Tags » Incest

Man rapes own seven-year-old daughter nine times for money making ritual 

55-year-old man allegedly rapes seven-year-old daughter nine times for ritual purposes



An Ado-Ekiti Chief Magistrate Court on Tuesday ordered the remand of a 55-year-old man, Adeyanju Basiri, in prison custody for allegedly raping his daughter. 188 more words

Come Here

“Come here,” she said. I unbuttoned my polo and slid off my slacks. She lay on the bed, her body with its porcelain skin bathed in the light of her room. 200 more words

Love

Now on @Excitica!

The four novel-length volumes of the “Our Love, After Dad Died” series are now available on Excitica.com:

First Year After

Second Year After

Third Year After

Fourth Year After

EBook

Book Review of "Forbidden" by Tabitha Suzuma

I was in the mood to read some YA drama, of which I don’t own much, so I went to Goodreads and begin to search. I came across  728 more words

Your lunchtime limerick 19/9/17

On losing one’s faith.

A handsome poor priest name of Chad

Found that boobies they made him most glad

So he gave up the life… 52 more words

Fun

Adding Titles to Excitica!

I have decided to start adding my taboo/incest titles to Excitica, to see how they do there.

First up is my latest release, “Family Love” 40 more words

EBook

পায়েল আপু

আমি তমাল। টিপিক্যাল মধ্যবিত্ত ঘরের বর্ণচোরা আম বলতে যা বুঝায় আমি তাই। দেখতে শুনতে গোবেচারা টাইপের। কিন্তু আমার চোখ কান ফাঁকি দিয়ে জগত সংসারে খুব কম জিনিসই ঘটে থাকে। যাই হোক ভনিতা না করে সরাসরি নিজের বক্তব্য তুলে ধরতেই অভ্যস্ত আমি। পায়েল আমার বোন। সে আমার চেয়ে বড়। আগেই বলেছি আমার চারপাশে ঘটে যাওয়া যাবতীয় বিষয়াদির প্রতি থাকে আমার তীক্ষ্ণ নজর। সম্ভবত এ কারনেই একদিন আমাদের বিল্ডিঙের পেছনে ক্রিকেট খেলার বল কুড়াতে গিয়ে মানব মানবীর শরীর নিয়ে গোপন এক খেলার সন্ধান পাই আমি। আমার বয়স তখন আট কি নয়। আমরা তখন বাবার চাকুরি সূত্রে পাওয়া সরকারি কোয়ার্টারে থাকি। আমাদের বিল্ডিং এর পেছন দিকটায় ছিল বেশ বড় একটা ঝোপ। সেই ঝোপের ভেতরে একদিন দুটি কিছু নড়াচড়ার আভাষ পেয়ে চুপিচুপি এগিয়ে যাই আমি। যা দেখি তার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না আমি। ওই বয়সে ব্যাপারটা অত স্পষ্ট বুঝে উঠতে পারি নি। তবে এটুকু আন্দাজ করেছিলাম যে এটা এমন একটা নিষিদ্ধ ব্যাপার যা লোকচক্ষুর আড়ালে করা বাঞ্ছনীয়। সেদিন সন্ধ্যা নামার ঠিক আগ মুহূর্তে নির্জন ঝোপের এককোণে আমাদের পাশের কোয়ার্টারের শিলা অ্যান্টিকে পুরোপুরি ন্যাংটো করে নিচে শুইয়ে ইচ্ছামত ভোগ করছিল রবিন ভাইয়া। তাদের দুজনের কেউই লক্ষ্য করেনি আমাকে। কিন্তু শরীর নিয়ে তাদের নগ্ন এই খেলা আমার কাছে মনে হচ্ছিল যেন অলৌকিক কোন ব্যাপার স্যাপার। এদিকে টের পাচ্ছিলাম আমার দুই পা কেঁপে কেঁপে কেন যেন অবশ হয়ে যাচ্ছে। তাই আমি আর সেখানে দাঁড়িয়ে না থেকে দ্রুতবেগে সেখান থেকে প্রস্থান করি। যাই হোক,এই ব্যাপারটা পরবর্তীতে আমি কারো সাথেই শেয়ার করিনি। কিন্তু আমার মন থেকে কখনই ব্যাপারটাকে ঝেড়ে ফেলতে পারিনি পুরোপুরি। আমার এই অভিজ্ঞতা অবশ্য পরে কাজে লেগেছিল। কিভাবে? এর বছর খানেক পরে যখন আমি ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন ঘটল একটা মজার ঘটনা। আমার তখনকার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল জনি। ওর বড় ভাইয়ের নাম ছিল রনি। এসএসসি পাশ করার পর ওর বড় ভাই ভর্তি হয় ঢাকার এক কলেজে এবং ঠিক হয় রনি ভাই সেখানে তার এক মামার বাসায় থেকে পড়বে। রনি ভাই যেদিন ঢাকার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাল তার দিন পাঁচেক পরে জনি হাজির হল বেশ কয়েকটা (কমপক্ষে পাঁচ ছয়টা তো হবেই) নিউজপ্রিন্ট কাগজে ছাপা চোটি গল্পের বই নিয়ে। ওর চোখ মুখের উত্তেজনা দেখে বোঝা যাচ্ছিল ও মারাত্মক কিছু একটা আবিষ্কার করেছে। ছুটির পর আমাকে ফাঁকা মাঠের এক কোণে নিয়ে গিয়ে বইগুলো দেখাল। তারপর বলল,’ভাইয়া চলে যাওয়ার পর এই বইগুলো ভাইয়ার ঘরে লুকানো অবস্থায় পেয়েছি।’জানা গেল প্রত্যেকটা বইয়েরই কিছু কিছু পরেছে ও। কিন্তু যৌনতার বিষয়ে আগে থেকে কোন ধারনা না থাকায় বইগুলো পড়েও খুব ভাল বুঝতে পারে নি জনি। তার উপর বাংলা গল্পও সাবলীলভাবে রিডিং পড়তে তখনো বেগ পেতে হত ওকে। তাই শেষে আমার সাহায্য চাইল। আমি যেন বইগুলো পড়ে পুরো ব্যাপারটা ওকে বুঝতে সাহায্য করি এই ছিল ওর মতলব। বইগুলোর মলাটের দিকে চোখ পড়তেই আমার বুক ঢিপ ঢিপ করতে লাগল। চোখের সামনে থেকে যেন আচমকা একটা পর্দা সরে গেল। শিলা অ্যান্টি আর রবিন ভাইয়ার উদ্দাম সেক্স করার সেই মুহূর্তগুলো যেন দীর্ঘ শীতনিদ্রা শেষে স্মৃতির গুহ্যদ্বার দিয়ে বেরিয়ে এসে তুলকালাম কাণ্ড বাধিয়ে দিলো আমার মনের গোপনতম গহবরে। আমি ওর প্রস্তাবে এককথায় রাজি হয়ে গেলাম। পারলে সবগুলো বইই ওর হাত থেকে ছিনিয়ে নেই আর কি! কিন্তু ও সবগুলো বই হাতছাড়া করল না। যাই হোক অবশেষে দুটো বই ব্যাগের ভিতরের অন্য বইয়ের চিপায় লুকিয়ে নিয়ে প্রায় ঝড়ের বেগে বাসায় ফিরলাম। কিন্তু বাসায় মূল সমস্যা পায়েলকে নিয়ে। কিন্তু পায়েলকে চোখের আড়াল করতেই যা প্রবলেম। ঘুমাতাম এক বিছানায়। তাই পায়েলকে এড়িয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে কোন বই পড়ে শেষ করা আমার জন্য অনেকটা অসাধ্য সাধনের মতো ব্যাপার ছিল। ভাগ্য ভাল বাসায় ফিরে দেখি পায়েল বাইরে গেছে। ভার্সিটিতে ভর্তি হবার পর পায়েলর কখন কখন ক্লাস থাকে তা বুঝা আমার জন্য ভারী কঠিন হয়ে গিয়েছিল। ইন্টার পাস করার পর পায়েলর বিয়ের জন্য ঘন ঘন প্রস্তাব আসতে লাগল। কিন্তু পায়েল নাছোড়বান্দা। অনার্স পাস না করে বিয়ের পিড়িতে বসতে কিছুতেই রাজি করানো গেল না তাকে। পায়েল পড়াশুনা চালিয়ে যায়। ছাত্রী হিসেবে পায়েল বরাবরই মেধাবী। যাই হোক,সেদিন বাসায় ফিরে দেখি পায়েল ঘরে নেই। খেয়ে নিয়েই ঘরে ঢুকে দিলাম দরজা বন্ধ করে। তারপর বিছানায় শুয়ে শুয়ে পড়তে শুরু করলাম আমার জীবনের প্রথম চোটি গল্পের বই। যদিও প্রথম প্রথম ভাষার মারপ্যাঁচ বুঝতে কিছুটা বেগ পেতে হল কিন্তু আগে থেকে কিছুটা ধারনা থাকায় ধীরে ধীরে আত্মস্থ করতে লাগলাম গল্পের মধ্যে ঘটে যাওয়া ব্যাপারগুলো। আমার থেকে বয়সে যারা বেশ কিছুটা বড় এমন ছেলেদের সাথে মেশার অভিজ্ঞতা ছিল আমার। ভাল বল করতে পারতাম বলে বড়রা প্রায়ই আমাকে খেলতে ডাকত। অবশ্য আমার বয়সী অনেককেই তারা কাছেও ঘেঁষতে দিত না। পাড়ার বড় ভাইদের সাথে মেশার ফলে তাদের কাছ থেকে সেক্সের ব্যাপারে একটা আবছা ধারনা পেয়েছিলাম। যদিও তারা আমার সাথে সরাসরি কোন আলাপ করত না,নিজেদের মধ্যে অনেক কিছুই শেয়ার করত। আমি কান খাড়া করে সেসব শুনতাম। তবে এসব ব্যাপার বুঝতে সবচেয়ে যে ব্যাপারটা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছিল সেটা অবশ্যই শিলা অ্যান্টি ও রবিন ভাইয়ের সেই ব্যাপারটা। পড়তে পড়তে কখন যে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল আমি বুঝতে পারিনি। হঠাত দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ পেয়ে তাড়াতাড়ি উঠে বসলাম। বইটাকে বিছানার এক কোণে লুকিয়ে রেখে দরজা খুলে দেখি পায়েল দাঁড়িয়ে আছে। পায়েল ভেতরে ঢুকেই জিজ্ঞেস করল, ‘কিরে এসময় দরজা জানালা বন্ধ করে কি করছিস?’ আমি কিছুটা থতমত খেয়ে বললাম,’ শরীরটা ভাল লাগছে না তাই শুয়ে ছিলাম।’ পায়েল বলল, ‘ তা জানালাগুলো বন্ধ রেখেছিস কেন?’ আমি এবারও আমতা আমতা করেই জবাব দিলাম, ‘ঠাণ্ডা লাগছিল তাই বন্ধ করেছিলাম।’ পায়েল হাত দিয়ে দেখল আমার গায়ে জ্বর আছে কিনা। তারপর গিয়ে জানালা খুলে দিলো। আমি আর কিছু ভেবে না পেয়ে তড়িঘড়ি করে বাথরুমে গিয়ে প্রবেশ করলাম। গল্পগুলো পড়ে খুবই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম। তার উপর পায়েলর কাছে ধরা পড়ার ভয়ে তখন রীতিমত ঘামছি। আমি প্যান্ট এর চেইন খুলে প্রস্রাব করতে যেতেই দেখলাম প্যান্টের নিচের দিকটা ঘন বীর্যে ভিজে একাকার হয়ে আছে। এতক্ষণ সেটা খেয়ালই করিনি। ভয়ে আবারও কুঁকড়ে যেতে থাকলাম। পায়েল যদি এটা খেয়াল করে থাকে! বীর্যটা হাত দিয়ে পরিষ্কার করতে যেতেই ভয়ানক আঁশটে একটা গন্ধ পেলাম। খুব ভয় পেয়ে গেলাম। এই অবস্থায় আবার পায়েলর সামনে ফিরে যাব কি করে? যাই হোক, সবকিছু যতটা পারলাম ঠিকঠাক করে নিয়ে ঘরে ফিরেই খাটের উপর শুয়ে পড়েই কম্বলের নিচে শরীর ঢাকলাম। কিন্তু কম্বলের নিচ থেকে চোখ বার করতেই আমার চোখ আটকে গেল পায়েলর শরীরে। পায়েল তখন ঘরের এক কোণে কাপড় পালটাচ্ছিল। অন্য কোনদিন নিশ্চয়ই ব্যাপারটা আমার খুব একটা চোখে পড়ত না। কিন্তু একটু আগেই মানব মানবীর শরীরী খেলার উগ্র বর্ণনা পড়েছি। মাথায় তখনো সেগুলোর চিন্তাই গুরপাক খাচ্ছিল। আমি কম্বলের ভেতর থেকে চোখ বড় বড় চোখে পায়েলর যৌবনভরা দেহটাকে নতুন এক দৃষ্টি দিয়ে দেখতে লাগলাম। তবে খুব বেশিক্ষন তাকিয়ে থাকার সুযোগ হল না। বাইরে থেকে ফিরে পায়েল গোসল না করে থাকতে পারত না। পায়েল কাপড় ছেড়ে গোসল করতে চলে গেল। আমার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় পায়েলর মাই দুটোকে খুব কাছ থেকে দেখতে পেলাম। পায়েল চলে যেতেই টের পেলাম আমার ধনটা কম্বলের নিচে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

আমার হাতটা যেন আপনাআপনিই প্যান্টের নিচ থেকে ধনটাকে টেনে বের করে নিয়ে এলো। আমি বেশ কিছুক্ষণ আমার ঠাটিয়ে ওঠা ধনটার গায়ে হাত বুলালাম আর তারপর নিজের অজান্তেই আমার জীবনের প্রথম হস্তমৈথুনে প্রবৃত্ত হলাম। এবং সেটা আমার আপন বড় বোনকে কল্পনা করে! আর এক প্রস্থ বীর্যে আমার প্যান্ট ভিজে গেল। বীর্য বেরিয়ে যাওয়ার পর যেন আমার হুশ ফিরল। আমি মনে মনে অনুতপ্ত হতে লাগলাম এই ভেবে যে নিজের আপন বড় বোনকে নিয়ে এরকম চিন্তা করা নিশ্চয়ই উচিত নয়। আমার মনে হল আমিই যেন পৃথিবীর প্রথম মানব যে কিনা তার বড় বোনের সাথে সেক্স করার কথা চিন্তা করেছে!অনুতপ্ত আর ক্লান্ত হয়ে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম জানিনা। পায়েলর ডাকেই ঘুম ভাঙল আমার। পায়েল আমার ঘুম ভাঙিয়েছিল রাতের খাবার খেতে। তারপর কপালে হাত দিয়ে দেখল আমার শরীরে জ্বর আছে কিনা। বলল, ‘না, জ্বর তো উঠেনি। আজ নিশ্চয়ই স্কুলে খুব দুষ্টুমি করেছিস। তাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিস। চল চল রাতের খাবার খেয়ে তারপর আবার ঘুমুস।’ আমি চোখ ডলতে ডলতে গিয়ে খাবার টেবিলে গিয়ে হাজির হলাম। খেতে খেতে ঘুম কেটে গেল। ইচ্ছে হতে লাগল বাকি চোটি গল্পগুলো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেষ করে ফেলতে। কিন্তু কিছুতেই ঠিক করে উঠতে পারছিলাম না পায়েলর চোখ ফাঁকি দিয়ে কি করে সেটা সম্ভব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উপায় একটা বের করে ফেললাম। বই দুটো জামার ভেতর লুকিয়ে নিয়ে বাথরুমে গিয়ে ঢুকলাম। তারপর বাথরুমে বসে বসেই বাকি গল্পগুলো শেষ করলাম। কয়েকটা গল্প পড়ে তো আমার বিস্ময়ের আর সীমা রইল না। আমি আরও উত্তেজিত হয়ে উঠলাম। পায়েলকে কল্পনা করে আরও দুইবার হস্তমৈথুন করলাম বাথরুমে বসেই। বাথরুম থেকে ঘরে ফিরে দেখি পায়েল লাইট নিভিয়ে শুয়ে পড়েছে। আমি ভাবলাম পায়েল ঘুমিয়ে পড়েছে। বই দুটো তোষকের তলায় রেখে যখন শুয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি ঠিক তখন পায়েল বলে উঠল, ‘কিরে তমাল, এতক্ষণ বাথরুমে বসে কি করলি?’ আমার বুকটা ধক করে উঠল। আপু কি কিছু আন্দাজ করতে পেরেছে? মনের ভেতরে বয়ে যাওয়া ভীতি আর উত্তেজনার ঝড়টাকে যতটা সম্ভব সামলে রেখে জবাব দিলাম, ‘ কই কিছু নাতো! বাথরুম হচ্চিল না তাই বসেছিলাম।’পায়েল আর কিছু বলল না। চিত হয়ে শুয়ে ঘুমুতে চেষ্টা করল। আমি আড়চোখে পায়েলকে দেখতে লাগলাম। এতদিন ধরে পায়েলর সাথে শুয়েও পায়েলর যুবতী দেহটির অঢেল সৌন্দর্য এমন করে কখনও চোখে পড়ে নি! ভাবতে ভাবতে আর পায়েলর শরীরের সব মধু চোখ দিয়ে শুষে নিতে নিতে একসময় ঘুমের রাজ্যে তলিয়ে গেলাম আমি। বেশ কয়েকবার হস্তমৈথুন করে আমার শরীর নিশ্চয়ই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। সকালে ঘুম ভাঙল বেশ দেরিতে। তাড়াতাড়ি নাস্তা সেরে ব্যাগ-ট্যাগ গুছিয়ে যখন তোষকের নিচে বই দুটোর জন্য হাত দিতেই ধক ধক করে উঠল বুকটা। একি! বই দুটো তো নেই! প্রথমে কিছুই ভেবে উঠতে পারছিলাম না। ভয়ে শুধু কুঁকড়ে কুঁকড়ে যাচ্ছিলাম। কে নিতে পারে বইটা? আম্মা? নাহ্,আম্মার তো সকালবেলা এসে আমার তোষকের নিচে হাত দেওয়ার কথা নয়। তাহলে কি পায়েল নিয়েছে? আমি দুরু দুরু বুকে পায়েলর সামনে গিয়ে হাজির হলাম। বইয়ের কথা জিগ্যেস করতেই পায়েল অস্বীকার করল। বলল কোন বই-টই সে তোষকের তলায় দেখে নি। তাছাড়া ভোরবেলায় উঠে তোষকের তলায় হাত দিতে যাবে কেন ও? পায়েল ছাড়া বাকি থাকল শুধু বুয়া। বুয়া রোজ দুবেলা কাজ করতে আসে। বুয়া বোধ হয় সকালের কাজ সেরে চলে গেছে। আবার বিকেলে এসে কিছু কাজ করে দিয়ে যাবে। কিন্তু বুয়া ওই বই নিয়ে কি করবে? ও কি পড়তে পারে? দুশ্চিন্তায় দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম আমি। এদিকে স্কুলের দেরি হয়ে যাবে বলে আম্মা তাড়া দিতে লাগল। অবশেষে এই কঠিন সমস্যার কোন কূলকিনারা না করেই স্কুলের দিকে যাত্রা করলাম আমি। জনির সাথে দেখা হতেই ও বই দুটোর কথা তুলল। আমি আমতা আমতা করে শেষ পর্যন্ত বলেই ফেললাম যে আমি বই দুটো হারিয়ে ফেলেছি। শুনে জনি তো বেশ রেগে গেল। এখন রনি ভাইয়ের কাছে কি জবাব দেবে ও? আমি বললাম, তুইই যে বই দুটো নিয়েছিস তা তোর ভাই জানবে কি করে? তুই কিছুতেই মুখ খুলবি না,তাহলেই হল। আর আমি তো বাসায় গিয়ে বই দুটো খুজে বের করার চেষ্টা করবই।’ কিন্তু রনিকে তবু শান্ত করা যাচ্ছিল না। অবশেষে আমি ওকে কিছু টাকা দেওয়ার কথা বলে পায়েলতত শান্ত করতে চাইলাম। কিন্তু গাড়লটা সুযোগ বুঝে একশো টাকা চেয়ে বসল। অবশেষে কি আর করা টিফিনের টাকা থেকে যা জমিয়েছিলাম সব ওকে দিয়ে দিলাম। বাকি টাকা পরে জোগাড় করে দেওয়ার কথা বলে সে যাত্রা রক্ষা পেলাম আমি। স্কুল থেকে বাসায় ফিরে বুয়ার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। বুয়া এলো কিন্তু পায়েল আর মার সামনে বুয়াকে কিছু বলার সাহস পাচ্ছিলাম না। শেষে যদিও বুয়াকে পাকড়াও করলাম কিন্তু বুয়া যা বলল তাতে আমি আবার অকূল পাথারে পড়লাম। আমার কোন বই নেয়া তো দূরে থাক বুয়া বলল সে সকালবেলায় কাজেই আসতে পারে নি। তবে নিশ্চয়ই বই দুটো পায়েলর হস্তগত হয়েছে। কিন্তু দুজনের কারো হাবভাব দেখে কিছুই বুঝা যাচ্ছে না। আমাকে শাসন করা তো দূরের ব্যাপার,আমাকে বুঝতেই দিচ্ছিল না বই দুটো ঠিক ঠিক কার কাছে আছে!আমি যখন ভেবে ভেবে কোন কূলকিনারা করতে পারছি না আবার লজ্জা আর ভয়ে কারো সাথে কিছু শেয়ারও করতে পারছি না তখন হঠাত পায়েল নিজে থেকেই এসে জিজ্ঞেস করল, ‘এই তোর বই পেয়েছিস?’ আমি পায়েলর মুখের দিকে না তাকিয়েই বললাম, ‘না।’ পায়েল বলল, ‘ভালো করে খুঁজে দেখেছিস তো?’ আমি কি বলবো ভেবে না পেয়ে মাটির দিকে তাকিয়ে মাটির সাথে মিশে যেতে যেতেই বললাম, ‘পায়েল ঐ বই দুটো আমার এক বন্ধু আমাকে দিয়েছে। তুমি নিয়ে থাকলে দিয়ে দাও। বই দুইটা ফেরত না দিলে ও অনেক ঝামেলা করবে।’ পায়েল বলল, ‘বলিস কি? তাহলে ওর বই তুই এনেছিস কেন?’ আমি আমতা আমতা করে বললাম, ‘আমি আনি নি, ওই আমাকে জোর করে দিয়েছে। এখন ওকে বই ফেরত না দিতে পারলে ওকে একশো টাকা দিতে হবে। এত টাকা আমি কোথায় পাব বল? প্লিজ পায়েল তুমি জানলে বলে দাও। এই কান ধরছি ওর কোন বই আর কোনদিন আনব না।’ পায়েল বলল, ‘ ঠিক আছে তোকে টাকা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না, আমার কাছ থেকে নিয়ে নিস।’ আমি কিছু না বলে চুপ করে রইলাম। রাতে অল্প খেয়ে তাড়াতাড়ি এসে বিছানা নিলাম। ঘুম আসছিল না। ঘাপটি মেরে বিছানায় পড়ে থেকে আবোলতাবোল ভাবছিলাম। পায়েল টেবিলে বসে পড়ছিল। বোধহয় কিছুটা তন্দ্রামত এসে গিয়েছিল। খেয়াল ফিরতেই দেখি পায়েল আমার কান টেনে ধরে বলছে, ‘এই পাজি কোথাকার! এসব বই কার কাছ থেকে জোগাড় করেছিস শুনি, তুই তলে তলে এতটা পেকে গিয়েছিস অথচ আমি কিনা এতদিন তোর সাথে এক বিছানায় শুয়েও টের পেলাম না! ভণ্ড!কতদিন থেকে এসব পড়ছিস শুনি?’ আমি পায়েলর আকস্মিক এই আক্রমণে থতমত খেয়ে ব্যাপারটা কি হচ্ছে সেটাই আন্দাজ করে উঠতে পারছিলাম না। পায়েলর হাতে ধরে থাকা আমার একটা চোটি গল্পের বই আর আপুর ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা দুষ্টুমিভরা হাসিটার দিকে চেয়ে শেষটায় বুঝে নিলাম কি হচ্ছে। আমি কালবিলম্ব না করে পায়েলর পা জড়িয়ে ধরলাম আর বলতে লাগলাম, তোমার পায়ে পরছি প্লিজ আব্বা আম্মাকে এসব কিছু বল না। আমি আর এসব বই পড়ব না।’ পায়েল আমার কান দুটোতে ধরে আমার মাথাটাকে উপরের দিকে তুলল। পায়েলর ঠোঁটে তখনো সেই হাসিটা লেগে আছে। তারপর বলল,’উঁহু, তোকে এত সহজে ছেড়ে দিলে হচ্ছে না। ঠিক আছে আব্বা আম্মাকে বলব না তবে আমিই তোর শাস্তির ব্যবস্থা করছি ‘ এই বলে আমাকে ছেড়ে দিয়ে টেবিলের উপর থেকে দুটো বইই নিয়ে এলো। তারপর আমার হাতে দিয়ে বলল, ‘নে তোর এসব বিশ্রী বই দুটোতে কি লেখা আছে সব আমাকে পড়ে শোনা। তোর মুখ থেকেই তোর বইয়ের গল্পগুলো শুনি। এসব বিশ্রী বিশ্রী কথা পড়তে গা ঘিনঘিন করছে আমার। নে শুরু কর।’ আমি বিস্মিত হয়ে বললাম, ‘কি বলছ , তোমার সামনে এসব গল্প পড়তে লজ্জা করবে তো!’ , ‘কেন লজ্জা করবে কেন,তোদের ছেলেদের আবার লজ্জা কিরে শুনি!’ বুঝতে পারছিলাম পায়েলর জেদ চেপেছে, তাই লজ্জা রেখে আর লাভ নেই। আমি একটা বই নিয়ে প্রথম গল্পটা আস্তে আস্তে পড়তে লাগলাম। পায়েল ধমকে উঠল, ‘এই তমাল আরও স্পষ্ট করে পড় বলচি। নইলে তোর হাড্ডিগুড্ডি গুঁড়ো করে দেবে।’ আমি মনে মনে সাহস সঞ্চয় করলাম। ঠিকই তো পায়েল যেহেতু লজ্জা পাচ্ছে না তাহলে আমি একজন ছেলে হয়ে কেন লজ্জা পাব। আমি জোরে জোরে পড়তে লাগলাম। পায়েল আমার সামনে চিত হয়ে শুয়ে শুয়ে গল্প শুনতে লাগল। পায়েলর বুকে তখন কাপড় ছিল না। নিশ্বাসের সাথে সাথে পায়েলর মাই দুটো উঠানামা করছিল।

আমি কিছুতেই পায়েলর বুক থেকে চোখ ফেরাতে পারছিলাম না। পায়েল চোখ বন্ধ করে গল্প শুনছিল। প্রথম গল্পটা পড়া শেষ হয়ে । আমার মাথা ভনভন করতে লাগল। ধন ঠাটিয়ে গেল। পায়েলর যৌবন ভরা শরীরটাকে সামনে নিয়ে এক দূর্বার কামনার আগুনে পুড়তে লাগলাম আমি। আমার যখন প্রায় খেই হারিয়ে ফেলবার দশা তখন পায়েল আমাকে মুক্তি দিলো। পড়া বন্ধ করে ডিম লাইটটা অন করে শুয়ে পড়তে বলল। আমি পড়া বন্ধ করে ডিম লাইট অন করলাম। কিন্তু আমার ধন ততক্ষনে ফুঁলে ফেঁপে জিপার ছিঁড়ে যেন বেরিয়ে আসছিল। আমি হস্তমৈথুন করতে বাথরুমে যাওয়ার জন্য দরজা খুলতে গেলাম। পায়েল পেছন থেকে দেকে উঠল, ‘তমাল, কোথায় যাচ্ছিস, একটু এদিকে আয় তো দেখি।’ পায়েল খাটের উপর বসেছিল। আমি পায়েলর কাছে যেতেই পায়েল সেই অবস্থাতেই আমাকে নিজের দিকে টেনে নিয়ে আমার ঠোঁটে অনেকক্ষণ ধরে চুমু খেল, তারপর আমার মাথাটাকে বুকের সাথে চেপে ধরে বলতে লাগল, ‘তমাল, চুদতে পারবি না ? তুই না চুদলে আমি বোধহয় আজ পাগল হয়ে যাব রে! পারবি তমাল আমাকে খুব জোরে জোরে চুদে দিতে? ইচ্ছে করছে তোকে দিয়ে চুদাতে চুদাতে আমার যোনির সব রস আজ বের করে দিতে। বল পারবি কিনা বল?’ পায়েলর কথা শুনে তো আমার উত্তেজনা চরমে উঠল। কোনরকমে হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম, ‘পারব । তুমি যেভাবে বলবে আমি সেভাবেই তুমাকে চুদব।’ আর দেরি না করে আমার প্যান্ট খুলে উত্তেজনায় কাঁপতে থাকা ধনটাকে হাতের মুঠোয় নিল। তারপর বলল, ‘হ্যা, তমাল। তুই পারবি। যা ভেবেছিলাম তার চেয়ে তোর ওটা অনেক বড়। আয় , আর দেরি করিস না। আমি আর পারছি না। তোর ধনটা আমার যোনিতে ঢুকিয়ে দে।’ বলতে বলতে পায়েল পায়জামা খুলে সম্পূর্ণ ন্যাংটো হয়ে গেল। নিচে প্যানটি পরা ছিল না। পায়েলর নগ্ন যোনিটা বেরিয়ে পড়ল। যোনির উপরটা সম্পূর্ণ কামানো ছিল। পায়েল দুটো আঙ্গুল দিয়ে তার ক্লাইটরিসটাকে একটু ঘষে নিল। তারপর দু আঙ্গুল দিয়ে যোনির মুখটাকে ঈষত ফাঁক করে আমার দিকে মেলে ধরল। গোঙাতে গোঙাতে বলল, ‘আয় তমাল আয়। চুদে চুদে পাগল করে দে, তোর যতক্ষণ যেভাবে ইচ্ছা হয় আমাকে লাগা, আমাকে চুদতে চুদতে মেরে ফেল।’ আমি কিছুটা উবু হয়ে আমার ধনটাকে পায়েলর যোনির কাছে নিয়ে গেলাম। পায়েল নিজেই সেটাকে যোনির মুখে সেট করে বলল, ‘আবার ঠাপানো শুরু কর, জোরে জোরে ঠাপা, যত জোরে পারিস, ঠাপাতে থাক ভাই।’ আমি ঠাপানো শুরু করলাম। পায়েলর যোনিটা ভিজেই ছিল কিন্তু তারপরও পায়েল তখনো কুমারী থাকায় পুরো ধন ঢুকিয়ে ঠাপাতে কষ্ট হচ্ছিল। ঠাপানোর প্রথমদিকে পায়েলর আর কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু যখন আমার ধনটা পায়েলর যোনিতে প্রায় পুরোটা ঢুকে গেল এবং আমিও মজা পেয়ে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম তখন কিন্তু পায়েল আবার সেই চোটি গল্পের নায়িকাদের মতো অশ্লীল কিস্তি করতে শুরু করে দিলো। পায়েলর মুখ দিয়ে যে এসব কথা বেরুতে পারে আর সেক্সের জন্য যে পায়েল এত পাগল সেটা আমার কল্পনাতেও ছিল না। ঠাপানোর তালে তালে পায়েল খিস্তি করে যাচ্ছিল, ‘ আঃ আঃ মরে গেলাম রে তমাল, চুদাচুদিতে এত সুখ! আমাকে আজ চুদতে চুদতে পেট বাধিয়ে দে। আঃ আঃ ওঃ আরও জোরে ঠাপা ভাই, ঠাপাতে ঠাপাতে আমার ভোদাটা ফাটিয়ে দে আজ।’ সেদিন রাতে পায়েলকে প্রায় দশ থেকে বার বার চুদেচিলাম। এরপর আমরা আর পিছনে ফিরে তাকাইনি। দুজনের দুটি শরীরের একটি অপরটির সঙ্গে এক অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণে সময়ে অসময়ে জোড়া লেগে যেত। শরীর নিয়ে এমন কোন এক্সপেরিমেন্ট নেই যা আমরা দুজন করি নি। জনিকে একশো টাকা দিয়েছিলাম আমি। আসলে পায়েলই দিয়েছিল। জনির কাছে যতগুলো চোটি গল্পের বই ছিল তার সবগুলো একে একে এনে আমি নিজে পড়ে পড়ে পায়েলকে শুনিয়েছিলাম। মাঝে মাঝে আবার পায়েল পড়ত আর আমি শুনতাম। এ ব্যাপারটা দুজনেই খুব এনজয় করতাম। এভাবে ধীরে ধীরে আমাদের অবস্থা এমন হল যে রাতে চোটি গল্প পড়ার আসর না জমালে দেদারসে চুদাচুদি করেও যেন পুরোপুরি তৃপ্তি পেতাম না। চোটি গল্প পড়ার ঐ বাতিক থেকেই চোটি গল্পের বইয়ের একটা বড় সংগ্রহ গড়ে তুলেছিলাম । পায়েলকে চুদার সময় পায়েল যখন সেসব বই থেকে খিস্তি দিত তখন চুদাচুদির মজাটাই যেন বেড়ে যেত দ্বিগুণ। তবে আমাদের সময় চোটি গল্পের বই পাওয়াটা বেশ মুশকিলের ব্যাপার ছিল আর বইগুলোর মানও খুব ভাল ছিল না। আর বইয়ের বর্ণনাগুলোও ছিল বেশ অগোছালো। যেদিন মোটামুটি ভাল কোন গল্প হত সেদিন পায়েল ঘণ্টার পর ঘণ্টা চুদাচুদি করতেও আপত্তি করত না। আমি বুঝতে পারতাম ভাল কোন গল্প বলে পায়েলকে উত্তেজিত করতে না পারলে চুদাচুদিতে সুখ পেত না পায়েল। আর এ কারনেই একসময় আমি নিজেই চোটি গল্প লিখতে শুরু করি। আর এভাবেই ধীরে ধীরে আমি হয়ে উঠি চোটিগল্প লেখক। জানিনা এক চোটিগল্প লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের এই কথাগুলো পাঠকদের কতটুকু আনন্দ দিলো। তবে আমি এই লেখাটা লেখার সময় আমি আনন্দ পেয়েছি প্রচুর। পায়েল এখন আমার কাছে নেই। কিন্তু অনেকদিন পর খুব নিবিড়ভাবে স্মরণ করলাম পায়েলকে। অতীতের স্মৃতি মন্থন করতে করতে এইমাত্র পায়েলকে যেন পাগলের মতো চুদতে চুদতে পায়েলর বিশাল দুধ দুটো মলতে মলতে ঠোঁট চুষতে চুষতে যোনিতে বীর্য ঢেলে দিলাম। হ্যা, অনেকদিন পর পায়েলকে ভেবে ভেবে হস্থমৈথুন করলাম আমি। পায়েলর পর আমার জীবনে অনেক নারীর আগমন ঘটেছে। কিন্তু পায়েলর মতো এমন কামুকী আর মোহময়ী কোন রমণীর সাক্ষাত পাই নি আমি। আমাদের দুজনের বুঝাপড়া ছিল এককথায় অসাধারণ।

Incest