Tags » Gita

श्रीमद्भगवद्गीता जयंती : 10 दिसम्बर

श्रीमद्भगवद्गीता जयंती : 10 दिसम्बर

‘यह मेरा हृदय है’- ऐसा अगर किसी ग्रंथ के लिए भगवान ने कहा है तो वह गीता जी है । गीता मे हृदयं पार्थ । ‘गीता मेरा हृदय है ।’ 21 more words

श्रीमद्भगवद्गीता जयंती : 10 दिसम्बर

♦ গীতা জয়ন্তী ♦

এই তিথিতেই পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা বীর অর্জুনকে ৫১৫৪ (৩১৩৮ খ্রিস্টপূর্ব) বছর আগে অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লা একাদশী (মোক্ষদা একাদশী) তিথিতে কুরুক্ষেত্রের রণাঙ্গনে ভগবদ্গীতার জ্ঞান দান করেছিলেন । তাই এই মহিমামণ্ডিত তিথিকে গীতা জয়ন্তী তিথি বলা হয়।

 

গীতা সম্পর্কিত কিছু জ্ঞানঃ

১। গীতা হচ্ছে সমস্ত শাস্ত্রের সারতিসার।

২। মহাভারতের ভীষ্মপর্বের (২৫ থেকে ৪২) এই ১৮ টি অধ্যায় হল ভগবদগীতা বা গীতোপনিষদ ।

৩। গীতায় রয়েছে ৭০০ শ্লোক। তার মধ্যে ধৃতরাষ্ট্র বলেন ১টি শ্লোক, সঞ্জয় বলেন ৪০টি শ্লোক, অর্জুন বলেন ৮৫টি শ্লোক, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেন ৫৭৪টি শ্লোক । আর পুরো গীতায় ৯৫৮০ টি সংস্কৃত শব্দ আছে ।

৪। গীতার ১৮টি অধ্যায়ের মধ্যে প্রথম ৬টি অধ্যায়কে বলে কর্মষটক, মাঝখানের ৬টি অধ্যায়কে বলে ভক্তিষটক, আর বাকি ৬টি অধ্যায়কে বলে জ্ঞানষটক ।

৫। গীতা পড়লে ৫টি জিনিষ সর্ম্পকে জানা যায় – ঈশ্বর, জীব, প্রকৃতি, কাল ও কর্ম ।

৬। যদিও গীতার জ্ঞান ৫০০০ বছর আগে বলেছিল কিন্তু ভগবান চতুর্থ অধ্যায় বলেছেন এই জ্ঞান তিনি এর আগেও বলেছেন, মহাভারতের শান্তিপর্বে (৩৪৮/৫২-৫২) গীতার ইতিহাস উল্লেখ আছে । তার মানে গীতা প্রথমে বলা হয় ১২,০৪,০০,০০০ বছর আগে, মানব সমাজে এই জ্ঞান প্রায় ২০,০০,০০০ বছর ধরে বর্তমান, কিন্তু কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে গেলে পুনরায় আবার তা অর্জুনকে দেন ।

৭। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে মাত্র ৪০ মিনিটে এই গীতার জ্ঞান দেন ।

৮। গীতার মাহাত্ম্য অনেকে করে গেছেন, তার মধ্যে শ্রীশঙ্করাচার্য, স্কন্দপুরাণ থেকে শ্রীল ব্যাসদেব, শ্রীবৈষ্ণবীয় তন্ত্রসারে গীতা মাহাত্ম্য আর পদ্মপুরাণে দেবাদিদেব শিব কর্তৃক ১৮টি অধ্যায়ের মাহাত্ম্য বর্ণিত আছে ।

৯। গীতাতে অর্জুনের ২২ টি নাম আর কৃষ্ণের ৪৩টি নামের উল্লেখ করা হয়েছে ।

১০। গীতাতে ‘মাম্’ এবং ‘মামেব’ কথাটি বেশি আছে, ‘যোগ’ শব্দটি আছে ৭৮ বার, ‘যোগী’ আছে ২৮ বার আর ‘যুক্ত’ আছে ৪৯ বার ।

১১। গীতার ২য় অধ্যায়কে বলা হয় গীতার সারাংশ ।

১২। ভগবান যখন বিশ্বরূপ দেখান তখন কাল থেমে যায়।

১৩। গীতায় অর্জুন ১৬টি প্রশ্ন করেন আর কৃষ্ণ তা ৫৭৪টি শ্লোকের মাধ্যমে উত্তর দেন ।

১৪। পুরো গীতার সারমর্ম মাত্র ৪টি শ্লোকে বর্ণনা করা হয়েছে, ১০ম অধ্যায়ের ৮ থেকে ১১ নং শ্লোক-এ।

১৫। গীতায় ৩টি গুণ, ৩টি দুঃখ আর ৪টি আমাদের প্রধান সমস্যার কথা বলেছে ।

১৬। গীতায় সাধুর ২৬টি গুণের কথা বলা হয়েছে আর ৬টি আসুরিক প্রবৃত্তির কথা বলা হয়েছে ।

১৭। নরকের ৩টি দ্বারের কথা বলা হয়েছে (কাম, ক্রোধ ও লোভ)

১৮। গীতা অনুযায়ী, ব্রাহ্মণের ৯টি গুণ, ক্ষত্রিয়ের ৭টি গুণ, বৈশ্যের ৩টি গুণ আর শুদ্রের ১টি গুণ ।

১৯। গীতায় ৩টি কর্মের প্রেরণা আর ৩টি কর্মের আশ্রয়ের কথা বলা আছে ।

২০। গুণ অনুসারে ৩ প্রকারের ত্যাগের কথা বলা হয়েছে ।

২১। ৩ প্রকারের আহার, যজ্ঞ, তপস্যা, শ্রদ্ধা, পূজা ও দানের কথা বলা হয়েছে ।

২২। ২ টি স্বভাবের এবং ৫ টি চেতনার জীবের কথা বলা হয়েছে ।

২৩। ৩ প্রকার জীবের কথা বলা হয়েছে ।

২৪। ৩ প্রকার ক্লেশ বা দুঃখ এবং মানুষের ৬ টি প্রধান শত্রুর কথা বলা হয়েছে।

২৫। জড় দেহের ৬ টি পরিবর্তনের উল্লেখ রয়েছে।

২৬। ব্রহ্ম উপলব্ধির ৫টি স্তরের কথা বলা হয়েছে ।

২৭। ভগবানের প্রিয় ভক্তদের ৩৬ টি গুণের কথা বলা হয়েছে ।

২৮। গীতায় ২৫ জন সৃষ্টের কথা বলা হয়েছে যারা স্থাবর, জঙ্গম ও সমস্ত প্রজাদের সৃষ্টি করেছেন । (কৃষ্ণ → ব্রহ্মা → চতুষ্কুমার, সপ্তমহর্ষি, চতুর্দশ মনু)। 

২৯। ৩ প্রকারের জ্ঞান, কর্ম ও কর্তার উল্লেখ রয়েছে।

৩০। ৪ প্রকার সুকৃতিবান ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে । আর ৪ প্রকার দুষ্কৃতিবানের কথা বলা হয়েছে ।

৩১। জড়া প্রকৃতির ৮টি উপাদানের কথা বলা হয়েছে ।

৩২। শ্রীমদ্ভগবদগীতায় বর্ণিত শান্তির সূত্রটি হলঃ “ভগবান শ্রীকৃষ্ণ – সমস্ত যজ্ঞ ও তপস্যার ভোক্তা, সমস্ত লোকের মহেশ্বর এবং সমস্ত জীবের হিতাকাঙ্ক্ষী বন্ধু।”

Krishna

শ্রীমদ্ভগবদগীতার উৎপত্তি ও ইতিকথা

শ্রীমদ্ভগবদগীতা বহু প্রাচীন কাল থেকে একটি পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত হয়ে আসছে । আজ থেকে হাজার হাজার বছর পূর্বে দ্বাপর যুগে শ্রীগীতার এ অমিয় বাণী কুরুক্ষেত্রের ধর্মযুদ্ধে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লা একাদশী তিথিতে অর্জুনকে ব্যক্ত করেছিলেন । কৃষ্ণদ্বৈপায়ন যিনি মহর্ষি ব্যাসদেব নামে সমধিক পরিচিত তিনি মহাভারত রচনা করে এই কথোপকথন ভীষ্ম পর্বের ২৫ অধ্যায় হতে ৪২ অধ্যায় পর্যন্ত সপ্তশতী শ্লোকে অন্তর্ভূক্ত করেন ।  অবশ্য শ্রীগীতার উত্‍পত্তি আর ও অনেক প্রাচীন ।

শ্রীমদ্ভগবদগীতার ৪র্থ অধ্যায়ের প্রথম শ্লোকে এর উত্‍পত্তি ও ইতিকথা সর্ম্পকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে ।


ইমং বিবস্বতে যোগং প্রোক্তবানহমব্যয়ম্‌ ।
বিবস্বান্‌মনবে প্রাহ মনুরিক্ষ্বাকবেহব্রবীত্‍ । ৪/১


অনুবাদ :
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন – আমি পূর্বে সূর্যদেব বিবস্বানকে এই অব্যয় নিষ্কাম কর্মসাধ্য জ্ঞানযোগ করেছিলাম । সূর্য তা মানব জাতির জনক মনুকে বলেন এবং মনু তা ইক্ষ্বাকুকে বলেছিলেন ।


শ্রীমদ্ভগবদগীতার উত্‍পত্তি ইতিহাস অতি পুরাতন । পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজেই শ্রীগীতার ইতিহাস বর্ণনা করেছেন । সূর্যকে একটি শক্তিরূপে কল্পনা করে প্রাচীন কাল থেকে তাকে দেবতা হিসেবে মনে করা হত। তিনি সকল গ্রহের রাজা । অশেষ তেজবিশিষ্ট এবং জগতের চক্ষুস্বরূপ । মানুষ যেমন চক্ষু ব্যতীত কোন কিছু দেখতে পায়না তেমনি সূর্য ছাড়া সারা পৃথিবী অন্ধকার । তিনি অন্যান্য গ্রহকে তাপ ও আলো দান করেন । ভগবান অতি কৃপা করে প্রথম শিষ্যরূপে সূর্যদেব (বিবস্বান)কে গ্রহণ করেন এবং তাকে শ্রীমদ্ভগবদগীতার সমুদয় জ্ঞান করেছিলেন এবং পরবর্তীতে বিবস্বানের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রহের রাজাদেরকেও তা দান করেছিলেন ।পৃথিবীতে যখন ত্রেতা যুগ শুরু হয় তখন তার প্রারম্ভে ভগবত্‍তত্ত্ব জ্ঞান বিবস্বান (সূর্যদেব) মানব জাতির জনক মনুকে দান করেন । মনু পরবর্তীকালে এই তত্ত্বজ্ঞান তার পুত্র সসাগরা পৃথিবীর অধিশ্বর এবং রঘু বংশের জনক ইক্ষ্বাকুকে দান করেন । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে রঘু বংশে শ্রীরামচন্দ্র আর্বিভূত হন । অতএব এই শ্রীগীতার তত্ত্ববাণীর জ্ঞান শুরু থেকে শিষ্যতে পরম্পরাক্রমে ধারাবাহিকভাবে প্রচারিত ও প্রবাহিত হয়ে আসছে । কিন্তু এক সময় এই পরম্পরা ছিন্ন হয়ে যায় এবং এই জ্ঞান আমরা হারিয়ে ফেলি । তাই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজে এসে আবার এই জ্ঞান দান করলেন ।
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যখন সূর্যদেব বিবস্বনকে শ্রীমদ্ভগবদগীতা শোনান তখন অর্জুনও অন্যকোন রূপে সেখানে উপস্থিত ছিলেন । কিন্তু ভগবানের সাথে পার্থক্য হচ্ছে যে , অর্জুন তা ভুলে গেছেন । কিন্তু ভগবান তা ভোলেন নি । তাই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শ্রীগীতার ৪র্থ অধ্যায়ের ৫ম শ্লোকে বলেছেন-


বহূনি মে ব্যতীতানি জন্মানি তব চার্জুন ।
তান্যহং বেদ সর্বাণি ন ত্বং বেত্থ পরন্তপ ॥ ৪/৫


অনুবাদঃ
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন – হে পরন্তপ অর্জুন, আমার এবং তোমার বহু জন্ম অতীতে হয়েছে । আমি সেই সমস্ত জন্মের কথা স্মরণ করতে পারি কিন্তু তুমি তা পারো না ।


মানুষ কথনো পূর্ব জন্মের ঘটনা প্রবাহ জানতে পারেনা । তাই দ্বাপর যুগে অর্জুন কুরুক্ষেত্রের ধর্মযুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁর বিপক্ষীয় কুরুবংশের আত্মীয় স্বজনদের বধ করে রাজ্য লাভ করতে কিছুতেই রাজী হচ্ছিলেন না । কিন্তু পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সেই পূর্বে প্রচারিত শ্রীমদ্ভাগবদগীতার বাণী পুনরায় শোনানোর কারণে অর্জুনের জ্ঞান ফিরে আসে এবং ধর্মযুদ্ধ করতে মনস্থির করলেন ।

Krishna

Visita alla grotta del Sogno

18 Dicembre 2016: rotta verso il centro della Terra!

Visita guidata alla bellissima Grotta del Sogno, o “del Monte Capriolo”, a Roverè Mille (VR).

Un’ottima occasione per penetrare ambienti nascosti e ammirarne la magica bellezza, le straordinarie forme di vita, la storia. 19 more words

Visite Guidate

ভগবানের অবতরণ মাহাত্ম্য পাঠ : দুঃখদুর্দশা থেকে মুক্তি

“যে মানুষ মনোযোগ সহকারে ভগবানের রহস্যপূর্ণ প্রকট অর্থাৎ অবতরণের কথা সকাল এবং সন্ধায় ভক্তিপূর্বক পাঠ করেন, তিনি জড় জগতের সমস্ত দুঃখ-দুর্দশা থেকে মুক্ত হন।” (শ্রীমদ্ভাগবত, ১.৩.২৯)

ভগবদগীতায় ভগবান ঘোষণা করেছেন যে, কেউ যদি তত্ত্বগতভাবে ভগবানের জন্ম এবং কর্ম সম্বন্ধে অবগত হয়, তাহলে সে দেহত্যাগের পর জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে ভগবদ্ধামে ফিরে যেতে পারে। তাই কেবল পরমেশ্বর ভগবানের রহস্যাবৃত অবতরণের কথা তত্ত্বত জানতে পারলে জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া যায়। তাই জগজ্জীবের মঙ্গলের জন্য ভগবান যে তাঁর জন্ম এবং কর্ম এই জগতে প্রকাশ করেন তা সাধারণ নয়। তা রহস্যজনক, এবং যাঁরা ভক্তি সহকারে অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে তার গভীরে প্রবেশ করেন, তাঁদের কাছেই কেবল এই রহস্য উদ্ঘাটিত হয়। এইভাবে জীব জড় বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারে। সেই জন্যই ভগবানের আবির্ভাব এবং বিভিন্ন অবতরণের কথা বর্ণিত হয়েছে এবং কেউ যদি কেবল ঐকান্তিক ভক্তি সহকারে তা পাঠ করেন, তাহলে তিনি ভগবানের দিব্য জন্ম এবং কর্ম সম্বন্ধে অন্তর্দৃষ্টি লাভ করতে পারেন।

হরিবোল!

Krishna

Organisation : Updated gita And lifestyle/tapana page.

I spent a while today on sorting. I’ve added links to the new posts on gītā to the bhagavadgita page.

And the links to all the new general posts to the  page lifestyle/2016-tapana/. 201 more words

Ancient Indians

gītādhyayana : Progress in my study of the bhagavad gītā.

I finally have reached a stage where I can read/chant bhagavad-gītāyā: ślökā: and understand directly as I read. And think about a related set of verses in conjunction. 317 more words

Ancient Indians