সারাদিন কাজ, খেতে না দেওয়া, মার ধোর লেগেই থাকে।

আসলে যে দেশে স্বাধীনতার সত্তর বছর পরেও শৌচাগার বানানোর জন্য টি ভিতে বিজ্ঞাপন দিতে হয়, স্যানিটারী ন্যাপকিন এর প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে হয় সেই দেশে নারি নির্জাতন থেকে রক্ষা পাওয়ার আইন আসলে আইনের অপপ্রয়োগ ছাড়া কিছু না।

আমি যখন ছেলের মা, তখন তো আমার ই উচিত ছেলেকে শেখানো, যে মেয়েদের সম্মান করতে শেখানো? কোন মেয়ে শর্ট ড্রেস পরলেই সে ভোগ্যপন্য নয়! আমরা মেয়েকে শাখাই জন্মের পর থেকেই, সতীত্ব খুব দামী জিনিষ। মেয়ের ওড়া বন্ধ করতে নানা ভাবে তাকে সমাজের মাপে কেটে ছেঁটে সাইজ করি, যাতে এই পিতৃতান্ত্রিক সমাজের খাপে এঁটে যায়, আর সেইখান থেকে শুরু হয় পিতৃতন্ত্রের ধ্বজা ওড়ানোর পালা।

যেদিন মা মেয়েকে না শিখিয়ে ছেলেকে শেখাবে, তাকে সাইজ করবে সেদিন হতে পারে অন্যরকম সমাজ দেখতে পাই। কে জানে সেদিন কত দূরে? আপনি কি মনে করেন, এমন দিন আসবে?

The Lens Of Durbin

Reality Check 2016: Are girls the only one getting raped?

Sachin’s retirement or the AAP dream win fails to hide the atrocious standards that Nirbhaya episode exposed. ‘RAPE’ a term that disgusts me even the moment I am thoughtless or seeking solitude from the worldly gallows. 833 more words