Tags » Sri Krishna

In the days of yore, which we tend to think of as simpler times to live in, there was as much virtue and vice as there is today. 444 more words

Sanatana Dharma Puranas

ভগবান পরম সত্য ||| মন্দির, মসজিদ, গীর্জার আবশ্যকতা

মূর্খ মানুষ হচ্ছে তারা যারা ভগবানের প্রভুত্বের প্রতি বিদ্রোহ করে। এই প্রকার ব্যক্তিদের বলা হয় অসুর। অসুরেরা ভগবানের কর্তৃত্ব মানতে চায় না। ভগবান স্বয়ং যখন আমাদের সম্মুখে রাম, নৃসিংহ, বরাহ অথবা তাঁর কৃষ্ণ স্বরূপে আবির্ভূত হন, তখন তিনি বহু আশ্চর্যজনক কার্য সম্পাদন করেন যা মানুষের পক্ষে অসম্ভব। দ্বাপরলীলায় শ্রীকৃষ্ণ যখন মায়ের কোলে ছিলেন তখন থেকেই তিনি মানুষের পক্ষে অসম্ভব সমস্ত কার্যকলাপ প্রদর্শন করেছিলেন। পুতনা রাক্ষসী যদিও তার স্তনে বিষ মাখিয়ে ভগবানকে হত্যা করতে এসেছিলেন, কিন্তু সেই পুতনাকে তিনি সংহার করেছিলেন। একটি সাধারণ শিশুর মতো তিনি তার স্তন পান করার মাধ্যমে তার প্রাণবায়ু শুষে নিয়েছিলেন।

Krishna

পালটে যাবে... (৩০ অগস্ট, ২০১৬)

সকাল থেকে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন দুই বিজ্ঞানী। যে অদ্ভুত, আশ্চর্য আবিষ্কারের নেশায় গত সহস্রাধিক বছর ধরে একাগ্রচিত্তে কাজ করে চলেছেন তাঁরা তিন মূর্তি, কিন্তু পারছেন না কিছুতেই শেষ অঙ্কটুকু মেলাতে, অবশেষে আজ মিলতে পারে তার উত্তর। অন্তত ড.

লেখা

অহৈতুকী সেবাপরায়ণ শুদ্ধভক্তরা ভগবানের নাম-রূপ-লীলা-মহিমা অবগত হতে পারেন

“যাঁরা দুরন্তবীর্য রথচক্রধারী ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রীপাদপদ্মে অনুকূলভাবে অহৈতুকী এবং অপ্রতিহতা সেবাপরায়ণ, তাঁরাই কেবল জগতের সৃষ্টিকর্তার পূর্ণ মহিমা, শক্তি এবং দিব্য ভাব সম্বন্ধে অবগত হতে পারেন।” (শ্রীমদ্ভাগবত, ১.৩.৩৮)

শুদ্ধ ভক্তরাই কেবল পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অপ্রাকৃত নাম, রূপ এবং কার্যকলাপ সম্বন্ধে অবগত হতে পারেন। কেননা তাঁরা সম্পূর্নরূপে সকাম কর্মের ফল এবং মনোধর্মপ্রসূত জ্ঞানের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়েছেন। শুদ্ধ ভক্তরা পরমেশ্বর ভগবানের প্রতি তাঁদের অনন্য ভক্তির বিনিময়ে কোন রকম ব্যক্তিগত লাভের আকাঙ্ক্ষা করেন না। তাঁরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সব রকম আকাঙ্ক্ষা রহিত হয়ে নিরন্তর ভগবানের সেবা করেন। ভগবানের সৃষ্টিতে সকলেই প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে ভগবানের সেবা করছেন। ভগবানের এই আইন থেকে কেউই রেহাই পায় না। যারা ভগবানের মায়া-শক্তির প্রভাবে বাধ্য হয়ে পরোক্ষভাবে ভগবানের সেবা করছেন, তাদের সেই সেবা প্রতিকূল-ভাবাপন্ন। কিন্তু যাঁরা ভগবানের প্রিয় প্রতিনিধির আনুগত্যে সরাসরিভাবে ভগবানের সেবা করছেন, তাঁদের সেই সেবা অনুকূল ভাবযুক্ত। এই ধরনের অনুকূল সেবকেরা হচ্ছেন ভগবানের ভক্ত, এবং ভগবানের কৃপার প্রভাবে তাঁরা রহস্যাবৃত ভগবদ্ধামে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু মনোধর্মীরা সর্বদাই অজ্ঞান-অন্ধকারে আচ্ছন্ন থাকেন।

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় ভগবান নিজেই বলেছেন যে, তিনি তাঁর শুদ্ধ ভক্তদের এগিয়ে যেতে পথ প্রদর্শন করেন, কেননা তাঁরা স্বতঃস্ফূর্ত প্রেমে ভগবানের সেবায় যুক্ত। সেটিই হচ্ছে ভগবদ্ধামে প্রবেশ করার একমাত্র উপায়। সকাম কর্ম এবং মনোধর্মপ্রসূত জল্পনা-কল্পনা এখানে প্রবেশের যোগ্যতা নয়।

Krishna

ভগবানের নাম, রূপ, লীলা - কল্পনাতীত, অব্যক্ত

“নটবৎ অভিনয়পরায়ণ পরমেশ্বর ভগবানের নাম, রূপ এবং লীলাবিলাসের অপ্রাকৃত স্বভাব বিকৃত মনোভাবাপন্ন মূর্খ মানুষেরা জানতে পারে না। তারা তাদের জল্পনা-কল্পনায় অথবা বাক্যের মাধ্যমে তা ব্যক্ত করতে পারে না। ” (শ্রীমদ্ভাগবত, ১.৩.৩৭)

পরম সত্য পরমেশ্বর ভগবানের দিব্য প্রকৃতির বর্ণনা কেউই যথাযথভাবে করতে পারে না। তাই তাঁকে বলা হয় ‘অবাঙ্মনসগোচর’। কিন্তু তবুও বিকৃত মনোভাবাপন্ন অল্পজ্ঞ কিছু মানুষ রয়েছে, যারা তাদের অপূর্ণ মনের জল্পনা-কল্পনার দ্বারা এবং তাঁর চিন্ময় কার্যকলাপ সম্বন্ধে তাদের ভ্রান্ত বর্ণনার দ্বারা তাঁকে জানতে চায়। সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর কার্যকলাপ, তাঁর আবির্ভাব এবং তিরোভাব, তাঁর নাম, তাঁর রূপ, তাঁর পরিকর, তাঁর ব্যক্তিত্ব এবং তাঁর সাথে সম্পর্কিত সবকিছুই রহস্যজনক বলে মনে হয়।

দু’রকমের জড়বাদী রয়েছে; যথা – সকাম কর্মী এবং জ্ঞানী দার্শনিক। সকাম কর্মীদের পরম সত্য সম্বন্ধে কোন ধারণাই নেই, আর মনোধর্মী জ্ঞানীরা সকাম কর্মে ব্যর্থ হয়ে তাদের মনোধর্মপ্রসূত জল্পনা-কল্পনার মাধ্যমে পরমতত্ত্বকে জানবার চেষ্টা করে। এই উভয় শ্রেণীর লোকের কাছেই পরমতত্ত্ব রহস্যাবৃত, ঠিক যেমন একটি শিশুর কাছে যাদুকরের ভেলকিবাজি রহস্যাবৃত। অভক্তরা সকাম কর্মে এবং জল্পনা-কল্পনায় যতই পারদর্শী হোক না কেন, পরমেশ্বর ভগবানের মায়ার দ্বারা মোহিত হয়ে তারা সর্বদাই অজ্ঞানের অন্ধকারে আচ্ছন্ন। তাদের সীমিত জ্ঞান নিয়ে তারা অপ্রাকৃত জগতের রহস্যাবৃত প্রদেশে প্রবেশ করতে পারে না। মনোধর্মী জ্ঞানীরা অবশ্য স্থূল জড়বাদী বা সকাম কর্মীদের থেকে একটু উন্নত, কিন্তু যেহেতু তারা মায়ার দ্বারা আচ্ছন্ন, সেহেতু তারা মনে করে যে, যারই রূপ আছে, নাম আছে এবং কার্যকলাপ রয়েছে, তা নিশ্চয়ই জড়া প্রকৃতি থেকে উৎপন্ন হয়েছে। তাদের কাছে পরমেশ্বর ভগবান নিরাকার, নামহীন এবং কর্মহীন। আর যেহেতু এই ধরনের মনোধর্মীরা পরমেশ্বর ভগবানের অপ্রাকৃত নাম এবং রূপকে জড় নাম এবং রূপের সমপর্যায়ভুক্ত বলে মনে করে, তাই তারা এক-একটি মহামূর্খ ছাড়া আর কিছু নয়। তাদের সেই স্বল্প জ্ঞানের দ্বারা তারা কখনই পরমেশ্বর ভগবানের যথার্থ প্রকৃতিতে প্রবেশ করতে পারে না।

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বর্ণনা করা হয়েছে যে, পরমেশ্বর ভগবান সর্বদাই তাঁর দিব্য প্রকৃতিতে বিরাজ করেন, এমন কি যখন তিনি এই জগতে অবতরণ করেন, তখনও তিনি তাঁর দিব্য প্রকৃতিতেই অধিষ্ঠিত থাকেন। কিন্তু মূর্খ মানুষেরা মনে করে যে, পরমেশ্বর ভগবান এই পৃথিবীর আর পাঁচ জন মহৎ মানুষের মতো, এবং এইভাবে তারা ভগবানের মায়াশক্তির দ্বারা মোহাচ্ছন্ন হয়।

Krishna

ভগবানের অবতরণ মাহাত্ম্য পাঠ : দুঃখদুর্দশা থেকে মুক্তি

“যে মানুষ মনোযোগ সহকারে ভগবানের রহস্যপূর্ণ প্রকট অর্থাৎ অবতরণের কথা সকাল এবং সন্ধায় ভক্তিপূর্বক পাঠ করেন, তিনি জড় জগতের সমস্ত দুঃখ-দুর্দশা থেকে মুক্ত হন।” (শ্রীমদ্ভাগবত, ১.৩.২৯)

ভগবদগীতায় ভগবান ঘোষণা করেছেন যে, কেউ যদি তত্ত্বগতভাবে ভগবানের জন্ম এবং কর্ম সম্বন্ধে অবগত হয়, তাহলে সে দেহত্যাগের পর জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে ভগবদ্ধামে ফিরে যেতে পারে। তাই কেবল পরমেশ্বর ভগবানের রহস্যাবৃত অবতরণের কথা তত্ত্বত জানতে পারলে জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া যায়। তাই জগজ্জীবের মঙ্গলের জন্য ভগবান যে তাঁর জন্ম এবং কর্ম এই জগতে প্রকাশ করেন তা সাধারণ নয়। তা রহস্যজনক, এবং যাঁরা ভক্তি সহকারে অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে তার গভীরে প্রবেশ করেন, তাঁদের কাছেই কেবল এই রহস্য উদ্ঘাটিত হয়। এইভাবে জীব জড় বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারে। সেই জন্যই ভগবানের আবির্ভাব এবং বিভিন্ন অবতরণের কথা বর্ণিত হয়েছে এবং কেউ যদি কেবল ঐকান্তিক ভক্তি সহকারে তা পাঠ করেন, তাহলে তিনি ভগবানের দিব্য জন্ম এবং কর্ম সম্বন্ধে অন্তর্দৃষ্টি লাভ করতে পারেন।

হরিবোল!

Krishna

Radha – Eternally Aparampar...Apar...Her Love Has No Par...

In every breath till it lasts…
…Radha knows and will know only You, Oh! Krsna,
In every sound that whispers by in this Cosmic Repertoire… 429 more words

Heart Full Of Love