Tags » Public Concern » Page 2

খোলা চিঠিঃ উচ্চশিক্ষিত অন্ধ মিজানের জন্য একটা চাকরি দরকার

সেদিন রাস্তায় একজন ইঁদুর-তেলাপোকা মারার বিষ ফেরি করে বিক্রি করছিলেন। বয়স ২৫-২৬ বছর হবে; হালকা-পাতলা শরীর, ঘর্মাক্ত চেহারায় পরিশ্রমের ছাপ স্পষ্ট। সাথে থাকা হ্যান্ডমাইকে বাজছিল পণ্যের বিজ্ঞাপন।

সাদা-ছড়ি দেখে বুঝলাম তিনি অন্ধ। আগ্রহ নিয়ে কাছে গেলাম, কেননা সাধারণত অন্ধ গরীবেরা ভিক্ষা করে। কাজ করে খায় এমন মানুষের সংখ্যা কম।

ভাই বলে ডেকে তাকে থামালাম। তার নাম-পরিচয় জিজ্ঞেস করলাম। জানালেন মোঃ মিজানুর রহমান তার নাম, থাকেন মিরপুরে। অবাক হলাম একা একা মোহাম্মদপুরে এসে কেন এই কাজ করছেন। তিনি হেসেছিলেন। সেই হাসির রহস্য একটু পরে বুঝতে পেরেছিলাম।

জানালেন অল্প কিছুদিন ধরে এই কাজে আছেন তিনি। আগে কি করতেন, জিজ্ঞেস করাতে জানালেন তিনি আসলে বেকার বসে আছেন তাই এই কাজ করছেন। বাসায় বাবা আর ভাই-বোন আছে। কিন্তু তারা পড়াশুনার খরচ দিলেও এখন আর সাহায্য করতে চায় না।

কতদূর পড়েছেন, জিজ্ঞেস করতেই তিনি হাসলেন। জানালেন মিরপুর বাংলা কলেজ থেকে মাস্টার্স করেছেন; ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে পড়েছেন। পাশ করেছেন ২০১২ সালে।

আমি নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আবার জিজ্ঞেস করার পর একই উত্তর আসলো। বললেন তার কম্পিউটার প্রশিক্ষনের সার্টিফিকেট আছে আর ছোটখাটো মেকানিকের কাজও জানেন। কিন্তু কোথাও চাকরি পাচ্ছেন না। এক পর্যায়ে বললেন তার বন্ধুরা জানেনা তিনি এই কাজ করেন, তাই দূরের মোহাম্মদপুর এলাকায় ফেরি করে বেড়ান।

আমাকে বললেন তাকে সাহায্য করতে পারবো কিনা। আমি বললাম অবশ্যই চেষ্টা করবো।

আসলেই সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ! নইলে এমন একটি মেধাবী ছেলে শুধু অন্ধত্বের কারণে পথে পথে ঘুরে মরবে! তার পরিবার খুব একটা স্বচ্ছল নয় বুঝলাম, কিন্তু বাংলা কলেজ কর্তৃপক্ষ বা তার বন্ধুরা কি করেছে? বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল যে মিজানকে প্রশিক্ষনের সার্টিফিকেট দিলো, তারাও তো জন্য কিছু একটা করতে পারতো!

আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে চাকরি দেয়ার উপযুক্ত না হলেও ভাবলাম ফেসবুক, ব্লগ, পত্রিকায় লিখে হয়তো মিজানের জন্য একটু চেষ্টা করে দেখতে পারি। তাই আমার এই খোলা চিঠি।

তার সাথে যোগাযোগের কোন মাধ্যম জানা নেই। আপনার সাথে মিরপুর বা মোহাম্মদপুর এলাকায় তার দেখা হয়ে যেতে পারে। সম্ভব হলে তার জন্য একটা চাকরির ব্যবস্থা করবেন প্লিজ।

Public Concern

ধর্ষণ ও পরিত্যক্ত নবজাতক সমাচার

ডাস্টবিনে বা ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতক শিশুর দেখা পেলেই আমরা সবাই “হায়, হায়” করে উঠি। ঠিকমতো না জেনেই এর জন্য প্রথমেই দায়ী করা হয় দুইজন মানুষের “অনৈতিক” শারীরিক সম্পর্ককে।

 

অথচ বাংলাদেশের মিডিয়ার মাধ্যমে এ যাবত এ ধরণের যত ঘটনা শুনেছি একটি বাদে কোনটির রহস্য উন্মোচিত হয়নি। মানে বাবা-মাকে পাওয়া যায়নি।

 

শুধু একটি ঘটনার পেছনের ঘটনা জানতে পেরেছি।

 

গত পহেলা ফেব্রুয়ারি বেইলি রোডের একটি বাড়ির ছয়তলা দিয়ে ফেলে দেয়া শিশুটি আজ মারা গেছে। তার মা এখনো মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। কারণ শিশুটি ধর্ষণের ফসল। মেয়েটির ভগ্নিপতি ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে ধর্ষণ করেছিল।

 

সেই ধর্ষকের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি এবং আশা করি স্পর্শকাতর এ ধরণের বিষয়ে সবাই আরো সচেতনভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে। তিন সপ্তাহ ধরে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর দুদিন আগে শিশুটি কেন এত অসুস্থ হয়ে পড়লো সেটা এখনো জানা যায়নি।

উদ্ধারের পর পর চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, নবজাতকটি নড়াচড়া একটু কম করছে। অনেক ওপর থেকে পড়ায় তার মস্তিষ্কে হালকা আঘাত রয়েছে। তবে তা গুরুতর নয়।

 

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ি, ধর্ষণের ফলে জন্ম নেয়া শিশুদের আত্মনির্ভরশীল না হওয়া পর্যন্ত দেখাশোনা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।

কিছুদিন আগে জানলাম জার্মানীতে কিছু সরকারি সেন্টার আছে যেখানে চাইলে কেউ নবজাতকদের রেখে আসতে পারে। সেটা ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্ম নেয়া শিশু হতে পারে বা তার বাবা-মা সন্তান পালনে আর্থিক বা সামাজিকভাবে অক্ষম হলেও হতে পারে।

এ ধরণের জনকল্যানমূলক উদ্যোগ হয়তো বাংলাদেশে সম্ভব নয়। কিন্তু বিষয়টি ভাবনার উদ্রেগ করে বৈকি, অন্ততঃ দেশে যখন ধর্ষণ-গনধর্ষণ মহামারীর আকার ধারণ করেছে।

Public Concern

Marijuana: Booze With a Condom!

By: Louis Lebovits – Hofstra Law School – Student Contributor

With marijuana becoming increasingly available and legal in some parts of the country, it has been widely debated that Marijuana is no worse a “drug” than alcohol and the inherent risks from drinking alcohol are far greater than those associated with the use or abuse of pot. 973 more words

Business And Law Of Marijuana

শাহবাগ আন্দোলন ক্ষমতাবান রাজাকারদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহস যুগিয়েছিল

তিন বছর আগে ৫ই ফেব্রুয়ারি বিকেলে শাহবাগ গিয়েছিলাম। সকাল থেকে খুব বিক্ষিপ্ত ছিলাম কসাই কাদেরের রায় নিয়ে। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম কয়েকটা; নাহ, রাগ কমেনি। চিৎকার করে গালি দিতে ইচ্ছে করছিল, বিক্ষোভে ফেটে পড়তে ইচ্ছে করছিল, পারিনি। …

Public Concern