Tags » Suppression

Creativity Challenge Day 10

Creativity Challenge 10

The Challenge here is to use your creative talent to bring light into the current distress in the world around you, in whatever form that talent takes. 290 more words

নারী স্বাধীনতা

নারীমুক্তি নিয়ে অনেকেই অনেক শব্দ খরচ করেছে এখনো করে।তবু আজ ও ধারাবাহিক ভাবে কন্যা ভ্রূন হত্যা, নারী, শিশু কন্যা পাচার, পনের বলি, ধর্ষন, শ্লীলতাহানী সব চলছে, শুধু চলছে না উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে।  আজকে বরঞ্চ কিছু কারন খুঁজি চলুন।

আমি নিজের অভিজ্ঞতাতেই জানি যে সব মেয়েরা প্রথম লাঞ্ছিত হয় বাড়িতে। হ্যাঁ, বাড়ি থেকেই না বরং ভ্রূন থেকেই শুরু করি। আল্ট্রা সাউন্ডের শুরু খুব বেশি দিনের না, তাহলে কি ধরে নেবো যে এই যন্ত্র আসার আগে কন্যা সন্তান শেফ ছিলো? না, ছিলোনা।আগেকার দিনে এমন অনেক ধাই মা ছিল যারা কোন মেয়ে সন্তান্সম্ভবা কি না তা নাড়ী ধরে বলে দিতে পারতেন। আর ভ্রূনের বয়স একটু বেশি মানে আট কিংবা ন’সপ্তাহের হলে বলে দিতে পারতেন গর্ভস্থ সন্তান টি মেয়ে না ছেলে?তখন নানান গ্রামীন উপায়ে গর্ভপাত করিয়ে দিতো শাশুড়ি বা ওই বাড়ির প্রধান কোন নারী। আর যদি তা না হত তো প্রসবের পরে যদি দ্যাখা যেত কন্যা সন্তান তো নুন ঠুসে দেওয়া হত নবজাতিকার মুখে। কেউ আবার ধান দিয়ে দিতো, জন্মানোর সাথে সাথেই কচি মুখ মধুর বদলে ধান গলায় আটকিয়ে মরতো।সব চেয়ে বড় মজাটা কি বলতো, এই পুরো খুন রক্রিয়াটা চলতো কোন নারীর হাতে।

আসলে পিতৃতন্ত্র টিকে আছেই নারীর হাত ধরে।আজ ও আমাদের দেশে সব চেয়ে বেশি বধূ হত্যা হয় ই শাশুড়ি, ননদ, জা এই রকম কোন নারীর হাতেই। মেয়ে পাচার হয়ে যায় গ্রাম দেশে বিয়ের নাম দিয়ে সেখানেও আড়কাঠির কাজ টি করে কোন মহিলা। এই যে সদ্য শিশু পাচার চক্র নিয়ে এতো খবর হচ্ছে সেখানেও বেশীরভাগ মহিলা।

ছেলেদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা মহিলাটি ই হয়তো বারির কাজের মেয়েটিকে শারীরিক অত্যাচার বেশি করেন।শিশু শ্রমিক হিসাবে সব চেয়ে বেশি ডোমেষ্টিক হেল্পারের কাজ করে নাবালিকা রা। দারিদ্রের জ্বালায় মা কাজে দিয়ে দেন এই আশায় যে খেতে তো পাবে; কিন্তু খাওয়া তো দূর বেশির ভাগ সময়েই এরা শারীরিক নির্জাতনের শিকার হয়। সারাদিন কাজ, খেতে না দেওয়া, মার ধোর লেগেই থাকে।

আসলে যে দেশে স্বাধীনতার সত্তর বছর পরেও শৌচাগার বানানোর জন্য টি ভিতে বিজ্ঞাপন দিতে হয়, স্যানিটারী ন্যাপকিন এর প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে হয় সেই দেশে নারি নির্জাতন থেকে রক্ষা পাওয়ার আইন আসলে আইনের অপপ্রয়োগ ছাড়া কিছু না।

আমি যখন ছেলের মা, তখন তো আমার ই উচিত ছেলেকে শেখানো, যে মেয়েদের সম্মান করতে শেখানো? কোন মেয়ে শর্ট ড্রেস পরলেই সে ভোগ্যপন্য নয়! আমরা মেয়েকে শাখাই জন্মের পর থেকেই, সতীত্ব খুব দামী জিনিষ। মেয়ের ওড়া বন্ধ করতে নানা ভাবে তাকে সমাজের মাপে কেটে ছেঁটে সাইজ করি, যাতে এই পিতৃতান্ত্রিক সমাজের খাপে এঁটে যায়, আর সেইখান থেকে শুরু হয় পিতৃতন্ত্রের ধ্বজা ওড়ানোর পালা।

যেদিন মা মেয়েকে না শিখিয়ে ছেলেকে শেখাবে, তাকে সাইজ করবে সেদিন হতে পারে অন্যরকম সমাজ দেখতে পাই। কে জানে সেদিন কত দূরে? আপনি কি মনে করেন, এমন দিন আসবে?

The Lens Of Durbin

Regulation

Impulsive behavior must be tamed.
The options available
Suppression
Or
Liberation.
What has happened to the grey area?
Regulation.

Speech without inhibiting behavior.
Inflicting pain on others, 37 more words

The cash crunch may paralyse economic activities in India

The cash crunch arising out of demonetisation is expected to paralyse economic activity in the short-term, and the 2017-18 GDP growth is likely to take a hit… 954 more words

Trending

Demonetization may leads to Riots On The Streets in India

“We Will Have Riots On The Streets” Supreme Court Warns Government On Demonetisation For the second time in a week, the Central Government in India has faced tough questions on the notes ban from the Supreme Court, which cautioned on Friday: “We will have riots on the streets.”

537 more words
Trending

"Anti-Establishment" Trump must Pardon Edward Snowden

An “Anti-Establishment” Trump Should Pardon Edward Snowden

During his first days as president, Barack Obama pledged to protect government whistleblowers. In fact, Change.org even highlighted this stance saying, “Often the best source of information about waste, fraud, and abuse in government is an existing government employee committed to public integrity and willing to speak out. 1,223 more words

Trending

কন্যাসন্তান

খবরগুলো রোজ ই চোখে পরে, তাও কোন কোন ঘটনা আমায় সারাদিন দুঃখে অবশ করে দেয়। রোজ মেয়েরা পনের বলি, ধর্ষন, শ্লীলতাহানির শিকার হচ্ছে। খারাপ লাগে এই ভেবে যে এখনো ভারতে এমন কিছু সেলিব্রটি মহিলা ধর্ষনের জন্য মেয়েদের দায়ী করে।

দিন কয়েক আগে এক স্বনামধন্যা অভিনেত্রীর  বাংলা কাগজে দেওয়া একটা সাক্ষাতকার পড়ছিলাম। উনি নিজেকে খুব সংস্কারি মনে করেন তাই অনায়াসে বলে দিলেন যে ওনার মনে হয় ধর্ষনের জন্য মেয়েরাই দায়ী, কারন? কারন হিসেবে বললেন মেয়দের মিনিস্কার্ট, অফ শোল্ডার এই রকম পোষাক গুলো ছেলেদের প্রোভোক করে। কষ্টে, রাগে মনে হচ্ছিলো সোজা কলকাতায় গিয়ে ওনার লম্বা চুল গুলো মুঠি করে ধরে জানতে চাই এতো যে ছোট্ট চার, পাঁচ বছরের শিশু কন্যা বা সত্তর বছরের বৃদ্ধা ধর্ষিত হচ্ছে তারা কিভাবে ধর্ষক কে প্রোলোভিত করছে? মায়া দয়া হীন তো সমাজ বরাবর ই ছিলো, কিন্তু মোক্ষদা পিসীর রাও তো বলেনি কোনদিন যে মেয়েদের দোষেই মেয়েরা ধর্ষিত হচ্ছে?

মেয়েরা পনের বলি হচ্ছেসেও এই ধরনের মহিলাদের জন্যই যারা পুরুষতন্ত্র তাকে বয়ে নিয়ে চলেছেন রিলে রেসের মতন।ঘরে মেয়ে জন্মালে আজকের দিনেও প্রথমে তার স্বাস্থ্য বা এডুকেশনের বদলে বিয়ে নিয়েই চিন্তা শুরু হয়ে জায়।আজ ও কেন নারী কে প্রথমে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে, মননশীল না বানিয়ে বিয়ে দিতে হয়? অবশ্য রোজগেরে মেয়েরাই বা বাঁচছে কোথায়? এই তো কিছু মাস আগেই পাটনায় এক ব্যাঙ্ক অফিসার কে তাঁর স্বামী আর শ্বশুর বাড়ির লোকেরা মেরে দিলো, কেন? না ছেলেটি হীনমন্যতায় ভুগছিলো। এখানে অবশ্য আমি মেয়ের বাড়ির দোষ ই দেখি। এক দিনেই তো কেউ মেরে ফেলেনা। যখন আপনার বিবাহিত মেয়ে কোন রকম শ্বশুর বাড়িতে অসুরক্ষিত বোধ করছে তখন ই বাপের বাড়ির লোকের উচিত মেয়েকে মানিয়ে নিতে না বলে তাকে লীগ্যাল সাপোর্ট না করতে পারলেও মানসিক ভাবে তাকে সাপোর্ট করুন। মেয়ে বিয়ে দিয়েই দায় শেষ না করে বিয়ের পরেও যে তার নিশ্চিন্তের কোন সহায় আছে সেই মানসিকতা তৈরী করুন।আর এই সব বজ্জাত কিছু সেলিব্রিটির মত ভাববেন না যে কোন মেয়ের স্কার্টের ঝুল ছোট হলেই তাকে ধর্ষন করার অধিকার পেয়ে যায় কেউ। প্রথমে নিজেদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনুন তারপরে ছেলে কে শেখান মেয়ে বলে কাউকে যেন অসম্মান না করে। বলতে লজ্জা করলেও তো এটাই সত্যি যে আজ ও এই ধরনের মানসিকতার মেয়েরা আছে, তাই আগামি দিনেও মেয়েরা বিপদমুক্ত নয়।

The Lens Of Durbin