Tags » NTRCA

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ৭ মে’র মধ্যে এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে

 এনটিআরসিএ নিউজ: দেশের সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মে মাসের ৭ তারিখের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের  (এনটিআরসিএ) কাছে নিবন্ধনের সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার।

অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর কথা তুলে ধরে বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মুহম্মদ সাইফুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনার কথা বলা হয়।

জানা যায়, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক লাগবে, সেসব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৭ মে’র মধ্যে শূন্যপদের নাম ও তালিকা এনটিআরসিএ ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। এই নিবন্ধন কাজ শেষ হলে বিগত ১২টি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীদের আবেদন করতে বলা হবে। সারাদেশে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষকের পদ খালি আছে। ৬ মাস ধরে এসব পদ খালি।

এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান এএমএস আজহার বুধবার রাতে সাংবাদিকদের জানান, শূন্যপদের বিপরীতে প্রার্থীরা আবেদন করলে আমরা একটি মেধা তালিকা করব। সেখান থেকে প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করতে হবে। উপজেলাভিত্তিক ওই তালিকায় মোট শূন্যপদের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ প্রার্থীকে তালিকাভুক্ত করা হবে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দুর্নীতি বন্ধে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক পরিপত্রে (শিক্ষক নিয়োগে) অনুসরণীয় পদ্ধতি জারি করে। সে অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে প্রার্র্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এনটিআরসিএকে। জানা গেছে, এ পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই কার্যক্রম শুরু হবে এখন। প্রার্থী বাছাই কার্যক্রমের পূর্বশত হিসেবে প্রতিটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই নিবন্ধন করাচ্ছে এনটিআরসিএ।

চেয়ারম্যান জানান, দেশের সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে নিবন্ধন করার জন্য ইতিমধ্যে এসএমএস করা হয়েছে। দেশের সব জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তার নিজ এলাকার প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন কার্যক্রম তদারক করবেন।

মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই প্রার্থী বাছাই কার্যক্রমের পূর্বশর্ত হিসেবে প্রতিটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে এ লিংকে গিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা সংশোধন করে। এতে শিক্ষক নিয়োগে পরিচালনা পর্যদের অনেকাংশে ক্ষমতা খর্ব হয়ে যায়।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন শিক্ষক নিবন্ধনের জট খুললো। ১ম থেকে ১২তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাও চাকরি সুযোগ পাবেন বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে, সুনির্দিষ্টভাবে কেউ এ কথা বলছেন না।

গত মাসে শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, এপ্রিল মাস থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।

ই-সেন্টার

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের প্রিলিমিনারি টেস্টের প্রবেশপত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

অনলাইনের মাধ্যমে এ প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। এর জন্য প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট NTRCA এ প্রবেশ করতে হবে।

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পরীক্ষার ধরন নির্বাচন করে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড লিখে সাবমিট করে প্রবেশপত্রটি খুঁজে বের করুন। এরপর কাঙ্ক্ষিত প্রবেশপত্রটি পেয়ে গেলে প্রিন্ট দিয়ে সংগ্রহ করে নিন।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।

NTRCA

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা পেছালো

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। এই পরীক্ষা ৭ মে’র পরিবর্তে আগামী ১৩ মে [শুক্রবার] অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল ৭ মে।

মঙ্গলবার [২৬ এপ্রিল] বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

তবে স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা ৬ মে যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। ৭ মে কয়েকটি জেলায় ইউপি নির্বাচন হবে। সম্প্রতি এ বিষয়ে দৈনিকশিক্ষায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে পরীক্ষার নতুন তারিখ ঠিক করা হয় বলে জানিয়েছেন নিবন্ধন অফিসের কর্মকর্তারা।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে প্রিলিমিনারি তারপর লিখিত ও সবশেষে মৌখিক পরীক্ষা হবে।

এনটিআরসিএ-র অধীনে সারাদেশে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এই পরীক্ষার ভিত্তিতেই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। তবে, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগের পদ্ধতিতেই হবে।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।

NTRCA

১৮০ টাকার আবেদন ফি তে কি চাকুরি হবে?

ভ্রাম্য্যামান প্রতিনিধি: সম্প্রতি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ঘোষণা করেছে চলতি মাসের শেষের দিকে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগের নিমিত্তে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। এ জন্য রাষ্টায়ত্ব মোবাইল কোম্পানী টেলিটকের সাথেও চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। গত কয়েকদিন আগে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় বিগত দিনের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই কেবল আবেদন করতে পারবে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) নিজেদের ওয়েব সাইটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করবে এবং কোন প্রতিষ্ঠানে কোন কোন বিষয়ের পদ শূন্য আছে তা জানা যাবে।

সেখান থেকে শূন্য পদের বিপরীতে প্রতিষ্ঠান পছন্দ করে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি মাত্র ১৮০ টাকা। আবেদনের পর বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) প্রথমে নিজ উপজেলার প্রার্থী খুঁজবে, যদি না পাওয়া যায় তখন নিজ জেলার, নিজ জেলার পাওয়া না গেলে বিভাগীয় প্রার্থী খোঁজা হবে।

যদি নিজ উপজেলার এবং বাইরের উপজেলার প্রার্থীর নাম্বার একই হয় সেক্ষেত্রে নিজ উপজেলার প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে। কিন্তু যদি একই উপজেলার দু’জন প্রার্থীর নাম্বার একই হয় তখন যার ঐচ্ছিক নাম্বার বেশি তাকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে। নিয়োগের জন্য সুপারিশের পূর্বে (এনটিআরসিএ) প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের মূলকপি যাচাই বাছাই করে দেখবেন।

এখন প্রশ্ন হলো, একটি প্রতিষ্ঠানে কয়জন প্রার্থী আবেদন করল এবং কার নাম্বার বেশি তা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ব্যতীত তো আর কেউ জানবে না। অনেকেই এক্ষেত্রে এনটিআরসিএ’র স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তাদের আশংকা এনটিআরসিএ থেকে বড় ধরনের দুর্ণীতি হতে পারে।

মনে করি, একটি প্রতিষ্ঠানে এক বিষয়ে দশজন প্রার্থী আবেদন করল। এখন, তাদের মধ্য থেকে যদি সর্বোচ্চ নাম্বার প্রাপ্তকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ না করে তুলনামূলক কম নাম্বার প্রাপ্ত ব্যক্তিকে নিয়োগের সুপারিশ করে, তখন কি কেউ জানতে পারবে?

সবার মনে একটি পশ্ন যেখানে একটি এমপিওভুক্ত স্কুলে চাকরি নিতে ৪-৫ লাখ টাকা, কলেজে ৮-১০ লাখ টাকা লাগত, সেখানে কি ১৮০ টাকায় চাকরি মিলবে তো?

লেখক: সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) আলহাজ্ব আব্বাস উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মিরপুর, ঢাকা।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন।