Tags » Movie Discussion

Ready Player One Review: A Good, Yet Very Flawed Film

I know I’m technically a month late to this, but I recently saw Ready Player One. This is one of the biggest nerd movies to come out this year, and it ended up getting a lot of buzz because of it. 1,452 more words

Anime Stuff

My Thoughts on Avengers: Infinity War

“Incredible”

With a running time of almost 3 hours (2 Hours 40 Minutes) Infinity War is the longest movie in the MCU and I didn’t feel like it dragged at any point. 272 more words

Movie Discussion

Discussion Time - Where Have All the Good YA Movie Adaptations Gone? And Why Hollywood Needs to Respect the Readers!

There was once the golden age of young adult cinema. You had Twilight, Hunger Games, and of course, the last few Harry Potter films, each breaking more records than the last. 1,198 more words

Books

The Importance of Atmosphere in Horror Movies

Friends! So, you might have noticed but I went on a fun little horror movie binge last week. It was a lot of fun and got me thinking about… 723 more words

Discussion Time - Why I Love the Women of Black Panther and What We Should Learn From Them (No Movie Spoilers)

Lately, female superheroes and other kickass women have gotten more attention in the media, which is amazing. The problem with this? Well, most of these women are actually physically portrayed in pretty sexist ways. 1,104 more words

Book Blogger

সিনেমালোচনা #০৬ঃ Raw(2016)

Watch My Review –

আজকে ফ্রেঞ্চ বেলজিয়ান হরর ফিল্ম ‘র’ নিয়ে কথা বলব।’র’ রিলিজ হইছে ২০১৬ সালে,written and directed by Julia Ducournau and starring Garance Marillier,Ella Rumpf ইত্যাদি।
‘র’ একটা কামিং অফ এজ হরর ড্রামা ফিল্ম যেখানে একটা ইয়াং মেয়ে জাস্টিন কে নিয়ে যেকিনা তার সব ফ্যামিলি মেম্বারদের মত ভেটানারী উইনিভারসিটিতে ভর্তি হয় এবং একটা hazing ritual বা নতুন  স্টুডেন্টদের আমন্ত্রন জানানোর একটা রিচ্যুয়ালের অংশ হিসাবে তাকে খরগোশের কিডনি খেতে হয় যদিও সে ভেজেটেরিয়ান।এখন আমরা যারা মাংশ খাই তাদের কাছেই কাচা মাংশ খাওয়া ডিজগাস্টিং সেখানে এই মেয়ে শুধুই সবজিখোর!আর এর পর থেকেই শুরু হয় কাহিনী।সে আস্তে আস্তে চেঞ্জ হতে থাকে।সে ভয়াবহ ভাবে মাংশের বা সঠিক করে বললে কাচা মাংশের প্রতি আকৃষ্ট হতে থাকে।

এইটা একটা ক্যানিবাল মুভি,কিন্তু এইটা সাধারণ ক্যানিবাল মুভির মত না।সাধারণত ক্যানিবাল টাইপ মুভি গুলা হয় একদম গোরি ব্লাড ফেটিস টাইপ কিছু।কিন্তু পরিচালক তার ক্যানিবাল কাহিনী বলতে একদম ভিন্ন এক্সপেক্ট গ্রহন করেছেন।আমি আসলে অনেক অবাক হইছে এইটা জেনে যে এইটা তার প্রথম লেখা এবং পরিচালনা।রিয়েলি মাইন্ড ব্লোয়িং।সাধারণত ক্যানিবাল ছবিগুলাতে হয় কি ক্যানিবাল গুলাকে দেখানো হয় এইভাবে যে তা্রা ভায়োলেন্ট এই মানুষ খাচ্ছে রক্ত গোর এইসব।কিন্তু ক্যানিবাল গুলাকে চরিত্র হিসাবে দেখানো হয় না,মানুষ হিসাবে ফুটে উঠে না।পরিচালক এইটা জিনিষটাই করছেন কিছু চরিত্র তৌরি করেছেন।
তাদের মানবতা মধ্যকার সম্পর্কের,উদ্দেশ্য এর মাধ্যমে সিনেমাটাকে গড়ে তুলছেন
এই মুভিটার সবচেয়ে ভাল লাগছে চরিত্রদের মধ্যকার সম্পর্কগুলোও।হুদাই রক্ত বা কাটাকাটি না দেখিয়ে পরিচালক চরিত্রদের মধ্যকার সম্পর্ক দিয়ে সিনেমা আগায় নিয়ে গেছেন।বিশেষ করে দুই বোনের এর মধ্যকার সম্পর্কটা।জাস্টিনের বড় বোন অ্যালেক্সিয়া ও এই বিশবিদ্যালয়ে শেষ বর্ষে‌ পড়ে।তো জাস্টিন জানতে পারে যে অ্যালেক্সিয়া ও ক্যানিবাল।কিন্তু যেখানে জাস্টিন এই ভয়াবহ আকর্ষণ এর বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে
সেখানে অ্যালেক্রিয়া এই আকর্ষনকে তার জীবনে সগ্রাহে গ্রহন করছে,এইটা তাকে ইমপাওয়ার্ড‌ করছে বলে সে বিশ্বাস করে।এই সিবলিং দের মধ্যে একটা ভালবাসা ঘৃনা টাইপ সম্পর্ক তৌরি হয় কিন্তু ওভারঅল দুইজন দুইজনকে যে ভাল বুঝে সেটা দেখানো হয়েছে।সিনেমাটা বলতে গেলে এই দুইজনের সম্পর্কের উপর বেস করেই।এই দুইজন অভিনেত্রির অভিনয় অসাধারণ হইছে,কখনো মনে হয় নাই যে তারা দুই বোন না।

আরেকটা বিষয় এইটা ক্যানিবাল ফিল্ম হলেও পরিচালক জাস্টিন চরিত্রটাকে রিপ্রেজেন্ট করছেন অনেক মমতার সাথে।কামিং অফ এইজে একজন টিনএজ এর যে সম্যসা গুলা হয় জাস্টিন সেই সম্যসা গুলার উপর দিয়েই যাচ্ছে।তাই জাস্টিন পড়ালেখার দিক দিয়ে অনেক ব্রিলিয়ান্ট হলেও লাইফের ব্যাপারে এখনো অনেক অজ্ঞ,যে দশটা নরমাল শিক্ষারথীদের মতই তার সম্যসা গুলাকে ফেস করছে।জাস্টিন কে এভাবে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য ওর প্রতি একটা মায়া ক্রিয়েট হয়।
আরেকটা জিনিষ পরিচালক ক্যানিবালিজমকে যেন ক্ষুদা তৃষ্না বা যৌনতার মতই আরেকটা আর্জ।আর এইটা খুব নরমালাইজ করে দেখাইছেন।মাংশের প্রতি এই আর্জটা তিনি কিছুটা সেক্যুয়াল আর কামিং অফ এফ টাইপ ফিলিং দিয়ে দেখাইছেন।

আর এই দিকটাই আমার এই সিনেমার কিছুটা খারাপ লাগছে।একটা ভিক্টিমদের সেভাবে সহমর্মিতার সাথে দেখানো হয় নাই।ভিক্টিম মরল কি বাচল এতে যেন কিছুই যায় আসে না।এইটা একটা ‘র’ ফিলিং দিছে।কিন্তু দ্বিতীয়বার যখন দেখছি তখন আমার রিয়েলাইজ করছি যে পরিচালক তার গল্পটা পুরাটাই জাস্টিন এর অনুভূতি নিয়ে বলছেন।তো এখানে ভিক্টিম গল্পের জণ্য প্রয়োজন ছিল না,জাস্টিন কিভাবে তার পরিস্থিতির সাথে মানায় নেয় সেটা জরুরি ছিল।চরিত্রের প্রতি খুব সৎ ছিল সিনেমাটা।
সিনেমার মিউজিক আরেকটা ইম্পোরটেন্ট দিক।চরিত্রগুলোর ইমোশন খুব ভাল ভাবে ফুটায় তুলতে সাহায্য করছে।সিনেমাটার ভিজ্যুয়াল ও অসাধারণ।কয়েকটা অসাধারণ আর সুন্দর সিন আছে যেগুলাকিনা খুব ভেবে চিন্তা তৌরি করা।আর কয়েকটা সিন এমন ছিল আমি ভাবছিলাম এইটা শ্যুট করল কিভাবে!আর যেহেতু হরর ফিল্ম এইখানে কিছু সিন ইচ্ছা করে রাখা হইছে যেগুলা কিনা ক্রিপিনেস এনে দেয়।কিন্তু হুদাই এই সিন গুলা রাখা হয় নাই,চরিত্রের বিভিন্ন লেয়ার বা কাহিনীর প্রয়োজনে এই সিন গুলা রাখা হইছে।একটা জিনিষ আপনি যদি জাম্প স্ক্রার জাঙ্কি হন বা হুদা ভয় পেতে চান এই ফিল্মটা ভাল নাও লাগতে পারে।এই মুভিটা আন ইজি এবং ক্রিপি করবে দর্শকদের।ঠিক ততটা ভয় লাগে না।আসলে এই মুভিটা একটা র ইনটেন্স আদিম ফিলিং দেয়,এর নামকরণ আসলেই সার্থক।

এই মুভিটা ওই মুভিগুলোর মধ্যে পড়ে যেগুলা দেখার মত ভাবতে বাধ্যে করে।আর যত ভাবা হয় সিনেমাটার বিষয়ে তত সিনেমাটার চরিত্রগুলো বা গল্পের ম্যাসেজ আপ্রিসিয়েট করতে হয়।আমার মতে এই ২০১৬ সালের অন্যতম সেরা ছবি।আপনি যদি হরর ফ্যান হন মাস্ট চেক দিস ফিল্ম আউট।

সিনেমালোচনা

সিনেমালোচনা #০২ঃ Cloverfield(2008)

Watch my review – 

Cloverfield একটা ফাউন্ড ফুটেজ মনস্টার হরর মুভি।এইটা 2008 এ রিলিজ পাইছে।পরিচালনা করেছেন Matt Reeves।আমার মনে আছে যখন ২০০৮ এ Cloverfield রিলিজ হইছিল তখন তাদের প্রোডাকশন অনেক ব্যতিক্রমী কিছু প্রচারণা চালাইছিল।একটা বিরাট হাইপ ক্রিয়েট হইছিল মুভি রিলিজের আগে।মুভি রিলিজের আগেই রীতিমত সাইট খুলে মুভির বিভিন্ন পল্ট থিওরী নিয়ে আলোচনা করা হইছিল।তাই তখন এই মুভিটা নিয়ে অনেক এক্সাইটেড ছিলাম।আর সিনেমাটা হতাশ করে নাই। 10 more words

সিনেমালোচনা