Tags » Public Concern » Page 2

ভিক্ষুকদের গনহারে তুচ্ছ করছেন কেন?

ভিক্ষুকরা ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঘুরাঘুরি করতে পারবেনা। এতে করে দ্রুত উন্নয়নশীল হিসেবে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশের সুনাম নষ্ট হয়। এ দেশে ভিক্ষাবৃত্তি চলতে পারেনা … এভাবেই চিন্তা করেন আমাদের দেশের সমাজকল্যাণ ও সমাজসেবা বিভাগের মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা।

Public Concern

ফুলবাড়ি থেকে বাঁশখালীঃ অন্যায় রুখবোই

খবর (দুঃসংবাদ) — বাঁশখালীতে উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়ায় একজন আন্দোলনকারী আটক।

অন্যদিকে ৪ঠা এপ্রিল সরকারি সন্ত্রাসী ও পুলিশের গুলিতে নিহত কমপক্ষে চারজনের খুনীদের ধরতে মানা আছে।

দেশের প্রচলিত আইন ভঙ্গ করে ও এলাকাবাসীকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কাজ শুরু করে এস আলম গ্রুপ। ধীরে ধীরে এলাকাবাসী কয়লা বিদ্যুত কেন্দ্রের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হয়ে প্রকল্পের বিরুদ্ধে অবস্থা নেয় এবং বিক্ষোভ করে। এমতাবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন একটি প্রকল্পবিরোধী এক সমাবেশের আগে বায়বীয় ১৪৪ ধারা জারি করে। তারা যুক্তি দেখায় প্রকল্পের পক্ষের গ্রুপ একই সময়ে একই সময়ে নাকি সমাবেশ ডেকেছিল। তাই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। কিন্তু আদতে অন্য কোন গ্রুপকে পাওয়া যায়নি এবং মাইকিং-ও করা হয়নি। সেদিন পুলিশ আর এস আলম গ্রুপের সন্ত্রাসীরা (সরকারি দলের মদদপুষ্ট ভাড়াটে কর্মীরা) নির্বিচারে গুলি করে এবং নির্যাতনের এক ন্যাক্কারজনক নজির সৃষ্টি করে কমপক্ষে চারজনকে হত্যা করে। কিন্তু তারা আন্দোলন দমাতে ব্যর্থ হয়।

অতঃপর সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে এলাকার আওয়ামীলীগের নেতার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ১৫ দিন সময় চেয়ে নেন। স্থগিত হয় ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচী। এরপর এলাকার সংসদ সদস্য নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সময় গুলি করার জন্য সন্ত্রাসীদের দোষারোপ করেন। পুলিশ আদৌ তদন্ত করছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলো।

প্রথম সুযোগে সমাধানের বদলে উন্নয়নবিরোধীদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী। জানালেন কয়লা ও কয়লা বিদ্যুত পরিবেশের কোন ক্ষতি করেনা।

আমাদের প্রধানমন্ত্রী আবার বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যতা রেখে কথা বলতে ভুলে যানঃ তিনি কিছুদিন আগে পরিবেশের উন্নয়নে জাতিসংঘের একটি পুরস্কার পেয়েছেন। অন্যদিকে তার সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানীকে কম গুরুত্ব দিয়ে আমদানী নির্ভর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্র বানাতে উঠেপড়ে লেগেছেন যা কিনা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ত্বরান্বিত করবে; তাও আবার অনিয়ম, দুর্নীতি সহযোগে।

আন্দোলনকারী খুন হওয়ায় এস আলম গ্রুপ বিকল্প স্থান নির্বাচন করে চকোরিয়াতে। আবার পাশাপাশি সরকারদলীয় নেতা এবং অন্যান্যদের দিয়ে এলাকাবাসীকে রাজী করানোর চেষ্টা চালিয়ে যায়। এর মধ্যে দুঃসংবাদ আসলো; ২৮ তারিখে পরিবেশ অধিদপ্তরের সভায় সিদ্ধান্ত হলো এখন এই প্রকল্পকে অবস্থানগত ছাড়পত্র দেয়া হবেনা। এলাকাবাসীকে রাজী করানো এবং প্রয়োজনীয় আরো কাগজপত্র জমা হলে পরে তখন এ বিষয়ে আবার আলোচনায় বসবে কর্মকর্তারা।

সরকারি কর্মচারি, দলীয় কাডার এমনকি সাংবাদিকদের আপনারা টাকা দিয়ে ম্যানেজ করতে পারবেন, কিন্তু হাজার হাজার এলাকাবাসীকে কিভাবে ভূগোল বুঝিয়ে হাত করবেন?

আসলে ব্যবসায়ি ও দুর্নীতিবাজ আমলা ও রাজনীতিবিদদের কাছে পরিবেশ বা সাধারণ জনগনের জীবনের কোন মূল্যই নেই।

সরকারি ও সরকার সমর্থিত প্রকল্পের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে জীবন দেওয়ার ঘটনা এদেশে খুব বেশি নেই। তবে পুলিশ ও সরকারিদলের নেতা-কর্মীদের নির্মম লাঠিচার্জ ও গুলিতে আহতের সংখ্যা হয়তো অনুমানকেও ছাড়িয়ে যাবে।

২০১১ সালে মুন্সীগঞ্জে বিমানবন্দর বানাতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ে সরকার। আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ আক্রমন করলে গুলি ও লাঠিচার্জে কমপক্ষে ১০০ জন আহত হন, মারা যান একজন পুলিশ সদস্য।

এর আগে ২০১০ সালে নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে সেনাবাহিনীর আবাসন প্রকল্পের জন্য জোরপূর্বক জমি দখল করতে চাইলে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী। এতে কমপক্ষে একজন নিহত হন, আহত হন ৫০ জনের বেশি। তবুও নির্যাতন শেষে সেই গ্রামবাসীরাই আবার মামলার আসামী হন।

২০০৬ সালে দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে উন্মুক্ত খনিবিরোধী আন্দোলনে বিডিআর-পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান তিনজন। স্থগিত করা হয় প্রকল্পের কাজ। তখনকার বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা সরকারকে বলেছিলেন এলাকাবাসীর দাবি মেনে নিতে, মানে এশিয়া এনার্জির সাথে চুক্তি বাতিল, উন্মুক্ত খনি না করা, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেয়া এবং ক্ষতিপূরণ দেয়া ইত্যাদি। কিন্তু ক্ষমতায় এসে তার সরকার সেই এশিয়া এনার্জিকেই কাজ পাইয়ে দিতে উঠেপড়ে লেগেছে; চুক্তিটিও বাতিল করেনি।

উন্নয়ন কাজ করাই সরকারের কাজ। নেতারা সাগ্রহে উন্নয়ন কাজ করেন কেউ সম্মানের আশায় আর কেউবা প্রকাশ্যে দুহাতে টাকা কামানোর জন্য। কোন সরকার যদি উন্নয়নের নামে খেয়ালখুশিমত প্রকল্প নেয় এবং আইন-কানুন না মেনে, এলাকাবসীকে আস্থায় না নিয়ে এবং জোরপূর্বক কিছু করতে যায় তখন এটা স্পষ্ট যে, এখানে কোন ঘাপলা আছে। আর জনগন যখন কোন ঘাপলা সম্পর্কে একবার সচেতন হয়ে যায় তখন সেই প্রকল্প জোর করে বাস্তবায়নের চেষ্টা না করে ইমেজ ভালো করার জন্য হলেও বাতিল করে নতুনভাবে শুরু করা উচিত, যেন কেউ প্রশ্ন তুলতে না পারে এবং উল্টো আরো বাহবা দেয়।

Public Concern

বজ্রপাত হলে কি করবেন?

ঝড়ের সময় মেঘেরা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তাতে প্রচন্ড শব্দ সহকারে বৈদ্যুতিক ঝলক তৈরি হয়ে মাটিতে এসে পড়ে। আর জের টানতে হয় মানুষ ও অন্যান্য প্রাণিকে।

বাংলাদেশে এপ্রিল–মে মাসে কালবৈশাখী ঝড়ের প্রকোপ বাড়ে এবং এ সময় বজ্রপাত খুব সাধারণ একটা ঘটনা। তবে এ বছর মার্চ মাসেই কয়েকদিন কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়েছে দেশবাসী এবং শেষ দশদিনে সারাদেশে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে ৩০জনের। এদের মধ্যে আবার শুধু ৩১শে মার্চ সাত জেলায় মারা গেছেন ১৩জন।

এর আগে ২০১৩ সালের ৬ই মে সারাদেশে ২৪জন মারা যান। ২০১২ সালের এপ্রিল–মে মাসে মোট ১৫২জনের মৃত্যু হয় আর ২০১১ সালের মে মাসে প্রাণ হারান ৫৮জন।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন এদেশে বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনা কতোটা বেশি। কারণটাও সহজে বোধগম্যঃ সচেতনতার অভাব।

খবর বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, বজ্রপাতে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মাঠে কর্মরত কৃষকের সংখ্যাই বেশি। এছাড়া খোলা জায়গায় থাকার কারণে বা ধাতব পদার্থের সংস্পর্শের কারণে অনেকেই মৃত্যুবরণ করেন।

কিছুদিন আগে বজ্রপাত সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ফেসবুকে একটি ফটোপোস্ট দেয় যা প্রায় সাড়ে ৪হাজার শেয়ার হয়। তাছাড়া বিভিন্ন সাইটে বজ্রপাত থেকে রক্ষার উপায় সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্যগুলোকে এখানে দেয়া হলো। নিজেরা সাবধান হোন এবং অন্যদের সচেতন করুন।

# বাড়িকে বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে আর্থিং সংযুক্ত রড স্থাপন করুন;

# খোলা ও উঁচু জায়গা এড়িয়ে চলুন;

# নিচু হয়ে বসুন, কিন্তু মাটিয়ে শুয়ে পড়বেন না;

# পাকা দালানের ছাদের নীচে আশ্রয় নিন;

# টিনের ছাদ এড়িয়ে চলুন, স্পর্শ করবেন না;

# নদী, পুকুর বা কোন জলাশয় থাকলে দূরে সরে যেতে হবে;

# আশপাশে উঁচু কোন গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি, টাওয়ার থাকলে দূরে সরে যান;

# গাড়ির ভেতরেও নিরাপদ, তবে ধাতব বডির সাথে শরীরের সংযোগ না থাকলেই হলো;

# ঘনঘন বজ্রপাতের সময় ঘরের ভেতরে ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করাই ভালো;

# বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না, জানালা বন্ধ রাখুন;

# চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক, রাবারের জুতা সবচেয়ে নিরাপদ;

# কেউ আহত হলে বৈদ্যুতিক শকে আহতদের মতো করেই চিকিৎসা করতে হবে, শ্বাসপ্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দন ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

Public Concern

আবর্জনা, মশা সামলাতে ব্যর্থ ঢাকার মেয়ররা

অনেক বড় বড় আশার ফুলঝুড়ি নিয়ে এসেছিলেন তারা। সরকারি দলের সমর্থনপুষ্ট হওয়াতে জনগনও ভেবেছিল তারা হয়তো ঢাকার নোংরা চেহারা আর প্রশাসনের অব্যবস্থাপনা আর দুর্নীতির চিত্র বদলে দিতে পারবেন। একটা সময় হয়তো পারবেন। কিন্তু একবছরে কতটুকু পেরেছেন?

আনিসুল হক ও সাঈদ খোকনকে কত নাম্বার দেয়া যায় — বিশেষ করে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং মশা নিধনের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়ে?

আলিশান গুলশান বা ধানমন্ডি থেকে শুরু করে মধ্যবিত্তের মোহাম্মদপুর, মিরপুর বা লালবাগে এখনো রাস্তায় আবর্জনা জড়ো করে রাখে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়িরা। এমনকি কিছু খোলা জায়গায় সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও আবর্জনা জমা করে রাখে। একটা সময় পর ময়লার গাড়ি এসে সেসব তুলে নিয়ে যায়।

কখনো বা পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সেসব আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে ফেলছে।

সেদিন দেখলাম মোহাম্মদপুরের মা ও শিশু হাসপাতালের সামনে একটি ডাম্পিং স্টেশন নির্মান করা হয়েছে যেখানে আশেপাশের সব আবর্জনা এনে রাখা হবে। পরে ট্রাক এসে সেগুলো শহরের বাইরে গিয়ে ভাগাড়ে ফেলে আসবে। সেই ডাম্পিং স্টেশনের সামনেও আবর্জনার স্তুপ দেখা গেলো। ঠিক তার পেছনেই পরিবেশ রক্ষায় জাতিসংঘের বিশেষ পুরস্কার পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এলাকার সংসদ সদস্যের একটি বিশাল ব্যানার চোখে পড়লো, যা রীতিমতো হাস্যকর।

এসব ডাম্পিং স্টেশন ও ডাস্টবিন স্থাপনের আগে আশেপাশের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি কতটুকু পর্যালোচনা করা হচ্ছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন জাগে।

ময়লা-আবর্জনার অব্যবস্থাপনার এই অসহ্য যন্ত্রনা থেকে তারা আমাদের কবে মুক্তি দিতে পারবেন হয়তো তা তারা নিজেরাও জানেন না। এই বিষয়ে তাদের পরিস্কার ধারণা নেই বলেই এই হযবরল অবস্থা।

আর মশা তাড়াতে এবং তাদের প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করতে সিটি কর্পোরেশনের আইওয়াশ বন্ধ হওয়া উচিত। বছরের পর বছর নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ন ওষুধ ব্যবহার করে কিভাবে মশা নিধন সম্ভব? আবার খাল, ডোবা, ড্রেন ইত্যাদি সঠিকভাবে পরিচালনা না করতে পারলেও মশা নিধন অসম্ভব।

এমতাবস্থায়, কেউ যদি মশার সংখ্যা বৃদ্ধিতে অবদান রাখা এবং জনগনকে প্রতিনিয়ত আবর্জনার দুর্গন্ধ খাওয়ানোর জন্য মেয়রদের বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করতে চায় তাহলে তা হবে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত।

মেয়রেরা নিজেরা এসি গাড়িতে করে চলাফেরা করেন বলে আবর্জনার দুর্গন্ধ টের পাননা আবার মশার কামড় থেকেও রক্ষা পান। কিন্তু এই শহরের বেশিরভাগ মানুষেরই সেই আর্থিক সক্ষমতা নেই।

দয়া করে বাস্তবমুখী প্রকল্প গ্রহণ করুন ও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকুন। নিশ্চিত থাকুন আপনারা ভালো কাজ করলে নির্বাচনে ভোট চুরি না করেও আবার মেয়র হতে পারবেন।

Public Concern

Human rights in US 2015: In the eyes of New York-based HRW

Here’s the details of the 2016 HR Report on USA, now led by Nobel Peace laureate Barac Obama, prepared by controversial human rights group Human Rights Watch. 3,221 more words

Public Concern

Why do people die in lightning?

At least 30 people mostly farmers were struck and killed by lightning in the last 10 days at different parts of the country as nor’westers started to hit since last month. 316 more words

Public Concern