Tags » Freelancing

Modus

As I said in the second to last post, the role of a critic is to inform people about where he wants to take the world. 193 more words

Writing

Marvellous Marketing

Do you know what the hardest part of freelancing is?

It’s not the uncertainty

It’s not the the lack of colleagues to talk to in the canteen at lunch… 1,018 more words

Business

Inappropriate Stock Photo Of The Week: Pig Ignorant

This is a very small post, before a very big weekend.

In Ireland, we are about to embark upon the infamous August Bank Holiday Weekend. In essence, it means hardly anyone has to work on Monday. 313 more words

Humour

Natural Nails Manicures and Pedicures

Hi Beauties so in Beauty School we are doing nails and toes my second favorite part of the mod!! These are my natural nails manicures and pedicures. 21 more words

Iamtheblushingbeauty

১, ইংরেজী ফ্লুয়েন্টলি রিডিং পড়তে পারা ও বুঝতে
পারা (আমার কাছে অনেকেই আসে ইংরেজী রিডিং ই
পড়তে পারেনা। তারা দয়াকরে আগে ইংরেজী শিখুন
তারপরে এই লাইনে আসুন)
২, ইংরেজীতে ফ্লুয়েন্টলি কথা বলতে পারা।
আপনাকে ব্রিটিশ বা আমেরিকান্দের মত উচ্চারন
করতে হবেনা কিন্তু আপনাকে ফ্লুয়েন্টলি কথা বলতে
পারতে হবে। কথার মাঝখানে অ্যাা উ্যু করা
যাবেনা।
৩, আপনাকে ব্রিটিশ, আমেরিকান, অস্ট্রেলিয়ান
অথব্যা অন্যান্য নন নেটিভ ইংলিশ স্পিকার এর কথা
বুঝতে হবে। আমার অনেক ক্লাইন্ট আছে লন্ডনের
আবার অনেক আছে ক্যালিফোর্নিয়ার। দুই জনের
কথার মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য। অনেকটা
বরিশালের বাংলা আর সিলেটি বাংলার মধ্যে
যেমন পার্থক্য তেমন।সো এই টাইপের ইংরেজী
বুঝতে হবে।
৪, আপনাকে যথেস্ট টেকনিক্যাল নলেজের অধিকারী
হইতে হবে। ধরেন আপনি গাছ কাতেন। গাছ কাটার
জণ্য কি কি যন্ত্রপাতি লাগে, ছোট গাছ কিভাবে
কাটতে হয়, বড় গাছ কিভাবে কাটতে হয়, গাছ না
কেটে শুরু ডাল কাটলে কিভাবে কাটতে হবে এইসব
টেকনিক্যাল নলেজ থাকা দরকার। এখন আপনি গাছ
কাটতে যাবেন করাতই যদি না চিনেন তাহলে আপনি
যতই ভালো কথা বলতে পারেন আপনাকে কেউ কাজে
নিবেনা। এইরকম আপনি যেই বিষয়ে কাজ করবেন
সেই বিষয়ে যথেস্ট টেকনিক্যাল নলেজ থাকতে
হবে।
৫, আপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ধরুন
আপনি গাছ কাটবেন। আপনি করাত কাকে বলে করাত
কত প্রকার ইত্যাতি পড়ে আসলেন কিন্তু করাত
চালাইতে পারেন না আপনার এই ক্ষেত্রে কোন দাম
নাই।
৬, আপনার টাকার প্রতি লোভ থাকা যাবেনা। আর
ফ্রীল্যান্সিং করে অনেক টাকার মালিক হবো
এইরকম চিন্তা করা যাবেনা। ফ্রীল্যাসিং এ কাজ
শিখতেছেন শিখবেন মাঝে দিয়ে কিছু টাকা ইঙ্কাম
হইলে হইল না হইলে নাই এইরকম চিন্তা থাকতে
হবে। অনেকেই আমাকে বলে ভাই বহুত টাকার
প্রব্লেমে আছি কি শিখতে হবে বলেন। যাতে ১ মাস
পরেই টাকা ইঙ্কাম করতে পারি। তাদের বলি
ভাইজান কোন কোম্পানির সেলস ম্যান হিসাবে
জয়েন করুন কিছু টাকা ইঙ্কাম করতে পারবেন।
ফ্রীল্যান্সিং এ কিছু টাকা ইঙ্কাম করতে পারবেন
না।
৭, আপনার পরিবার বা আপনার আশ পাশ আপনাকে
মানুষিক ও আর্থিক ভাবে সাপোর্ট দেওয়ার মত
থাকতে হবে। ধরুন আপনি সারারাত কাজ করবেন।
আপনার আব্বা বকাবকি করে গেলো। আপনার আম্মা
বল্লো সারারাত কম্পিউটারে কি কি করিস। এইগুলা
বাদ দে। আপনি দিনে কাজ করতেছেন আপনার আম্মা
বল্লো এক হালি ডিম এনে দেতো অথবা ১ প্যাকেট
লবন এনে দে তো। এইসব ডিস্টার্ব থেকে আপনাকে
আলাদা থাকতে হবে। অনেক বাবা মা এর ধারনা
সারাদিন কম্পিউটারে কি সব ফালতু কাজ করে। ঘরে
বসে অলস টাইম কাটায় তাই কাজের মধ্যে যত্ত সব
উলটা পালটা হুকুম করে। তখন কাজের মুড নস্ট
হয়েযায়। আর যারা প্রগ্রামিং করেন তারা তো আরো
সিরিয়াস। মাঝে মধ্যে কিছু জিনিসের আউট পুট বের
করা অনেক কোঠিন হয়ে যায় অথবা বাগ ফিক্সিং এর
জন্য অনেক চিন্তা করতে হয়। আপনি মনিটরের দিকে
তাকিয়ে চিন্তা করতেছেন এই সময় জোরে শব্দ
হইলেই মনোযোগ নস্ট হয় ঠি ঐ সময় আপনার আম্মা
বল্লো ঐ ঘরে বসেই তো আছিস এক পোয়া মরিচ আন।
এইসব ডিস্টাব থেকে আপনাকে থাকতে হবে মুক্ত।
৮, আপনাকে প্রচুর ধৈর্য শীল হইতে হবে।
৯, আপনার রাত জাগার খমতা থাকতে হবে।
১০, গার্ল ফ্রন্ড না থাকলে সবচাইতে ভালো। কারন
আপনি কাজ করতেছেন ঐসময় আপনার গার্ল ফ্রেন্ড
ফোন করে উলটা পালটা কথা বল্লো তখন কাজের
মনোযোগ নস্ট হয়ে যাবে।
১১, কাজের মধ্যে ডুবে থাকার অভ্যাস থাকতে হবে।
একটা কাজ না শেষ হলে কাজ থেকে উঠা যাবেনা এই
রকম অভ্যাস থাকতে হবে।
১২, কাজের প্রতি আগ্রহ থাকতে হবে। কাজ শেখার
প্রতি আগ্রহ থাকতে হবে। আমাকে অনেকেই ফোন করে
বলে ভাই আমার কাজ শেখার প্রচুর আগ্রহ। আপনি
আমাকে ফ্রীল্যান্সার বানিয়ে দেন। তাদের বলি
আপনি যে আগ্রহী এর প্রমান দিন। তারা বলে ভাই
আমার অনেক আগ্রহ আছে। আমি বলি আগ্রহ থাকলে
আমাকে ফোন দিতেন না। প্রথমে গুগলে গিয়ে আপনি
কি কাজ করবেন তা নিয়ে সার্স দিবেন। এর পর সেই
বিষয় নিয়ে স্টাডি শুরু করবেন। কিন্তু না করে
আমাকে ফোন দিচ্ছেন। ইভেন এই পোস্ট পাওয়ার পরে
অনেকেই আমাকে ম্যাসেজ দিবে বলবে আমি
ফ্রীল্যান্সিং শিখতে চাই কি করবো? আপনি একটু পথ
দেখান। আসলে আপনি যদি গুগল থেকে পথ বের না
করতে পারেন আপনার আগ্রহ কতখানি তা বুঝা হয়ে
গেছে। আপনাকে গুগল থেকেই শিখতে হবে।

Posted By :Borhan Uddin

Shajahan


ফ্রিল্যান্সিং কি সহজ ? ফ্রিল্যান্সারদের
নিয়মিতভাবেই এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।
ফ্রিল্যান্সিং কি সহজ ? না কঠিন ? আমি কি
পারব ? সত্যি বলতে কি ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে
এমন এক পর্যায়ে পৌছেছে যেখাতে একে নিয়মিত
কাজ হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। প্রতিনিয়ত আরো
বেশি মানুষ যোগ দিচ্ছে একাজে। যদি এই দৃষ্টিতে
দেখেন তাহলে অন্য পেশার ক্ষেত্রেও কি প্রশ্ন
করতে পারেন, শিক্ষকতা কি সহজ ? কিংবা
ডাক্তারী করা কি সহজ ? এধরনের প্রশ্ন করা হয়
না। কারন ফ্রিল্যান্সিং বলতে অন্য নির্দিস্ট
একটি পেশা বুঝায় না। একজন শিক্ষক কিংবা
ডাক্তারও ফ্রিল্যান্সার হতে পারেন। অন্য পেশা
যদি কঠিন হয় তাহলে ফ্রিল্যান্সিং অবশ্যই কঠিন।
ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে কিছু ভুল ধারনার কারনে
সাধারনভাবে ফ্রিল্যান্সিংকে সহজ মনে করা হয়।
বিষয়গুলি তুলে ধরা হচ্ছে এখানে; . ফ্রিল্যান্সিং
শখ না ফ্রিল্যান্সিং অন্যান্য পেশার মতই
নির্দিস্ট কাজ। শুধুমাত্র শখ করে এখানে ভাল করার
সম্ভাবনা নেই। কোন ফ্রিল্যান্সারকে কাজ করতে
দেখলে মনে হতেই পারে তিনি মজার কিছু করছেন।
কোন কাজ পছন্দ হলে সেদিকে যাচ্ছেন, পছন্দ না
হলে ছেড়ে দিচ্ছেন। কখন কাজ করবেন সেটা নিয়ে
কেউ খবরদারী করছে না। বাস্তবে ফ্রিল্যান্সারকে
তার সমস্ত কাজের হিসেব ঠিকভাবে রাখতে হয় এবং
সব কাজই সময়মত শেষ করতে হয়। . একাধিক কর্তৃত্ব
মেনে চলা নিয়মিত চাকরীর সময় নির্দিস্ট বসের
অধীনে কাজ করতে হয়। ধীর্ঘদিন কাজ করলে একসময়
তার পছন্দ-অপছন্দ ইত্যাদির সাথে মানিয়ে নেয়া
যায়। ফ্রিল্যান্সিং কাজে সবসময়ই নতুন নতুন
ক্লায়েন্টের কাজ করতে হয়। তাদের প্রত্যেকেরই
কাজের ধরন, মানষিকতা, পছন্দ-অপছন্দ ভিন্ন।
সেকারনে অতিরিক্ত সচেতনতা প্রয়োজন হয়। . ভাল
এবং মন্দ সময় ফ্রিল্যান্সিং কাজে ভাল সময় – মন্দ
সময় কথাটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত। একসময় এত
বেশি কাজ পেলেন যে সেগুলি করা কষ্টকর, অন্যসময়
আদৌ কোন কাজ পেলেন না। কিছু নিয়ম মেনে এই
সমস্যা মোকাবেলা করা গেলেও পুরো সমাধান কারো
জানা নেই। . কাজ নেই – আয় নেই ফ্রিল্যান্সারের
আয় সরাসরি নির্দিষ্ট কাজের সাথে সম্পর্কিত।
শারীরিক অসুস্থতা থেকে শুরু করে অন্য যে কারনেই
হোক, কাজ শেষ না হলে আয়ের সম্ভাবনা নেই। যে
কারনে অনেক সময়ই ফ্রিল্যান্সার যখন কাজ থাকে
তখন ভবিষ্যতের কথা ভেবে অতিরিক্ত কাজ করেন। .
সবসময়ই কোন কাজ থাকে নিয়মিত চাকরীর ছুটি
নির্দিস্ট। দিনের কাজ শেষে ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি,
বিশেষ দিনের ছুটি ইত্যাদি নিশ্চিন্তে উপভোগ
করা যায়। ফ্রিল্যান্সারের কোন ছুটি নেই। হাতের
কাজ শেষ হওয়ার পরও নিজের প্রচার বাড়ানো,
কাজের চেষ্টা করা, দক্ষতা বাড়ানো ইত্যাদি কাজ
করতে হয়। এই বিষয়গুলির বাইরে আরো অনেক বিষয়
রয়েছে বিষয়ভিত্তিক। কমবেশি সব
ফ্রিল্যান্সারকেই সেগুলির মুখোমুখি হতে হয়।
কাজেই কেউ যদি প্রশ্ন করে, ফ্রিল্যান্সিং সহজ কি-
না, হ্যা কিংবা না এভাবে উত্তর না দিয়ে তাকেই
আরো জানতে পরামর্শ দিন।

Shajahan

অনলাইন মার্কেটিং এর জনপ্রিয় এবং কার্যকরী
একটি পদ্ধতি হল “ইমেইল মার্কেটিং”। এই পদ্ধতির
মাধ্যমে কাস্টমারের ইমেইলে কোন পন্য বা সেবার
বিবরণ প্রেরন করা হয়। ফলে কাস্টমার
সংশ্লিষ্ট পন্য বা সেবা সম্পর্কে প্রাথমিক
ধারনাগুলো ইমেইলের ইনবক্সে পেয়ে যান এবং পন্য
ক্রয় বা সেবা গ্রহনে আগ্রহী হয়। কিন্তু অধিকাংশ
ইমেইল মার্কেটারদের পদ্ধতিগত কিছু ভুলের কারনে
তাদের প্রেরিত মেইলের ওপেন রেট কমে যায় যা
সেলস কনভার্সনকে প্রভাবিত করে। আজকে আমরা
ইমেইল মার্কেটিং করার সময় গুরুত্বপূর্ন ৫টি ভুল
সম্পর্কে আলোচনা করবো যা মেইলের ওপেন রেট
কমিয়ে দেয়ঃ

১। দূর্বল শিরোনামঃ ইমেইল মার্কেটিং এর
ক্ষেত্রে ইমেইলের শিরোনাম খুবই গুরুত্বপূর্ন। বলা
হয়ে থাকে ৩৩% ইমেইল ওপেন করা হয় দৃষ্টিনন্দন
শিরোনাম দেখে। সুতরাং ইমেইলের শিরোনাম যাতে
দৃষ্টিনন্দন এবং প্রাসঙ্গিক হয় সেদিকে ইমেইল
মার্কেটারকে বিশেষ মনোযোগী হতে হবে।
২। সঠিকভাবে কাস্টমার সেগমেন্ট না করাঃ

ইমেইলের শিরোনাম লিখার ক্ষেত্রে কাস্টমারের
বয়স, লিঙ্গ, ইন্টারেস্ট, লোকেশন ইত্যাদি
ফ্যাক্টরগুলো মাথায় রাখতে হবে । কারন একই
শিরোনাম দিয়ে যদি সকলকে মেইল সেন্ড করা হয়
তবে তা কাস্টমারের নিকট প্রাসঙ্গিক হবে না
এবং মেইলের ওপেন রেট কমে যাবে।
জনপ্রিয় ইমেইল সার্ভার মেইলচিম্প এর
পরিসংখ্যান মোতাবেক কাস্টমার সেগমেন্ট করা
ক্যাম্পেইনগুলোতে নন সেগমেন্ট ক্যাম্পেইন থেকে
১৪.৪% ভাল ওপেন রেট আছে।

৩। অটোমেটেড ইমেইল সেট না করাঃ অটোমেটেড
ইমেইল হল সেই ধরনের ইমেইল যেগুলো কোন ইভেন্ট
যেমন কোন কিছু ক্রয়, ডাউনলোড অথবা কোন
কমিউনিটিতে জয়েন ইত্যাদির বিপরীতে
অটোমেটিক্যালি সেন্ড করা হয়। এই ধরনের
ইমেইলগুলোর ওপেন রেট ৭১% বেশি এবং নন
অটোমেটেড ইমেইলগুলো থেকে ১০২% বেশি ক্লিক
রেট। অটোমেটেড ইমেইল শুধুমাত্র কাস্টমার
সেগমেন্ট করে মেইল সেন্ড হয় তা নয় বরং সময়মতো
কাস্টমারের নিকট সেন্ড হয়।

৪। সঠিকভাবে ইমেইল লিস্ট ম্যানেজ না করাঃ
ক্যাম্পেইনের জন্য অপ্রাসঙ্গিক ডাটা সংগ্রহ করা,
হাই বাউন্স রেট না কমানো অথবা ইনেক্টিভ
সাবস্ক্রাইবারদের ইমেইল করলে তা ইমেইলের
ওপেন রেট কমিয়ে দেয়। সাধারনত ইমেইল লিস্ট
সঠিকভাবে ম্যানেজ না করলে নিম্মোক্ত সমস্যা
হয়ঃকাস্টমার আগ্রহ সহকারে মেইল রিসিভ করবে না।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা ISPs মেইল ডেলিভারি ব্লক করে দিতে পারে।

৫। মেইল ডেলিভার এবং কাস্টমার অ্যাংগেইজমেন্ট না হওয়াঃ লো ওপেন রেটের আরেকটি বড় কারন হল মেইল ডেলিভার না হওয়া এবং পূর্বের ক্যাম্পেইনে ভাল কাস্টমার এঙ্গেইজমেন্ট না থাকা। সাধারনত কাস্টমারদের অনুমতি নিয়ে মেইল লিস্ট ম্যানেজ করলে কাস্টমারেরা পরবর্তি সময়ে মেইলটাকে ভালোভাবে রিসিভ করে যা ওপেন রেটকে বাড়িয়ে দেয়। অপরদিকে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা ISPs সাবস্ক্রাইবার কর্তৃক অনাকাঙ্খিত মেইল প্রেরনের জন্য খারাপ রিপোর্ট না থাকায় মেইল ডেলিভারিতে বাধা সৃষ্টি করে না।

পরিশেষে এটাই বলতে চাই এমন ব্যক্তিদের নিকট প্রাসঙ্গিক মেইল সেন্ড করুন যারা আপনার কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জানতে চায়। আর এটাই মেইলের ওপেন রেট অনেকাংশে বাড়িয়ে দিবে।

Shajahan