Tags » NTRCA

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল চ্যালেঞ্জ করা যাবে না

ফলাফল যা-ই হোক শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার খাতা নতুন করে মূল্যায়ন করানো অথবা নম্বর গণনা করানো বা অন্য কোনোভাবে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। কর্তৃপক্ষের দেয়া ফলাফলই মেনে নিতে হবে পরীক্ষার্থীদেরকে।
এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল চ্যালেঞ্জ করার আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট বিষয় উল্লেখ করতে হয়। শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ শুধু সংশ্লিষ্ট খাতায় পরীক্ষক কর্তৃক দেয়া নম্বর আরেকবার গণনা করে দেখেন। কোনো খাতা নতুন করে মূল্যায়ন হয় না। কিন্তু শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ফল যা-ই হোক না কেন ফল চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, খাতার দেয়া নম্বর নতুন করো গণনা করানো বা দেখা যাবে না। ফল প্রকাশে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের একাধিক কর্মকর্তা দৈনিকশিক্ষাকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

সম্পূর্ণ নতুন বিধি অনুযায়ী এয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৬ লাখের বেশি পরীক্ষা বসেছেন বলে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে। গত ১৩ মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ছে, খুব শিগগিরই ফল প্রকাশ হবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষই সহকারি শিক্ষক ও প্রভাষকসহ এন্ট্রি লেভেলে শূন্যপদে নিয়োগের জন্য প্রার্থী নির্বাচন করে দেবে। স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা কমিটি শুধু নিয়োগপত্র দেবে। ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া বা প্রার্থী পছন্দের কোনো ক্ষমতা নেই।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।

NTRCA

বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা শুরু

নানা বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষার্থীদের না জানিয়েই কেন্দ্র পরিবর্তনের ফলে দূর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন হাজার হাজার শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার্থী। নিবন্ধন অফিসের ওয়েবসাইটে কেন্দ্র পরিবর্তনের কোনো তথ্য দেয়া হয়নি।
আজ সকালে ঢাকার কয়েকটি কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে জানতে পারেন তাদের কেন্দ্র পরিবর্তন হয়েছে। শেষ সময়ে ছোটাছুটি আর কান্নার রোল পড়ে যায়। এত কম সময়ে তারা কীভাবে নতুন কেন্দ্রে যাবেন তা ভেবে অনেকেই চোখের পানি ফেলেছেন।
গত রাত থেকে কেন্দ্র সমস্যার বিষয়টি জানাজানি হলেও সমস্যার সমাধানে কর্তৃপক্ষের কাউকে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। ক্ষুব্ধ হয়েছেন পরীক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) সন্ধ্যা থেকে কয়েকজন নিবন্ধন পরীক্ষার্থী ইমেইল ও টেলিফোনে দৈনিকশিক্ষাকে জানান, তাদের প্রবেশপত্রে লেখা রয়েছে এক কেন্দ্রের নাম কিন্তু মোবাইলে মেসেজ এসেছে অপর এক কেন্দ্রর নাম। দুই কেন্দ্রের দূরত্ব ঢের বেশি। এমতাবস্থায় তার দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। কোনটাকে প্র্রধান্য দেবেন?

এদিকে পরীক্ষার নতুন তারিখ হওয়ার পর পর কয়েকটি পরীক্ষা কেন্দ্রও বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দৈনিকশিক্ষাকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন নিবন্ধন অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা।

ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থী সারোয়ার হোসেন দৈনিকশিক্ষাকে বলেন, ১২ মে রাত নয়টায় যে প্রবেশপত্র প্রিন্ট করেছেন তাতে লেখা রয়েছে পরীক্ষার তারিখ ৬ মে এবং কেন্দ্র ঢাকার শেরে বাংলা নগর বালক বিদ্যালয় কিন্তু দুপুরে মোবাইলে আসা মেসেজে তার কেন্দ্রের নাম লেখা রয়েছে  টিকাটুলির   শেরে বাংলা স্কুল। তিনি কী করবেন তা ভেবে পাচ্ছেন না্। আবার প্রবেশপত্রে নিবন্ধন অফিসের ওয়েবসাইটের তথ্যের সর্বশেষ আপডেট ৫ মে, ২০১৬!

সারোয়ারের মতো শত শত পরীক্ষার্থী গভীর রাত অব্দি বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করেও কোনো ফল পাননি।

এদিকে দৈনিকশিক্ষার আর্কাইভে থাকা তথ্যে দেখা যায়, ১২ তম নিবন্ধন পরীক্ষার আগে প্রায় ৭ হাজার প্রবেশপত্র না পাওয়ায় পরীক্ষাই দিতে পারেননি। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের আগস্টে ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করেন। নিবন্ধন অফিসের সামনেও বিক্ষোভ করেন।

ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রিলিমিনারি টেস্ট শুক্রবার  (১৩ মে) অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা। স্কুল-২ ও স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা হবে বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত। ৬ লাখ ২ হাজার ৩৩ জন আবেদনকারী বসছেন এ পরীক্ষায়।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সকালের পরীক্ষা দেখতে ঢাকার সরকারি বেগম বদরুন্নেছা কলেজে যাবেন বলে জানা গেছে।

২০টি জেলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্তত ৪শ` কলেজে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কর্তৃপক্ষ সব প্রস্তুতি শেষ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ)।

মন্ত্রণালয় ও নিবন্ধন অফিসের প্রায় ৫০ জন অফিসারকে বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়েছে পরীক্ষা দেখার দায়িত্ব দিয়ে।

গত ৬ ও ৭ মে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে ইউপি নিবাচনের কারণে পরীক্ষার তারিখ পেছানো হয়।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে প্রিলিমিনারি তারপর লিখিত ও সবশেষে মৌখিক পরীক্ষা হবে। স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণদের আটটি বিভাগীয় শহরে লিখিত পরীক্ষায় বসতে হবে। স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা ১২ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে ১২টা এবং ১৩ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কলেজের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এই পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। তবে, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগের পদ্ধতিতেই হবে।

২০০৫ খ্রিস্টাব্দে সরকার নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করেন। আইন কার্যকর হয় একই বছরের ২০ মার্চ থেকে। বিধান অনুযায়ী নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক ছিল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের আবেদন করতে। নিয়োগ পরীক্ষা ও নিয়োগের যাবতীয় ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে ছিল। নিবন্ধন সনদ না হলে কেউ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার আবেদনই করতে পারতেন না। মোট ১২টি পরীক্ষায় প্রায় ৬ লাখ নিবন্ধন সনদ পেয়েছেন।

তব, গত বছর আইনের বিধান পাল্টেছে সরকার। নতুন বিধান অনুযায়ী নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকেই প্রার্থী বাছাই করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।  স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা-কারিগরি প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগের কোনো ক্ষমতা পরিচালনা কমিটির হাতে থাকলো না। ১৩ তম পরীক্ষা থেকে নতুন বিধান কার্যকর।

বর্তমান পদ্ধতি অনেকটা বাংলাদেশ পাবলিক সাভিস কমিশনের পরীক্ষা নেয়া ও প্রার্থী বাছাই করে বিভিন্ন ক্যাডার, নন ক্যাডারের শূন্য পদে পদায়ন করার জন্য স্ব স্ব মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয়ার মতো।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।

NTRCA

একদিনে চার পরীক্ষা, চাকরিপ্রার্থীরা বিড়ম্বনায়

বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন পরীক্ষাসহ একই দিনে চাকরির চার পরীক্ষা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কয়েক লাখ চাকরি প্রার্থী। শুক্রবার (১৩ মে) সকাল ১০টা, ১১টা, বিকেল ৪টায় যথাক্রমে শিক্ষক নিবন্ধনের কলেজ পর্যায় ও ডাক বিভাগ, তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং স্কুল পর্যায়ের নিবন্ধন পরীক্ষা রয়েছে।বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) গৃহিত শিক্ষক নিবন্ধনে ৬ লাখ এবং বাকি দু’টি পরীক্ষায় আরও প্রায় দুই লাখ প্রার্থী এই বিড়ম্বনার মুখোমুখি হচ্ছেন।

ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধনের স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা গত ৬ মে হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে ১৩ মে বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত নেওয়া হয়। আর কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা ৭ মে’র পরিবর্তে পিছিয়ে একই দিন ১৩ মে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে পৃথক দু’দিন নিবন্ধন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও এবার একই দিনে দুই পরীক্ষা নিয়ে স্কুল-কলেজে চাকরিপ্রার্থীরাই বিপাকে পড়েছেন। সারাদেশে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানান প্রার্থীরা।

এনটিআরসিএ’র সদস্য (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) মো. হুমায়ূন কবীর দৈনিক শিক্ষাকে বলেন, স্কুল-২ ও স্কুল পর্যায় এবং কলেজ পর্যায় মিলে মোট ৬ লাখ ২ হাজার ৩৩ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।

পাশাপাশি শুক্রবার সকাল ১০টায় ডাক বিভাগের পরিদর্শক ৭১টি পদে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, ২০১৪ সালের ২৪ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তিতে স্নাতক পাস যোগ্যতাধারী লক্ষাধিক প্রার্থী রয়েছেন।

এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর ৭০টি পদে বেলা ১১টায় যে পরীক্ষা রয়েছে তারও যোগ্যতা স্নাতক পাস। এখানেও এক লাখের কাছাকাছি আবেদন পড়েছে।

ফলে, সকালের যেকোনো একটি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বাকি দু’টি পরীক্ষা ছাড় দিতে হবে চাকরি প্রার্থীদের। স্কুল-কলেজে পদ সংখ্যা বেশি এবং ম্যানেজিং কমিটির থেকে পুরোপুরি এনটিআরসিএ’র অধীনে চলে যাওয়ায় মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। তাই নিবন্ধন পরীক্ষাকেই জোর দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

এনটিআরসিএ’ সদস্য হুমায়ূন কবীর বলেন, অন্য পরীক্ষাগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই, কেন্দ্রও ভিন্ন। ফলে, পরীক্ষা গ্রহণে কোনো সমস্যা নেই।

তবে, চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন, বিভিন্ন নিয়োগ কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় হলে বেকার যুবকরা বিড়ম্বনায় পড়বেন না।

কলেজ নিবন্ধন ও ডাক বিভাগের পরিদর্শক পদে আবেদন করা গাইবান্ধার একজন প্রার্থী বলেন, কলেজ নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য ডাক বিভাগের পরীক্ষা দেয়া হচ্ছে না।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।

NTRCA

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ৭ মে’র মধ্যে এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে

 এনটিআরসিএ নিউজ: দেশের সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মে মাসের ৭ তারিখের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের  (এনটিআরসিএ) কাছে নিবন্ধনের সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার।

অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর কথা তুলে ধরে বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মুহম্মদ সাইফুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনার কথা বলা হয়।

জানা যায়, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক লাগবে, সেসব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৭ মে’র মধ্যে শূন্যপদের নাম ও তালিকা এনটিআরসিএ ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। এই নিবন্ধন কাজ শেষ হলে বিগত ১২টি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীদের আবেদন করতে বলা হবে। সারাদেশে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষকের পদ খালি আছে। ৬ মাস ধরে এসব পদ খালি।

এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান এএমএস আজহার বুধবার রাতে সাংবাদিকদের জানান, শূন্যপদের বিপরীতে প্রার্থীরা আবেদন করলে আমরা একটি মেধা তালিকা করব। সেখান থেকে প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করতে হবে। উপজেলাভিত্তিক ওই তালিকায় মোট শূন্যপদের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ প্রার্থীকে তালিকাভুক্ত করা হবে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দুর্নীতি বন্ধে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক পরিপত্রে (শিক্ষক নিয়োগে) অনুসরণীয় পদ্ধতি জারি করে। সে অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে প্রার্র্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এনটিআরসিএকে। জানা গেছে, এ পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই কার্যক্রম শুরু হবে এখন। প্রার্থী বাছাই কার্যক্রমের পূর্বশত হিসেবে প্রতিটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই নিবন্ধন করাচ্ছে এনটিআরসিএ।

চেয়ারম্যান জানান, দেশের সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে নিবন্ধন করার জন্য ইতিমধ্যে এসএমএস করা হয়েছে। দেশের সব জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তার নিজ এলাকার প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন কার্যক্রম তদারক করবেন।

মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই প্রার্থী বাছাই কার্যক্রমের পূর্বশর্ত হিসেবে প্রতিটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে এ লিংকে গিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা সংশোধন করে। এতে শিক্ষক নিয়োগে পরিচালনা পর্যদের অনেকাংশে ক্ষমতা খর্ব হয়ে যায়।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন শিক্ষক নিবন্ধনের জট খুললো। ১ম থেকে ১২তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাও চাকরি সুযোগ পাবেন বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে, সুনির্দিষ্টভাবে কেউ এ কথা বলছেন না।

গত মাসে শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, এপ্রিল মাস থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।

ই-সেন্টার

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের প্রিলিমিনারি টেস্টের প্রবেশপত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

অনলাইনের মাধ্যমে এ প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। এর জন্য প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট NTRCA এ প্রবেশ করতে হবে।

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পরীক্ষার ধরন নির্বাচন করে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড লিখে সাবমিট করে প্রবেশপত্রটি খুঁজে বের করুন। এরপর কাঙ্ক্ষিত প্রবেশপত্রটি পেয়ে গেলে প্রিন্ট দিয়ে সংগ্রহ করে নিন।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।

NTRCA

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা পেছালো

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। এই পরীক্ষা ৭ মে’র পরিবর্তে আগামী ১৩ মে [শুক্রবার] অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল ৭ মে।

মঙ্গলবার [২৬ এপ্রিল] বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

তবে স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা ৬ মে যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। ৭ মে কয়েকটি জেলায় ইউপি নির্বাচন হবে। সম্প্রতি এ বিষয়ে দৈনিকশিক্ষায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে পরীক্ষার নতুন তারিখ ঠিক করা হয় বলে জানিয়েছেন নিবন্ধন অফিসের কর্মকর্তারা।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে প্রিলিমিনারি তারপর লিখিত ও সবশেষে মৌখিক পরীক্ষা হবে।

এনটিআরসিএ-র অধীনে সারাদেশে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এই পরীক্ষার ভিত্তিতেই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। তবে, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগের পদ্ধতিতেই হবে।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।

NTRCA

১৮০ টাকার আবেদন ফি তে কি চাকুরি হবে?

ভ্রাম্য্যামান প্রতিনিধি: সম্প্রতি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ঘোষণা করেছে চলতি মাসের শেষের দিকে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগের নিমিত্তে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। এ জন্য রাষ্টায়ত্ব মোবাইল কোম্পানী টেলিটকের সাথেও চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। গত কয়েকদিন আগে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় বিগত দিনের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই কেবল আবেদন করতে পারবে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) নিজেদের ওয়েব সাইটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করবে এবং কোন প্রতিষ্ঠানে কোন কোন বিষয়ের পদ শূন্য আছে তা জানা যাবে।

সেখান থেকে শূন্য পদের বিপরীতে প্রতিষ্ঠান পছন্দ করে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি মাত্র ১৮০ টাকা। আবেদনের পর বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) প্রথমে নিজ উপজেলার প্রার্থী খুঁজবে, যদি না পাওয়া যায় তখন নিজ জেলার, নিজ জেলার পাওয়া না গেলে বিভাগীয় প্রার্থী খোঁজা হবে।

যদি নিজ উপজেলার এবং বাইরের উপজেলার প্রার্থীর নাম্বার একই হয় সেক্ষেত্রে নিজ উপজেলার প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে। কিন্তু যদি একই উপজেলার দু’জন প্রার্থীর নাম্বার একই হয় তখন যার ঐচ্ছিক নাম্বার বেশি তাকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে। নিয়োগের জন্য সুপারিশের পূর্বে (এনটিআরসিএ) প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের মূলকপি যাচাই বাছাই করে দেখবেন।

এখন প্রশ্ন হলো, একটি প্রতিষ্ঠানে কয়জন প্রার্থী আবেদন করল এবং কার নাম্বার বেশি তা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ব্যতীত তো আর কেউ জানবে না। অনেকেই এক্ষেত্রে এনটিআরসিএ’র স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তাদের আশংকা এনটিআরসিএ থেকে বড় ধরনের দুর্ণীতি হতে পারে।

মনে করি, একটি প্রতিষ্ঠানে এক বিষয়ে দশজন প্রার্থী আবেদন করল। এখন, তাদের মধ্য থেকে যদি সর্বোচ্চ নাম্বার প্রাপ্তকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ না করে তুলনামূলক কম নাম্বার প্রাপ্ত ব্যক্তিকে নিয়োগের সুপারিশ করে, তখন কি কেউ জানতে পারবে?

সবার মনে একটি পশ্ন যেখানে একটি এমপিওভুক্ত স্কুলে চাকরি নিতে ৪-৫ লাখ টাকা, কলেজে ৮-১০ লাখ টাকা লাগত, সেখানে কি ১৮০ টাকায় চাকরি মিলবে তো?

লেখক: সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) আলহাজ্ব আব্বাস উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মিরপুর, ঢাকা।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।