নাসরিন সিরাজ এ্যানী
ঠোঁটকাটার “আন্তর্জাতিক নারী দিবসের বিশেষ সংখ্যা” উপলক্ষ্যে আমার ব্লগটিকে “নারীর পক্ষে যাওয়া যখন বিপদ জনক” এর ধারাবাহিক বলা যেতে পারে। আগের ব্লগটিতে আমার আপত্তি ছিল মানুষের বাচ্চা যারা মারছে বা হত্যকারীদের সালাম দিচ্ছে তাদের প্রথাবিরোধী সাহসী নারী হিসেবে বা বীর হিসেবে মেনে নিতে। আমি চিহ্নিত করেছিলাম যে সাম্প্রতিক বিশ্বে সামরিক বাহিনীতে, যুদ্ধ ও মৃত্যু উৎসবে যুক্ত নারীদের বীর বলে যারা বাহবা দিচ্ছেন তারা সাহস বা বীরত্ব ধারণাগুলোর অর্থ বিকৃত করে বুঝেছেন, ফলে কোন নারীটি আসলে বীর সেটা তারা ভুল জায়গায় খুঁজছেন। এই লেখায় আমি হাজির করবো মানুষের বাচ্চা পৃথিবীতে জন্মানোর কালে যারা সাহস করে নিজেদের হাতকে বাড়িয়ে দিচ্ছেন, যাদের আমরা সাধারণভাবে দাই বা দাই মা বলে চিনি, তাদের কথায় ও কাজে কিভাবে সাহস ও বীরত্বের অর্থ ধরা দিয়েছে সেই দিকটি। এখানে আমি আবার দীর্ঘ সময়ের নারীবাদী আন্দোলনের অর্জনকে অপব্যবহার করে সুবিধাবাদী নারীদের জয়গান গাইবার সাম্প্রতিক ট্রেন্ডকে ধিক্কার জানাই। আর যেসব নারী দেখতে গরীব আর অসুন্দর আর বুড়ো বলে পত্রপত্রিকার নারীদিবসের বিশেষ সংখ্যার প্রচ্ছদে অদৃশ্য থেকে গেছেন সেই সব সত্যিকারের বীর নারীদের সালাম জানাই।