Tags » Sri Krishna

ভগবানের অবতরণ মাহাত্ম্য পাঠ : দুঃখদুর্দশা থেকে মুক্তি

“যে মানুষ মনোযোগ সহকারে ভগবানের রহস্যপূর্ণ প্রকট অর্থাৎ অবতরণের কথা সকাল এবং সন্ধায় ভক্তিপূর্বক পাঠ করেন, তিনি জড় জগতের সমস্ত দুঃখ-দুর্দশা থেকে মুক্ত হন।” (শ্রীমদ্ভাগবত, ১.৩.২৯)

ভগবদগীতায় ভগবান ঘোষণা করেছেন যে, কেউ যদি তত্ত্বগতভাবে ভগবানের জন্ম এবং কর্ম সম্বন্ধে অবগত হয়, তাহলে সে দেহত্যাগের পর জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে ভগবদ্ধামে ফিরে যেতে পারে। তাই কেবল পরমেশ্বর ভগবানের রহস্যাবৃত অবতরণের কথা তত্ত্বত জানতে পারলে জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া যায়। তাই জগজ্জীবের মঙ্গলের জন্য ভগবান যে তাঁর জন্ম এবং কর্ম এই জগতে প্রকাশ করেন তা সাধারণ নয়। তা রহস্যজনক, এবং যাঁরা ভক্তি সহকারে অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে তার গভীরে প্রবেশ করেন, তাঁদের কাছেই কেবল এই রহস্য উদ্ঘাটিত হয়। এইভাবে জীব জড় বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারে। সেই জন্যই ভগবানের আবির্ভাব এবং বিভিন্ন অবতরণের কথা বর্ণিত হয়েছে এবং কেউ যদি কেবল ঐকান্তিক ভক্তি সহকারে তা পাঠ করেন, তাহলে তিনি ভগবানের দিব্য জন্ম এবং কর্ম সম্বন্ধে অন্তর্দৃষ্টি লাভ করতে পারেন।

হরিবোল!

Krishna

Radha – Eternally Aparampar...Apar...Her Love Has No Par...

In every breath till it lasts…
…Radha knows and will know only You, Oh! Krsna,
In every sound that whispers by in this Cosmic Repertoire… 429 more words

Heart Full Of Love

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সমস্ত অবতারের অবতারী

এখানে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে অন্যান্য অবতারদের পার্থক্য নিরূপিত হয়েছে। তাঁকে অবতারের মধ্যে গণনা করা হয়, কেননা তাঁর অহৈতুকী কৃপার প্রভাবে ভগবান তাঁর চিন্ময় ধাম থেকে এই জগতে অবতরণ করেন। ভগবানের সমস্ত অবতার, এমনকি ভগবান নিজেও এই জড় জগতের বিভিন্ন গ্রহে বিভিন্নরূপে অবতরণ করেন কোন বিশেষ উদ্দেশ্য সাধন করার জন্য। কখনও তিনি স্বয়ং অবতরণ করেন, আবার কখনো বা বিভিন্ন অংশ অথবা অংশের অংশ বা কলা অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাঁর শক্তির দ্বারা আবিষ্ট শক্ত্যাবেশ অবতার কোন বিশেষ উদ্দেশ্য সাধন করার জন্য এই জগতে অবতরণ করেন। ভগবান ষড়ৈশ্বর্যপূর্ণ – তাঁর মধ্যে সমস্ত ঐশ্বর্য, সমস্ত বীর্য, সমস্ত যশ, সমস্ত শ্রী, সমস্ত জ্ঞান এবং সমস্ত বৈরাগ্য রয়েছে। সেগুলি যখন আংশিকভাবে তাঁর অংশ অথবা কলার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়, তখন বুঝতে হবে যে, তাঁর বিভিন্ন শক্তির এই প্রকাশ কোনও বিশেষ উদ্দেশ্য সাধন করার জন্য।

দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যায়, পরশুরাম একুশবার পৃথিবীকে ক্ষত্রিয়শূণ্য করেন এবং নৃসিংহদেব দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুকে সংহার করে অস্বাভাবিক ঐশ্বর্য প্রদর্শন করেছিলেন।ভগবানের শক্ত্যাবেশ অবতার নারদ ও অংশ অবতার বরাহ এবং পরোক্ষভাবে শক্ত্যাবিষ্ট অবতার বুদ্ধ জনসাধারণের মনে বিশ্বাস উৎপাদন করেছিলেন। শ্রীরামচন্দ্র ও ধন্বন্তরি তাঁর যশ প্রকাশ করেছিলেন এবং বামন তাঁর সৌন্দর্য প্রকাশ করেছেন। দত্তাত্রেয়, মৎস্য, কুমার এবং কপিল তাঁর অপ্রাকৃত জ্ঞান প্রদর্শন করেছেন। নর এবং নারায়ণ ঋষি তাঁর বৈরাগ্য প্রদর্শন করেছেন। এইভাবে ভগবানের বিভিন্ন অবতারেরা প্রত্যক্ষভাবে অথবা পরোক্ষভাবে বিভিন্ন রূপ প্রকাশ করেছেন; কিন্তু পরম পুরুষ শ্রীকৃষ্ণ ভগবানের পূর্ণ রূপ প্রদর্শন করেন। এইভাবে প্রতিপন্ন হয় যে, তিনিই সমস্ত অবতারের অবতারী।

শ্রীল জীব গোস্বামীর বর্ণনা অনুসারে, মহাজনদের মতে শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন সমস্ত অবতারের অবতারী। এমন নয় যে, শ্রীকৃষ্ণের কোনও অবতারী রয়েছে। পরমতত্ত্বের লক্ষণগুলি পূর্ণরূপে শ্রীকৃষ্ণে রয়েছে, এবং ভগবদ্গীতায় ভগবান নিজেই ঘোষণা করে গেছেন যে, তাঁর থেকে বড় অথবা তাঁর সমান আর কোনও সত্য নেই। (শ্রীমদ্ভাগবত, ১.৩.২৮)

Krishna

ভগবানের ২২ অবতার

১। কুমার অবতার: ব্রহ্মার চতুঃসন – সনক, সনৎকুমার, সানন্দ, সনাতন।

২। বরাহ অবতার: এই পৃথিবী যখন রসাতলে পতিত হয়েছিল, তখন এই বিশ্বের মঙ্গলের জন্য পৃথিবীকে উদ্ধার করতে ইচ্ছুক হয়ে সমস্ত যজ্ঞের পরম ভোক্তা যজ্ঞেশ্বর বিষ্ণু দ্বিতীয় অবতারে বরাহ রূপ ধারণ করেছিলেন।

Krishna

কৃষ্ণ নিজেকে গোপন রাখেন

“যিনি সর্বত্র আমাকে (শ্রীকৃষ্ণ) দর্শন করেন এবং আমাতেই সমস্ত বস্তু দর্শন করেন, আমি কখনও তাঁর দৃষ্টির অগোচর হই না এবং তিনিও আমার দৃষ্টির অগোচর হন না।” (শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা, ৬/৩০)

“ভক্ত আমাকে তাঁর হৃদয়ে প্রেমের বন্ধনে বেঁধে রেখেছে। যেখানেই তাঁর নেত্র পড়ে, সেখানেই সে আমাকে দর্শন করে।” (শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত, মধ্য ২৫/১২৭)


এইরকম প্রেমীভক্ত, যিনি প্রণয় বন্ধনে তাঁর হৃদয়ে শ্রীকৃষ্ণকে বেঁধে রেখেছেন, তিনিই সর্বত্র শ্রীকৃষ্ণকে দর্শন করেন, তাছাড়া অন্য কেউ সর্বত্র শ্রীকৃষ্ণকে দর্শন করতে পারবে না। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং বলেছেন, –

“আমি মূঢ় ও বুদ্ধিহীন ব্যক্তিদের কাছে কখনও প্রকাশিত হই না। তাদের কাছে আমি আমার অন্তরঙ্গা শক্তি যোগমায়ার দ্বারা আবৃত থাকি। তাই তারা আমার অজ ও অব্যয় স্বরুপকে জানতে পারে না।” (শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা, ৭/২৫)

পক্ষান্তরে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজেকে গোপন রাখেন। কিন্তু ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যদি নিজেকে গোপন রাখেন, তাহলে আমরা কেমন করে তাঁকে দর্শন করব? আর কে-ই বা তাঁকে দর্শন করতে পারবেন?
“ভক্ত আমা প্রেমে বান্ধিয়াছে হৃদয়-ভিতরে।
যাঁহা নেত্র পড়ে তাঁহা দেখয়ে আমারে।।” (শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, মধ্য, ২৫/১২৭)


কেবল এইরকম একজন প্রেমীভক্ত তাঁকে দর্শন করতে পারবেন, যিনি কৃষ্ণপ্রেম লাভ করেছেন, যিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রণয়-রজ্জুর দ্বারা তাঁর হৃদয়ে বেঁধে রেখেছেন, তিনিই কেবল সর্বত্রই শ্রীকৃষ্ণকে দর্শন করতে পারবেন। এমনকি শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং, যিনি সর্বশক্তিমান, তিনিও সেই বন্ধন ছিন্ন করতে পারেন না। তিনি বলেছেন, “ন পারয়ে, ন পারয়ে, ন পারয়েহহং” – অর্থাৎ “আমি ছিন্ন করতে পারব না, ছিন্ন করতে পারব না, ছিন্ন করতে পারব না।” এটা হচ্ছে এরকম একটি অতি দৃঢ় বন্ধন। কৃষ্ণ এরকম একজন প্রেমীভক্তের কাছে নিজেকে কখনই গোপন রাখতে পারেন না। যদিও তিনি নিজেকে গোপন রাখেন, তথাপি একজন প্রেমী-ভক্ত সর্বত্রই তাঁকে দর্শন করেন।

Krishna

শ্রীকৃষ্ণই একমাত্র আরাধ্য

“আরাধ্যো ভগবান্ ব্রজেশতনয়স্তদ্ধাম বৃন্দাবনং।

রম্যা কাচিদুপাসনা ব্রজবধূবর্গেণ যা কল্পিতা।।

শ্রীমদ্ভাগবতং প্রমাণমমলং প্রেমা পুমার্থো মহান্।

শ্রীচৈতন্যমহাপ্রভোর্মতমিদং তত্রাদরঃ ন পরঃ।।” (শ্রী বিশ্বনাথ চক্রবর্তী ঠাকুর, চৈতন্যমত্ত মঞ্জুষা)

অর্থাৎ, “পরমেশ্বর ভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দন শ্রীকৃষ্ণই তাঁর ধাম বৃন্দাবন সহ আরাধ্য। বৃন্দাবনের গোপীদের দ্বারা সম্পাদিত উপাসনাই সবচেয়ে রমণীয়। শ্রীমদ্ভাগবতই হচ্ছে অমল পুরাণ এবং সর্বতোভাবে প্রামাণিক। কৃষ্ণপ্রেমই সমস্ত মানুষের জীবনের লক্ষ্য। এটিই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর মত এবং তা আমাদের পরম আদরের বিষয়।” 

Krishna

🌹😍  শ্রীকৃষ্ণ নিত্য ব্রহ্মচারী  🌝🌹

গোপালতাপনী উপনিষদের বর্ণনানুযায়ী একসময় ব্রজবাসী গোপীগণ শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা করে বললেন, “হে প্রাণবল্লভ! আমরা কিভাবে সর্বদা তোমাকে আনন্দ দিতে পারব, তোমাকে সুখ দিতে পারব?”

তদুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ গোপীদেরকে বললেন, “গোপীগণ! তোমরা যমুনার অপর পাড়ে যেখানে মুনিপ্রবর দুর্বাসা আছেন সেখানে যাও। (বিঃ দ্রঃ – এ দুর্বাসা কিন্তু মহারাজ অম্বরীষের শ্রীচরণে অপরাধকারী দুর্বাসা নন, ইনি শ্রীকৃষ্ণের অতি প্রিয় ভক্ত অন্য এক দুর্বাসা।) তাঁকে ভক্ষ্য দ্রব্য প্রদান করে তাঁর সন্তোষ বিধান কর এবং তিনি তোমাদের প্রতি অত্যন্ত প্রসন্ন হয়ে আশীর্বাদ করলে তোমাদের এই মনস্কামনা পূর্ণ হবে। তখন তোমরা আমাকে আনন্দ দিতে পারবে, আমাকে সুখ দিতে পারবে।”

ব্রজবাসীরা পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, “হে ব্রজেশ্বর! যমুনার অগাধ জল, উপরন্তু প্রবল বেগে স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে, কিভাবে তা পার হয়ে আমরা তাঁর কাছে যাব? মুনিবরের কাছে না গেলে তো আমাদের শ্রেয়লাভ হবে না।”

তখন শ্রীকৃষ্ণ বললেন, “হে গোপীগণ! আমি তোমাদের একটি অতি গোপনীয় মন্ত্র প্রদান করছি, তোমরা ‘শ্রীকৃষ্ণ নিত্য ব্রহ্মচারী’ এই মন্ত্র উচ্চারণ পূর্বক যমুনার জলমধ্যে প্রবেশমাত্রই যমুনা তোমাদেরকে পথ করে দেবেন।”

কেউ একথা বুঝতে পারবেন না যে শ্রীকৃষ্ণ কিভাবে নিত্য ব্রহ্মচারী। দ্বারকায় তাঁর ১৬ হাজার ১শ’ ৮ জন মহিষী আছেন এবং তাঁদের থেকে তিনি বহু পুত্র-সন্তানাদি উৎপাদন করেছেন। তিনি একজন বিরাট গৃহস্থ, তাঁকে কিভাবে ব্রহ্মচারী বলা যেতে পারে? তিনি মধ্যরাত্রে বৃন্দাবনের অরণ্যে শত শত গোপীদের সঙ্গে রাসনৃত্য করেছেন, তাঁকে কিরূপে ব্রহ্মচারী বলা সঙ্গত হতে পারে? গোপীগণও যখন ঠিক অনুরূপভাবে মনে মনে চিন্তা করছিলেন, তখন শ্রীকৃষ্ণ তাঁদের মনের অভিপ্রায় বুঝতে পেরে তাঁদেরকে বললেন, “গোপীগণ! আমার নামের এমনই মাহাত্ম্য যে, নাম স্মরণমাত্র অতলস্পর্শা নদীও অল্পতোয়া হয়।”

গোপীগণ শ্রীকৃষ্ণের কথায় বিশ্বাস স্থাপনপূর্বক তখনই ‘শ্রীকৃষ্ণ নিত্য ব্রহ্মচারী’ মন্ত্র উচ্চারণ করে যমুনার জলে নামলেন। সঙ্গে সঙ্গে যমুনা ক্ষীণতোয়া হলে তা অতিক্রম করে দুর্বাসা মুনির আশ্রমে গিয়ে তাঁকে ভক্তিভরে প্রণাম পূর্বক জিজ্ঞাসা করলেন, “হে মুনিপ্রবর! আমরা কিভাবে আপনাকে প্রসন্ন বিধান করতে পারি? আপনি কৃপা করে আমাদেরকে আশীর্বাদ করুন আমাদের যাতে কৃষ্ণভক্তি লাভ হয়, আমরা যাতে শ্রীকৃষ্ণকে সতত সুখ ও আনন্দ দিতে পারি।”

তারপর তাঁরা তাঁদের পায়সান্ন ও অতিপ্রিয় ঘৃতপক্বান্ন মুনিবরকে ভোজন করালেন। মুনিপ্রবর দুর্বাসা গোপীদের প্রতি স্নেহবশতঃ সুমিষ্ট পায়সাদি ভোজন করে অত্যন্ত প্রসন্ন হয়ে গোপীদেরকে আশীর্বাদ করে বললেন, “তোমাদের শুদ্ধ কৃষ্ণভক্তি লাভ হোক, তোমরা সতত শ্রীকৃষ্ণকে সুখ ও আনন্দ দিতে পারবে। এখন তোমরা ব্রজে গমন কর।”

গোপীগণ যমুনায় পুনরায় পূর্বের মতো অগাধ জল ও প্রবল স্রোত প্রবাহিত হতে দেখে দুর্বাসাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “হে মুনিবর! আমরা কিভাবে অগাধ জলপূর্ণা স্রোতস্বতী যমুনা পার হব?” তদুত্তরে মুনি বললেন যে, “নিরাহারী আমাকে স্মরণ করলেই যমুনা তোমাদেরকে পথ দিয়ে দেবেন। অর্থাৎ ‘দুর্বাসা নিত্য নিরাহারী’ এই গোপনীয় মন্ত্র উচ্চারণ-পূর্বক যমুনা জলমধ্যে প্রবেশমাত্রই এই যমুনা তোমাদেরকে পথ করে দেবেন।”

তখন গোপীগণ পরস্পরের মধ্যে নিম্নস্বরে পরস্পরকে বলতে লাগলেন, “মুনিবর আমাদেরকে প্রদত্ত প্রচুর পরিমাণে পায়সান্ন ও ঘৃতান্ন ভোজন করে তিনি কি প্রকারে নিরাহারী হলেন? তিনি কি কিছুই ভোজন করেননি? এ আবার কি কথা?”

আমরা এ কথা কিছু বুঝতে পারব কি? ‘শ্রীকৃষ্ণ নিত্য ব্রহ্মচারী আর দুর্বাসা নিত্য নিরাহারী’। গোপালতাপনী উপনিষদে এ কথা বর্ণিত হয়েছে। এটি বোঝা এত সহজ কথা নয়। এটিতে এতো গভীর তত্ত্ব নিহিত আছে যা কেউ চিন্তা করতে পারবে না। এটি একটি অচিন্ত্য তত্ত্ব।

হরিবোল!

Krishna